• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস না থাকলে রোগীদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না: প্রধানমন্ত্রী
চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস না থাকলে রোগীদের বিদেশমুখিতা বন্ধ হবে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি রোগী ও তার স্বজনেরা চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য (রোগীদের) বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের ভবন-২ উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগোনো সম্ভব হয়েছে। ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়া এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সময়ের প্রয়োজনে আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি আজ আকার ও আয়তনে বড় রূপ ধারণ করেছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্ট্রোক, ইপিলেপসি বা খিঁচুনি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া কিংবা মেরুদণ্ডের জটিল রোগের মতো সমস্যায় দেশে আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, ৫০০ শয্যার আধুনিক ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে এ ধরনের রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণে বাড়বে। আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত নতুন ভবনটি শুধু রোগী ভর্তির ধারণক্ষমতা বাড়াবে না, চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ যেন স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পান, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত বেড ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে তোলা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো বয়ে আনবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না। এর সঙ্গে মানবিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। রোগীর প্রতি চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীর সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসার মান অনেক বাড়িয়ে দেয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে, চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসার পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখার দায়িত্ব শুধু চিকিৎসকের নয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর উদ্বিগ্ন স্বজন-এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক বজায় থাকা জরুরি। তারেক রহমান বলেন, এই তিন পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মানের পরিবর্তে চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন, কিংবা রোগী ও তার স্বজনেরা চিকিৎসকদের ওপর বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন যতই করা হোক, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা যাবে না। স্বাস্থ্যের অধিকার শুধু মৌলিক অধিকার নয়, এটি একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতিরও চাবিকাঠি বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য ও সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছেও সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগীকে যেন যে কোনো চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে না হয়, সেজন্য সরকার ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসা সুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদেই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সুস্থ আগামী’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। এ লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার শিশুদের জন্য নতুন শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করছে। একইভাবে শিশুস্বাস্থ্যের প্রতিও সরকার বিশেষভাবে নজর দিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর অংশ হিসেবে খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে একযোগে এই পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করতে সরকার সক্ষম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী আরও মন্তব্য করেন, জাতীয় বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে এ যাবৎকালের সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান সরকার প্রমাণ করেছে যে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য শুধু স্লোগান নয়। তিনি বলেন, সরকার দেশে একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেন মানুষ দেশের ভেতরেই সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা পায়। তবে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার উন্নয়নে সরকার যত উদ্যোগই গ্রহণ করুক না কেন, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং সর্বোপরি স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকার ওপরই স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবার সাফল্য নির্ভর করবে। সরকার এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কোনো নাগরিককে দেশের বাইরে যেতে হবে না এবং অর্থাভাবে কেউ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না-এমন প্রত্যয়ের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আগামী ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী ১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা : অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা : অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাব্য তারিখ ২২-২৩ আগস্ট, নিশ্চিত করেনি ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাব্য তারিখ ২২-২৩ আগস্ট, নিশ্চিত করেনি ঢাকা

ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ ভারতের কাজে লাগানো উচিত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের সুযোগ ভারতের কাজে লাগানো উচিত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সরকার থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল

সরকার থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল
জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের
বাংলাদেশ বিএনপির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপি এমন একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যা সত্যিকার অর্থে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে দেশকে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়া ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন। বারবার আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের মধ্য দিয়ে তিনি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ ধরে বিএনপি সর্বদা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই চালিয়ে আসছে। মির্জা ফখরুল দেশবাসীর আশাবাদের কথা ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা—বর্তমান সরকার বেগম খালেদা জিয়ার নীতি, আদর্শ ও গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ পরিচালনা করবে। অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার সার্বিক কল্যাণ ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

জ্বালানি সংকট নিরসনে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার আহ্বান জামায়াত আমিরের

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম

খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭
একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭
ইন্দোনেশিয়ায় একই দিনে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে দেশটিতে অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকে আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ভূমিকম্পেই ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পে বহু ভবন ও অবকাঠামো ধসে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন। উদ্ধারকারীরা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করছেন। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রধান সুহারাইয়ান্তো জানান, উদ্ধারকারীরা এখন পর্যন্ত ৪৭টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সিক্কা, মানাগ্গারাই ও পূর্ব মানাগ্গারাই এলাকা থেকে। এ ছাড়া আহত অবস্থায় ৫০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে অন্তত ১৫৭টি বাড়ি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। আরও প্রায় ২০০টি বাড়ি বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রায় ২ হাজার বাসিন্দাকে বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। এদিকে ভোরের ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সাগরে এমন কোনো অস্বাভাবিক ঢেউ দেখা যায়নি, যা উপকূলীয় এলাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে। এরই মধ্যে শনিবার বিকেলে পূর্বাঞ্চলের সুমাত্রায় আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৪। একই দিনে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানায় দেশটির বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকার আশঙ্কায় হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সূত্র: সিবিএস নিউজ

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র

রণতরিতে মার্কিন নৌ সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ৭, দাবি ইরানি মিডিয়ার

রণতরিতে মার্কিন নৌ সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ৭, দাবি ইরানি মিডিয়ার

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২৫০

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২৫০

সিরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

সিরিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড
উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই ইউনিট থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ইউনিটটির উৎপাদন পুনরায় চালু করা হয় বলে জানিয়েছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ১ নম্বর ইউনিট থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।’ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শুক্রবার সকালে ১ নম্বর ইউনিটের একটি পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এতে ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ত্রুটি মেরামত শেষে শনিবার সকালে আবার উৎপাদন শুরু করা হয়। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে ৩ নম্বর ইউনিটটি চালু রয়েছে। এ ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে ১৬০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে ১ ও ৩ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন দিয়েই কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

চকরিয়ায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

চকরিয়ায় বাস-লেগুনা সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫

সিলেটে নিজ বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেটে নিজ বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খলনায়ক ডনের জামিন মেলেনি
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
ঢাকায় আবারও হতে যাচ্ছে সেলিনা মনিরের ব্রাইডাল মেকআপ মাস্টারক্লাস
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
ডারউইন টেস্ট: জিততে হলে বাংলাদেশকে পার হতে হবে তিন চ্যালেঞ্জ
ডারউইন টেস্ট: জিততে হলে বাংলাদেশকে পার হতে হবে তিন চ্যালেঞ্জ
ডারউইন টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতেই। তবে অস্ট্রেলিয়া যেভাবে দিন শেষ করেছে, তাতে চতুর্থ দিনের শুরুতেই বদলে যেতে পারে ম্যাচের চিত্র। বাংলাদেশের সামনে যেমন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়ের হাতছানি, তেমনি স্বাগতিকদের সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ বড় সুযোগ। তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চেয়ে ২২৮ রানে পিছিয়ে থাকা স্বাগতিকরা এখনো ৬৭ রানে পিছিয়ে। হাতে রয়েছে ছয় উইকেট। বাংলাদেশের জন্য তাই সমীকরণ এখনো স্বস্তির। তবে ক্যামেরন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারির জুটি ভাঙতে না পারলে অস্ট্রেলিয়া বড় লিড নিয়ে ম্যাচের চিত্র পাল্টে দিতে পারে। তিন চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের জয় প্রথম চ্যালেঞ্জ—সকালে দ্রুত উইকেট নেওয়া। বাংলাদেশের সবচেয়ে জরুরি কাজ হবে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনেই অস্ট্রেলিয়ার বাকি ছয় উইকেট তুলে নেওয়া। গ্রিন ৪৩ ও ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত। এই জুটি দ্রুত ভাঙতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার লোয়ার অর্ডারকে খুব বেশি রান করার সুযোগ দেওয়া হবে না। কিন্তু তারা যদি প্রথম ঘণ্টা পার করে দেন, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার লিড দ্রুত বাড়তে পারে। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ—লিড ১০০ রানের মধ্যে আটকে রাখা। অস্ট্রেলিয়া এখন ৬৭ রানে পিছিয়ে। কিন্তু শুধু এই ঘাটতি পূরণ করলেই বাংলাদেশের কাজ শেষ হবে না। অস্ট্রেলিয়া যত বেশি লিড নেবে, চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের লক্ষ্য তত কঠিন হবে। অস্ট্রেলিয়া যদি ৩০০ রানে অলআউট হয়, বাংলাদেশের লক্ষ্য হবে ৭৩ রান। ৩৫০ হলে লক্ষ্য ১২৩। আর ৪০০ রানে পৌঁছালে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৭৩ রান। তাই অস্ট্রেলিয়াকে ২৫০ থেকে ২৮০ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারলে বাংলাদেশ সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকবে। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ—চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং। অস্ট্রেলিয়াকে কম রানে থামানোর পরও বাংলাদেশের কাজ সহজ হবে না। জশ হ্যাজলউড ইতোমধ্যে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েছেন। তার সঙ্গে মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের মতো পেসাররা থাকায় ছোট লক্ষ্যও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে শুরুতেই কয়েকটি উইকেট হারালে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অস্ট্রেলিয়ার হাতে চলে যেতে পারে। তাই রান তাড়ার ক্ষেত্রে আগ্রাসনের চেয়ে উইকেট ধরে রাখাই হবে বাংলাদেশের মূল কৌশল। গ্রিন-ক্যারি জুটিই এখন বড় শঙ্কা তৃতীয় দিনের শেষদিকে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে গ্রিন ও ক্যারির জুটি। গ্রিন সেট হয়ে গেলে বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য রাখেন। ক্যারিও নিচের দিকে নেমে দ্রুত রান তুলতে পারেন। এই জুটি যদি আরও ৫০-৬০ রান যোগ করতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়বে। আর গ্রিন যদি শতকের কাছাকাছি পৌঁছে যান, ম্যাচের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে যেতে পারে। মিরাজ-তাইজুলের ওপরও নজর ডারউইনের উইকেট এখনো ব্যাটিংয়ের জন্য যথেষ্ট ভালো। ফলে বাংলাদেশের স্পিনারদের জন্য কাজটা সহজ হবে না। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজ স্টিভ স্মিথকে এবং তাইজুল ইসলাম মারনাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। চতুর্থ দিনে তাদের শুধু উইকেট নিলেই হবে না, রানও আটকে রাখতে হবে। অস্ট্রেলিয়া যত বেশি সময় ব্যাট করবে, বাংলাদেশের ওপর চাপ তত বাড়বে। অন্যদিকে হাসান মাহমুদও গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে দুই ওপেনারকে ফিরিয়েছেন তিনি। নতুন বলের পাশাপাশি পুরোনো বলেও দ্রুত উইকেট এনে দিতে পারলে বাংলাদেশের জয়ের পথ অনেকটাই সহজ হবে। বড় লিড নিলেই বিপদ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শঙ্কা হবে অস্ট্রেলিয়ার ১৫০ বা তার বেশি রানের লিড। এমন হলে চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে। ১০০ রানের নিচে লক্ষ্য থাকলে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে এগিয়ে থাকবে। ১০০ থেকে ১৩০ রানও তাড়া করা সম্ভব। কিন্তু লক্ষ্য ১৫০ পেরিয়ে গেলে চাপ বাড়বে। আর অস্ট্রেলিয়া যদি ২০০ রানের বেশি লিড নিতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস গড়া কঠিন হয়ে যাবে। ইতিহাসের সামনে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এখনো টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়নি বাংলাদেশ। ডারউইনে সেই ইতিহাস বদলের সুযোগ এখন হাতের নাগালে। তবে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হতে যাচ্ছে চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টা। গ্রিন-ক্যারির জুটি দ্রুত ভাঙতে পারলে বাংলাদেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তভাবে ধরে রাখতে পারবে। অস্ট্রেলিয়ার লিড ১০০ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারলে জয়ের সম্ভাবনাও থাকবে প্রবল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সমীকরণ পরিষ্কার—সকালে দ্রুত উইকেট, অস্ট্রেলিয়ার লিড যতটা সম্ভব কম রাখা এবং এরপর হ্যাজলউড-স্টার্কদের সামলে লক্ষ্য তাড়া করা। ডারউইনে ইতিহাস লিখবে বাংলাদেশ, নাকি ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেবে অস্ট্রেলিয়া—এর উত্তর মিলবে চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনেই।

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের লিড ১৫৩ রান

দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ

দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ

ছোটবেলা থেকেই রিয়ালে খেলার স্বপ্ন দেখতাম: দিয়োমান্দে

ছোটবেলা থেকেই রিয়ালে খেলার স্বপ্ন দেখতাম: দিয়োমান্দে

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী
অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে: জ্বালানিমন্ত্রী
অবৈধ অটোরিকশার কারণে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে বলে দাবি করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, যে পরিমাণে ব্যাটারি রিকশা এসেছে, এগুলো সব রাতে চার্জে বসিয়ে দেয়। এরা যে চার্জে বসায় সেগুলো বেশিরভাগই অবৈধ সংযোগ। আমরা এই অবৈধ সংযোগ ধরার চেষ্টা করছি। এ ধরনের কাজে গেলে আন্দোলন হয়, আমাদের লোকজন মারও খায়। দেশে এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে আরও তিনটি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আরও ৩টা এলএনজি টার্মিনাল বসানোর পরিকল্পনা আছে। ১০-১২ দিন আগে একটা টার্মিনালের জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, মোংলা-হিরন পয়েন্ট এলাকায় আরও একটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করা হবে। এ সময় তেল নিয়ে গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তেল নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার কিছু করার নাই এখন, দিন গোনা ছাড়া। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। বিগত আওয়ামী সরকার ১৭ বছরে জ্বালানি খাতকে এই সংকটময় অবস্থায় নিয়ে এসেছে।

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা

পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিতেই এগিয়ে মেয়েরা