• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
আসছে ৪ থেকে ৬টি শৈত্যপ্রবাহ, কেমন হবে এবারের শীত?
আসছে ৪ থেকে ৬টি শৈত্যপ্রবাহ, কেমন হবে এবারের শীত?
চলতি শীত মৌসুমে দেশে ৪ থেকে ৬টি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩টি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এবারের শীত স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা উষ্ণ থাকতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। নভেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত তিন মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি কুয়াশা, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বাসসকে জানান, সাধারণত ডিসেম্বর মাসে দেশে এক থেকে দুটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। অন্যদিকে, জানুয়ারিতে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় এক থেকে দুটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তখন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। কুয়াশায় বাড়তে পারে শীতের অনুভূতি দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন মাসে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। এতে শীতের অনুভূতি বাড়বে। তবে সামগ্রিকভাবে এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। এর কারণ ব্যাখ্যা করে আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এল নিনো সক্রিয় থাকা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে গড় তাপমাত্রা বেশি থাকতে পারে। এ কারণে এবারের শীতকাল কিছুটা উষ্ণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, শৈত্যপ্রবাহ থাকবে, তবে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সংখ্যা, স্থায়িত্ব ও বিস্তৃতি তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রভাবে শৈত্যপ্রবাহের সংখ্যা ও স্থায়িত্ব নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে দুটি লঘুচাপ শীতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী তিন মাসে বঙ্গোপসাগরে ২ থেকে ৪টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক বলেন, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস সাধারণত ঘূর্ণিঝড়প্রবণ সময়। এ সময় বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হয়। কখনো কখনো এসব লঘুচাপ শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়। তিনি আরও বলেন, এ সময় সূর্যের দক্ষিণায়নের কারণে দিনের দৈর্ঘ্য কমে এবং রাতের দৈর্ঘ্য বাড়ে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে সূর্যের তাপের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যদিও প্রতিবছর একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয় না। বৃষ্টিপাত হতে পারে স্বাভাবিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে আগামী তিন মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হতে পারে চট্টগ্রাম বিভাগে, ৩৫ থেকে ৪০ মিলিমিটার। বরিশালে ৩০ থেকে ৪০ মিলিমিটার, ঢাকা, সিলেট ও খুলনায় ১৫ থেকে ২৫ মিলিমিটার, ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার এবং রংপুরে ৪ থেকে ৮ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে বৃষ্টিপাত আরও কমে আসতে পারে। ডিসেম্বরে ঢাকা বিভাগে ৮ থেকে ১০ মিলিমিটার এবং সিলেটে ১০ থেকে ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। জানুয়ারিতে খুলনায় ১০ থেকে ১৪ মিলিমিটার এবং ঢাকা বিভাগসহ অন্যান্য এলাকায় ৬ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাত্ত, ঊর্ধ্বাকাশের পরিস্থিতি, জলবায়ু মডেল এবং বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা অনুমোদিত আন্তর্জাতিক কেন্দ্রগুলোর পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে এ দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। এতে এল নিনো ও লা নিনা পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কোন তাপমাত্রায় কোন শৈত্যপ্রবাহ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংজ্ঞা অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে নামলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে অনিশ্চয়তা থাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতি বুঝতে নিয়মিত দৈনন্দিন পূর্বাভাস অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আবহাওয়াবিদেরা।

গত ১৭ বছর অন্যায়-দুর্নীতিতে ভুগেছে দেশের মানুষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গত ১৭ বছর অন্যায়-দুর্নীতিতে ভুগেছে দেশের মানুষ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

৭ নভেম্বরের বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

আগাম শীতের সবজিতে বাজারে স্বস্তি, মাছ-মাংসের দামে কমছে না চাপ

আগাম শীতের সবজিতে বাজারে স্বস্তি, মাছ-মাংসের দামে কমছে না চাপ

বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে তোলা হবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে তোলা হবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী
গায়ের জোরে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম
গায়ের জোরে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম
বিএনপি গায়ের জোরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতেও ক্ষমতাসীনরা অনেক আইন পাস করেছে, কিন্তু সেসব আইন শেষ পর্যন্ত টেকেনি। জোর করে বেশিদিন ক্ষমতায় থাকা যায় না। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নেতাকর্মীদের নিয়ে আয়োজিত এনসিপির আঞ্চলিক সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পরিবর্তে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের দায়িত্ব নিয়েছে। প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ওপর আওয়ামী লীগের অত্যাচার-নির্যাতনের কথা দলটি ভুলে গেছে। আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের নির্যাতনের ইতিহাস কীভাবে এত সহজে ভুলে যাচ্ছে তারা? নাহিদ ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনে জিয়াউর রহমান যে ঐতিহাসিক ভুলের মাশুল দিয়েছেন, একই ভুলের মাশুল যেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিতে না হয়। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটের বিষয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে তাঁদের জোট এজেন্ডাভিত্তিক; এটি কোনো আদর্শিক জোট নয়। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক জানান, সারা দেশে এককভাবে প্রার্থী দেবে তাঁর দল। সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম দর্পনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গাইবান্ধায় পৌঁছালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের পরিবারকে ফোন জামায়াত আমিরের, পাশে থাকার আশ্বাস

শ্রমিক আন্দোলনে নিহত তৌফিকের পরিবারকে ফোন জামায়াত আমিরের, পাশে থাকার আশ্বাস

বলপ্রয়োগ করে শ্রমিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

বলপ্রয়োগ করে শ্রমিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম

ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম

ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০
হরমুজ প্রণালিতে চার দেশকে অবাধে চলাচলের সুযোগ দিল ইরান, নেপথ্যে কী?
হরমুজ প্রণালিতে চার দেশকে অবাধে চলাচলের সুযোগ দিল ইরান, নেপথ্যে কী?
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে চারটি দেশকে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ইরান। দেশগুলো হলো ভারত, চীন, ইরাক ও কাতার। তবে এই ছাড়ের পেছনে কূটনৈতিক সমর্থন, ওষুধ সরবরাহ ও অর্থনৈতিক স্বার্থসহ নানা হিসাব কাজ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সহ-সভাপতি আমির হায়াত মোকাদ্দাম ইরানি স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সিকে (আইএসএনএ) এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এসব দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে চলাচল করছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও সেগুলোতে বাধা দিচ্ছে না। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পরপরই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয় তেহরান। এর জবাবে গত জুলাইয়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরগুলোতে পুনরায় নৌ-অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। আমির হায়াত মোকাদ্দামের দাবি, বিশেষ ছাড়ের বিনিময়ে ভারত থেকে ওষুধ এবং চীনের কাছ থেকে রাজনৈতিক সমর্থন পাবে ইরান। অন্যদিকে, কাতার ইতোমধ্যে তেহরানকে কূটনৈতিক সমর্থন দিচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে। তিনি জানান, ভারত ও চীনের জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি আদায় করবে ইরান। তবে কাতারের জাহাজ বিনা ফিতে চলাচল করতে পারবে। ইরাকি জাহাজের ক্ষেত্রে কোনো টোল দিতে হবে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি। ইরানের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক হিসাব ইরানের এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকেরা। সুইডেনের লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও মানবাধিকার অধ্যয়ন বিভাগের গবেষক এবং ইরান বিশেষজ্ঞ রুজবেহ পারসি আল জাজিরাকে বলেন, ইরানি আইনপ্রণেতা যে যুক্তিই তুলে ধরুন না কেন, মূল বিষয় হলো এই ব্যবস্থা বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ইরান দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ফলে পণ্য বিনিময়ের মাধ্যমে বাণিজ্য দেশটির জন্য নতুন কিছু নয়। তবে এবারের বিশেষত্ব হলো, অবরোধের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ পণ্য ও সেবা আদান-প্রদানের পথ তৈরি করা। জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য রাজনীতির সহযোগী অধ্যাপক নাদের হাশেমির মতে, কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার বিনিময়ে ইরান ট্রানজিট ফি অথবা পণ্যের মূল্যের নির্দিষ্ট অংশ আদায় করতে পারে। নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং লিবিয়ায় অস্ট্রিয়ার সাবেক ডিফেন্স অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুশতাই বলেন, কয়েকটি কারণে ইরানের এই পদক্ষেপ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি সফল হলে তেহরানের বিপুল রাজস্ব আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন। ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই কিনে থাকে দেশটি। ফলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা এবং দেশটির রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়া তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সব মিলিয়ে হরমুজ প্রণালিতে চার দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক আয়, প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ এবং কূটনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে ইরান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। সূত্র: আল জাজিরা।

আমাকে অভিশংসন করতে এলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

আমাকে অভিশংসন করতে এলে ডেমোক্র্যাটরাই ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম আইনপ্রণেতা

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম আইনপ্রণেতা

ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে

ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সেই আস্তানায় পড়ে আছে ৩ মরদেহ
টেকনাফের পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের সেই আস্তানায় পড়ে আছে ৩ মরদেহ
কক্সবাজারের টেকনাফে দুর্গম পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ও লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে মরদেহগুলো পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় মরদেহ উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়েছেন তারা। মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে রাত হওয়ায় ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই পাহাড়ে সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। মানবপাচারকারীদের গুলিতে সেনাসদস্য সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন। অভিযান চলাকালে ওই আস্তানা থেকে ৫৬ জনকে উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করে যৌথ বাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের শুক্রবার সকালে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেনাসদস্য নিহতের ঘটনার পর থেকে পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ দিকে পাহাড়ে তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। সশস্ত্র অপরাধীদের আস্তানা নির্মূলে পাহাড়জুড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম অনীক চৌধুরী বলেন, পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। অপরাধ করে কেউ পার পাওয়ার সুযোগ নেই। মানববন্ধনের বিষয়েও প্রশাসন খোঁজখবর রাখছে। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র মানবপাচারকারীদের গুলিতে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁরা গভীরভাবে মর্মাহত ও শোকাহত। এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু, উদ্ধার ৫৭ জিম্মি

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্যের মৃত্যু, উদ্ধার ৫৭ জিম্মি

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে

শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন

শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট, পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর
বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে পোস্ট, পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার তিন কনটেন্ট ক্রিয়েটর
আদালত প্রাঙ্গণে পরীমনির আচরণ নিয়ে যত অভিযোগ
আদালত প্রাঙ্গণে পরীমনির আচরণ নিয়ে যত অভিযোগ
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
হাসানের ৬ উইকেটের দিনেও চাপে বাংলাদেশ, মুশফিক-হৃদয়ের ব্যাটে স্বস্তি
হাসানের ৬ উইকেটের দিনেও চাপে বাংলাদেশ, মুশফিক-হৃদয়ের ব্যাটে স্বস্তি
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনটি নিজের করে নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয়দের ৩৫৬ রানে আটকে দিয়েছেন তিনি। তবে বল হাতে হাসানের সাফল্যের দিনে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ৮৮ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। এখনো ২৬৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে ১০৬.৪ ওভার ব্যাট করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৫৬ রান সংগ্রহ করে। ক্যারিবীয়দের হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন আমির জ্যাঙ্গো। ২১২ বলে ১৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৩৩ রান করেন তিনি। তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন কেভিন উইকহ্যাম। ১৪৫ বলে ৬১ রান করেন এই ব্যাটার। এ ছাড়া জাস্টিন গ্রিভসের ব্যাট থেকে আসে ১১২ বলে ৫১ রান। শেষদিকে জশুয়া বিশপের ২৩, জোমেল ওয়ারিকানের অপরাজিত ২৭ এবং শামার জোসেফের ১৬ রানে ৩৫০ রানের গণ্ডি পেরোয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন হাসান মাহমুদ। ২৪ ওভার বল করে ৯০ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর পঞ্চমবারের মতো পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তি। দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই ডানহাতি পেসার। পাশাপাশি পাঁচটি ভিন্ন দেশে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তিও গড়েছেন তিনি। হাসানের সঙ্গে বল হাতে অবদান রেখেছেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনই নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। মাত্র ২২ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় স্বাগতিকরা। তানজিদ হাসান ৩৩ বলে ১৬ রান করে জাস্টিন গ্রিভসের বলে আউট হন। নাইম হাসান ৬ বলে ৫ রান করে ফেরেন জেইডেন সিলসের শিকার হয়ে। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৬৫ বলে ১৮ রান করে শামার জোসেফের বলে বোল্ড হন তিনি। ৫১ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলের হাল ধরেছেন তাওহিদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩৭ রানের জুটি গড়ে দিন শেষ করেছেন তাঁরা। ৮০ বলে ২৯ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন হৃদয়। অন্যদিকে ৫৬ বলে ১৯ রান করে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন মুশফিক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জেইডেন সিলস, শামার জোসেফ ও জাস্টিন গ্রিভস একটি করে উইকেট নিয়েছেন। স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান ১২ ওভার বল করে ৫ মেডেনসহ মাত্র ১৯ রান দিয়েছেন। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৮ রান। রানরেট ২.২০। এখনো ২৬৮ রানে পিছিয়ে রয়েছে দলটি। এদিকে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে শাদমান ইসলাম, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজসহ আরও কয়েকজনের ব্যাটিং বাকি রয়েছে। তবে গোড়ালির চোটের কারণে শাদমানের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এমআরআই পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে বাংলাদেশের শুভসূচনা

ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারিয়ে সাফে বাংলাদেশের শুভসূচনা

মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু

মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
আগাম শীতের সবজিতে বাজারে স্বস্তি, মাছ-মাংসের দামে কমছে না চাপ
আগাম শীতের সবজিতে বাজারে স্বস্তি, মাছ-মাংসের দামে কমছে না চাপ
রাজধানীর বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতের আগাম সবজি। সরবরাহ বাড়ায় শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলার মতো মৌসুমি সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে। তবে টমেটো, কাঁচামরিচ, গাজর ও গোল বেগুনের দাম এখনো চড়া। অন্যদিকে মাছ-মাংসের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। আগের সপ্তাহের কাছাকাছি দামেই বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর উত্তরা ও বাড্ডা এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। আকারভেদে প্রতি পিস ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মুলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। ধুন্দল, ঝিঙা ও মেটে আলুর কেজি ৬০ টাকা। বেগুনের দাম জাত ও আকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকা হলেও গোল বেগুনের কেজি ১২০ টাকা। অন্যদিকে টমেটো ও কাঁচামরিচের কেজি ১২০ টাকা করে। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশি শসা ৮০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ঢ্যাঁড়শ ও কচুমুখি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটি, করলা ও কাঁকরোল ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। প্রতি পিস লাউ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। উত্তরার আজমপুর সমবায় মার্কেটের সবজি বিক্রেতা আরিফ বলেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় বেশ কিছু পণ্যের দাম আগের তুলনায় কমেছে। বাজারে সরবরাহ আরও বাড়লে সামনের দিনগুলোতে দাম আরও কমতে পারে। আরেক বিক্রেতা সোহাগ মিয়া বলেন, শীতের সবজি আসতে শুরু করায় দাম কমেছে। তবে এখনো সব ধরনের শীতকালীন সবজি বাজারে আসেনি। সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মাছের বাজারে তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি রুই মাছ আকারভেদে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা, বড় তেলাপিয়া ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্প ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং পাঙাশ ১৬০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাতলা ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, চাষের কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং পাবদা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ইলিশের দাম এখনো বেশি। আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। কোনো কোনো বাজারে বড় আকারের ইলিশের দাম উঠেছে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত। মাংসের বাজারেও দামের তেমন পরিবর্তন নেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৪০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা। আগের সপ্তাহের তুলনায় এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। এদিকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ৫ নভেম্বরের খুচরা বাজারদরের প্রতিবেদনেও নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, বেগুন, ফার্মের ডিম, ছোলা, সুগন্ধি পোলাও চাল ও আমদানি করা আদার দাম কমেছে। অন্যদিকে প্যাকেট ময়দা, খোলা পাম তেল ও চিনির দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের সপ্তাহের মতোই অপরিবর্তিত রয়েছে।

একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী