নতুন মায়েদের জন্য পুষ্টিকর ডায়েট

ফানাম নিউজ
  ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩:১১

নতুন মায়েদের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে এবং দুর্বলতা কাটানোর জন্য কিছু অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টির প্রয়োজন। নতুন মায়েরাই তাদের বাচ্চাদের একমাত্র খাদ্য সরবরাহকারী, তাই তাদের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে হবে। শিশুর যত্ন নেওয়ার জন্য তাদের নিজেদেরই পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।

মায়েদের সব ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করবে এমন কয়েকটি ডায়েট টিপস দেখে নেওয়া যাক-

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: নতুন মায়েদের জন্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার অবশ্যই দিতে হবে।  এটি তার শরীরে শক্তি জোগাবে। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ডিম, লাল মাংস এবং মাছ রাখতে হবে। প্রোটিন শিশুদের জন্য দুধ উৎপাদনে সহায়তা করে যা নতুন মায়েদের জন্য বাড়তি সুবিধা। এটি শিশুর কোষ তৈরিতেও সহায়তা করে।

সবুজ শাকসবজি: পালংশাক এবং ব্রোকলির মতো শাকসবজিতে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা নতুন মায়েদের জন্য খুবই উপকারী। এই শাকগুলো শিশুর বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরা এই সবজি থেকে অনেক উপকার পান।

আয়রনসমৃদ্ধ খাবার: সন্তান প্রসবের সময় অনেক মায়ের শরীর থেকে প্রচুর রক্ত বেরিয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী মায়ের শরীর অনেক দুর্বল থাকে। তফু, টুনা মাছ, মাংস, চিকেন এবং ডিম আয়রনের ভালো উৎস যা রক্তশূন্যতা পূরণে সহায়তা করে। আয়রনের ঘাটতি মায়েদের শরীরে ক্লান্তির কারণ।  

তাই পুষ্টির চাহিদা মেটাতে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় আয়রনসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করতে হবে।

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ, টক দই এবং পনির ক্যালসিয়ামের আঁধার। শিশুর সুস্থ হাড় গঠনের জন্য নতুন মায়েদের প্রচুর দুগ্ধজাত খাবার খেতে দিতে হবে। এ ছাড়া দুগ্ধজাত খাবারে থাকা ভিটামিন ডি নতুন মায়ের হাড়ের স্বাস্থ্যর উন্নতি করে।

ভিটামিন সি: সাইট্রাস সমৃদ্ধ ফল বা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- লেবু, কমলালেবু নতুন মায়েদের জন্য ভালো পুষ্টিকর খাবার। এই ফলগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে এবং সর্দি ও কাশি প্রতিরোধে সহায়তা করে। যাই হোক ভিটামিন সি শরীরে আয়রন ভালোভাবে শোষণে সহায়তা করে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

প্রচুর পানি পান: প্রসব পরবর্তীকালীন মায়েদের শরীর আর্দ্র রাখা জরুরি। প্রসবের সময় মায়েদের শরীর থেকে প্রচুর তরল ‍উপাদান বেরিয়ে যায় এবং পানি পান কম হলে মাথা ব্যথা এবং মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি খেতে হবে নতুন মায়েদের।