• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
বিগত সময়ে স্বাস্থ্য খাতের বিপর্যয়, ভুল নীতি এবং হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল, পুঁজিবাজারে সর্বস্ব হারিয়ে সাধারণ মানুষ আত্মহত্যা করেছিল এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছিল। সেই সঙ্গে বিগত সরকারের নেওয়া বেশ কিছু ‘ভ্যানিটি প্রজেক্ট’ বা অহেতুক প্রকল্পের কারণে যে দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল, তা এখন জাতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, আমরা দেশের এই অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করতে চাই না, তবে সংকটকে কোনো অজুহাত হিসেবেও ব্যবহার করব না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা হবে। সরকারের যাত্রালগ্ন থেকেই রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সংকটের কারণে যে বিশাল চাপ তৈরি হয়েছিল, তা দেশের সাধারণ মানুষও বুঝতে পেরেছে। এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বহুমুখী সংকটকে সামনে রেখেই এই বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের যে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে, তা রক্ষা করতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং সরকারের মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এবং ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’। গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা শিরোনামে উপস্থাপিত এবারের বাজেটটি শুধু বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং অর্থনীতিকে একটি নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপকল্প বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নয় লাখ আটত্রিশ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে বের করে এনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। দেশের সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, বিনিয়োগ ও উৎপাদনের চাকা বেগবান করতে উন্নয়ন ব্যয় পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি করে তিন লাখ ষোল হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকল্পের পেছনে কত টাকা ব্যয় হলো তা বড় বিষয় নয়, বরং সেই প্রকল্প মানুষের জীবনে কী ভূমিকা রাখবে এবং কতটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, সেটিই সরকারের মূল বিবেচনা। অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে সরকারের তিনটি ধাপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ করা হবে। আর চূড়ান্ত ধাপে উৎপাদনশীল ও উদ্ভাবননির্ভর প্রতিযোগিতাপূর্ণ অর্থনীতির ভিত সুদৃঢ় করা হবে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়লেই প্রকৃত উন্নয়ন হয় না, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয় যখন সাধারণ মানুষের ঘরে স্বস্তি আসে এবং তরুণরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায়। ঋণনির্ভর নয়, বরং উৎপাদন ও বিনিয়োগনির্ভর এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। দেশীয় শিল্পের বিকাশ, রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং নতুন শিল্পাঞ্চল ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি রপ্তানিমুখী ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব চীনের

সম্পর্ক উন্নয়‌নে ভার‌তের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ কী বার্তা দি‌চ্ছে?

সম্পর্ক উন্নয়‌নে ভার‌তের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ কী বার্তা দি‌চ্ছে?

গণমাধ্যম খাতে বাংলাদেশ ও চীনের চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

গণমাধ্যম খাতে বাংলাদেশ ও চীনের চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়, ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয়
সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়, ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয়
সংসদে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিকে তোষামোদ করার জন্য গান-কবিতা গাওয়ার অতীত ‘ব্যাড কালচার’ বা অপসংস্কৃতি পুরোপুরি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সংসদ কোনো তোষামোদের জায়গা নয়, এটি দায়িত্ব পালনের জায়গা। জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে এই পবিত্র সংসদে যেন আর কোনো চরিত্র হননের কাজ না হয়, স্পিকারের প্রতি সেই আহ্বান জানান তিনি। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সরকারি দল কিংবা বিরোধী দল, সবার চিন্তাধারা এক হওয়া সম্ভব নয়। সবার চিন্তা একই রকম হলে এত লোকের বক্তৃতা বা এত সময় খরচের প্রয়োজন হতো না, দুই পক্ষ থেকে একজন করে কথা বললেই চলতো। আমরা জনগণের ভালোবাসা এবং ভোটে নির্বাচিত হয়ে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় এই সংসদে আসার সুযোগ পেয়েছি। তাই প্রত্যেকেই নিজের বিবেক, মহান আল্লাহ এবং প্রিয় জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। বাজেট অধিবেশনকে বছরের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সেশন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এর ভিত্তির উপরই পুরো বছরটি কেমন যাবে তা নির্ভরশীল এবং সব সদস্য সেই দায়িত্ববোধ থেকেই বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, মুক্তিযুদ্ধের সফল নেতৃত্বদানকারী জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী এবং স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী আ স ম আবদুর রবের অবদানের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি ৯০-এর গণআন্দোলন, ২৮ অক্টোবর, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বর এবং সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শহীদ ও জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। নিজের দলকে একটি ‘কষ্টে বোকা দল’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, তাদের বুক থেকে এক এক করে ১১ জন সিনিয়র নেতাদের ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ১২ নম্বর জন হিসেবে কেবল তিনিই এখন জীবিত রয়েছেন। ডা. শফিকুর রহমান ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী এবং ফ্যাসিবাদী আমলের ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান। পিলখানায় বীর সেনাদের নির্মম হত্যাকাণ্ডকে জাতির সূর্য-বীর্যের জায়গায় আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি তাদের শাহাদত কবুলের জন্য দোয়া করেন। সীমাহীন ত্যাগের মধ্য দিয়ে গঠিত এই সংসদকে 'মজলুমের পার্লামেন্ট' আখ্যা দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ এমন কোনো আচরণ করবে না যা মজলুম দেশবাসীকে আঘাত করে, বরং এটি জাতিকে স্বপ্ন দেখাবে, ঐক্যবদ্ধ করবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে নেবে। বাজেটের সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের চেয়ে এর গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্বের দিকে আলোকপাত করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি সংসদকে একটি যানবাহনের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, সংসদ মূলত দুটি চাকার ওপর চলে—একটি সরকারি দল এবং অন্যটি বিরোধী দল। যেকোনো একটি চাকা অকেজো হয়ে গেলে পুরো যানবাহনটিই অচল হয়ে পড়বে। তাই এই দুটি চাকাকেই সচল রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চাকায় পিন বা পেরেক মেরে ফুটো করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। সংসদে কুচকুচ করে কাটার পর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানোর যে মানসিকতা, সেই বিভাজনের যন্ত্রটি ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকারি দলের সব অভিপ্রায় বিরোধী দল চোখ বন্ধ করে মেনে নেবে না, আবার সরকার ভালো কোনো উদ্যোগ নিলে বিরোধী দল কেবল বিরোধিতার খাতিরে তার বিরোধিতা করবে না। তিনি সরকারি দলকে বিরোধী পক্ষকে সম্মান করার এবং বিরোধী দলকে সরকারকে সংগত কারণে সহযোগিতা করার মানসিকতা রাখার আহ্বান জানান। সংসদে নিজের নবীণত্বের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, নবীণরা প্রবীণদের কাছ থেকে ভালো কিছু শিখতে চায়, মন্দ কিছু নয়। অতীতে সংসদে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিকে তোষামোদ করার জন্য গান, কবিতা ও স্বপ্নবিলাস করার যে সংস্কৃতি ছিল, তার তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে সংসদকে তোষামোদের জায়গায় পরিণত করা উচিত নয়। এটি দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার এবং দায়িত্ব পালন করার জায়গা। ব্যক্তিকে খুশি করতে গিয়ে অন্যকে আঘাত করার এবং চরিত্র হননের যে 'ব্যাড কালচার' অতীতে ছিল, স্পিকারের মাধ্যমে তা পুরোপুরি বন্ধ করার জোর দাবি জানান তিনি। বাজেটকে একটি জাতির টিকে থাকার এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার চার্টার হিসেবে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান মাননীয় অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, সরকার গঠনের পর খুব কম সময় পেয়েও একটি বিধ্বস্ত অর্থনীতির ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে অর্থমন্ত্রী ২৩৪ পৃষ্ঠার এই বাজেট পেশ করেছেন, যা সত্যিই এক গুরুভার এবং কষ্টসাধ্য কাজ ছিল। মানুষের কোনো প্রয়াসই ভুলের ঊর্ধ্বে নয় এবং এই বাজেটেও কিছু খুঁত ও ঘাটতি থাকা স্বাভাবিক। বিরোধী দলের কাজ মূলত একটি 'ওয়াচ ডগ' বা প্রহরী হিসেবে কাজ করা, যাতে তারা তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে দেখতে পারে বাজেটের মাধ্যমে জনকল্যাণের পরিবর্তে কোথাও জনগণের ক্ষতি হচ্ছে কিনা, কেউ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কিনা কিংবা অর্থের অপচয় হচ্ছে কিনা। সরকারি দলের কেউ কেউ এই সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়েছেন আবার কেউ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বৈচিত্রই সংসদের সৌন্দর্য। সম্পূরক বাজেটের ওপর কাটমোশন অবলীলায় অগ্রাহ্য করার প্রচলিত রেওয়াজের সমালোচনা করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এবার বিরোধী দল ও সরকারি দলের পক্ষ থেকে আসা যৌক্তিক প্রস্তাবনাগুলো অর্থমন্ত্রী সংশোধিত আকারে গ্রহণ করবেন, যাতে দেশবাসী বোঝে এই আলোচনা কেবল সময়ের অপচয় বা কথার ফুলঝুরি ছিল না। বাজেট বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের একটি কাঠামোগত সংস্কারের প্রস্তাব এনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জুলাই-জুন অর্থবছর হওয়ার কারণে বছরের শেষের দিকে বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে তাড়াহুড়ো করে কাজ করা হয়। এর ফলে প্রথম ১০ মাসে যেখানে মাত্র ৪২ শতাংশ কাজ হয়, সেখানে শেষ সময়ে বাকি কাজ করতে গিয়ে অপচয় ও লুটপাটের দুয়ার উন্মুক্ত হয়। এই সংকট নিরসনে তিনি বাংলাদেশের অর্থবছরকে জুলাই-জুনের পরিবর্তে ক্যালেন্ডার ইয়ার বা জানুয়ারি-ডিসেম্বর মেয়াদে নির্ধারণ করার জোরালো প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন, যা দেশের ক্ষতি হ্রাস করবে এবং কাজের গতি বৃদ্ধি করবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, বাজেট সংসদে প্রণীত হলেও তা বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব অর্পিত থাকে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ ও কর্মকর্তাদের ওপর, তাই তাদের মাধ্যমে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয়

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

কটাক্ষের জবাবে সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহর পদত্যাগের চ্যালেঞ্জ

কটাক্ষের জবাবে সংসদে হাসনাত আব্দুল্লাহর পদত্যাগের চ্যালেঞ্জ

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু

দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে

দেশজুড়ে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে

৯৫ দিনে দেশে হামে আক্রান্ত ১ লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৬৬৬ জন

৯৫ দিনে দেশে হামে আক্রান্ত ১ লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৬৬৬ জন
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান, নিহত ২৯
আফগান সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযান, নিহত ২৯
আফগানিস্তান সীমান্তে এক অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনা-পুলিশ নিরাপত্তা বাহিনী। রোববার রাতে পরিচালিত সেই অভিযানে ২৯ জন নিহত হয়েছেন। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য। এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান এবং সিন্ধ প্রদেশে আফগান সন্ত্রাসীদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার জবাব দিতে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নিহত এই সন্ত্রাসীরা সবাই পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক গোষ্ঠী তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপির সদস্য ছিল। আফগানিস্তানের তালেবান বাহিনীর আদর্শে আড়াই দশক আগে পাকিস্তানে গঠিত এই দলটিকে বেশ কয়েক বছর আগে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তানের সরকার। সরকারিভাবে এই গোষ্ঠীকে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ বলা হয় পাকিস্তানে। আতালউল্লাহ তারারও তার এক্সবার্তায় নিহতদের ফিৎনা আল খারিজির সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন। আগের দিন শনিবার রাতে সিন্ধ রাজ্যের রাজধানী করাচির গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্সের প্রাদেশিক সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল, এতে নিহত হয়েছিলেন রেঞ্জার্সের তিন কর্মকর্তা। সেই হামলার পরেই রোববার এ অভিযান পরিচলনার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পাক সেনাবাহিনীর আন্তঃবিভাগ সংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআরের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শনিবার রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সন্ত্রাসীরা হামলার করলে পাল্টা হামলা শুরু করেন রেঞ্জার্স সদস্যরা। তাদের হামলায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১ জন। আহত সেই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা ‘জামাতুল আখবার’ নামে একটি পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য। এই গোষ্ঠীটি টিটিপিরই একটি শাখা গোষ্ঠী। পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য খাইবার পাখতুনখোয়ার ৪০টি জেলার মধ্যে যে ৯টি জেলার সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের; বাজউর সেসবের মধ্যে অন্যতম। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের এক্সবার্তা থেকে জানা গেছে, রোববারের অভিযানে বাজাউর জেলার সীমান্তের ওপারে টিটিপি ওরফে ‘ফিৎনা আল খারিজি’ এবং জামাতুল আহরারের জঙ্গিদের আস্তানা এবং স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে টিটিপির উচ্চপর্যায়ের কমান্ডার খান ফারোশ আকা জাবাল নিহত হয়েছেন বলে এক্সবার্তায় জানিয়েছেন তারার। খান ফারোশ আকা জাবাল জামাতুল আহরারের শীর্ষ সংগঠক ছিলেন বলে দাবি করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী।    ভাষা, ধর্ম, সাংস্কৃতিক সাদৃশ্যতার কারণে দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার দুই প্রতিবেশী পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে একসময় মিত্রতা থাকলেও টিটিপিকে ঘিরে গত প্রায় ৫ বছরে চরম তিক্ততায় পৌঁছেছে দু’দেশের সম্পর্ক, বিশেষ করে ২০২১ সালে তালেবানগোষ্ঠী আফগানিস্তান দখল করার পর থেকে। ইসলামাবাদের অভিযোগ—পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য টিটিপিকে সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার; তবে তালেবান সরকার সবসময়েই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে। গত কয়েক বছরে এ ইস্যুতে দুই দেশের কর্মকর্তা ও মন্ত্রী পর্যায়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে; কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সীমান্তে অতর্কিত হামলা চালিয়ে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা এবং কয়েকজন সেনাকে জীবিত অবস্থায় অপহরণ করে নিয়ে যায় আফগানিস্তানের সেনাবাহিনী। এ ঘটনার পরপরই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করে পাকিস্তান। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ ঘোষণা করেন, হামলার জবাব দিতে অপহৃত সেনাদের উদ্ধারে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। রোববারের এক্সবার্তায় আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, বাজাউর সীমান্তে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী যে অভিযান চালিয়েছে, তা অপারেশন গজব-লিল হকের অংশ। সূত্র : ডন

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপল ভারতও

আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, কাঁপল ভারতও

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক

দেশজুড়ে আজান নিষিদ্ধের পরিকল্পনা নিয়েছে ডেনমার্ক

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ

ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিত আটকা বহু, উদ্ধারে আসছেন না কেউ

যুক্তরাষ্ট্রে ‘অভিবাসন বন্দিশালায়’ হামলা : মূল হোতাকে ১০০ বছরের কারাদণ্ড

যুক্তরাষ্ট্রে ‘অভিবাসন বন্দিশালায়’ হামলা : মূল হোতাকে ১০০ বছরের কারাদণ্ড

তৃণমূল থেকে ‘অপসারিত’ মমতা, দলের নতুন চেয়ারম্যান অরূপ

তৃণমূল থেকে ‘অপসারিত’ মমতা, দলের নতুন চেয়ারম্যান অরূপ

শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম ধাপের আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি

শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রথম ধাপের আলোচনা, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি
গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
গাজীপুরে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিক্ষোভ, পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ
গাজীপুরের শ্রীপুরে কালার কো লিমিটেড কারখানায় লিজা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন তেলিহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল আলম বলেন, শনিবার সকালে তেলিহাটি এলাকায় কালার কো লিমিটেডের শ্রমিকেরা কারখানার সামনে অবস্থান করেন। এক পর্যায়ে তারা নিহত শ্রমিকের মৃত্যুর বিচারের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা একটি আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা চালান। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। তিনি আরও বলেন, শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার এই এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। বেশ কিছু কারখানায় এই সূত্র ধরে ভাঙচুর চালানো হয়। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন বলেন, শ্রীপুরে শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় আজও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন। তারা সড়ক অবরোধের পাশাপাশি কারখানায় হামলার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি খারাপ হলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। বর্তমানে ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, যে কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত চলছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা চলমান।  প্রসঙ্গত, বুধবার (২৪ জুন) দিবাগত রাতে শ্রীপুরের তেলিহাটি এলাকায় অবস্থিত কালার কো লিমিটেড কারখানায় অসুস্থ এক নারী শ্রমিককে ছুটি না দিয়ে জোরপূর্বক কাজ করানোয় তার মৃত্যু হয়। এমন খবর ছড়িয়ে পরলে পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিক্ষোভের একপর্যায়ে শ্রমিকরা আশপাশের একাধিক কারখানা ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে চারটি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

একসঙ্গে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ একমাত্র ছেলে সিফাত

একসঙ্গে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ একমাত্র ছেলে সিফাত

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

ক্যালকুলেটরে হিসাব করে প্রকল্পের কমিশন দাবি পিআইওর, ভিডিও ভাইরাল

ক্যালকুলেটরে হিসাব করে প্রকল্পের কমিশন দাবি পিআইওর, ভিডিও ভাইরাল
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন মারা গেছেন
নৃত্য পরিচালক জাকির হোসেন মারা গেছেন
তিন দিনেই ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি
তিন দিনেই ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আয় করেছে এই ছবি
বিয়ে করছেন সেই শেখ সাদী
বিয়ে করছেন সেই শেখ সাদী
নিজের গানে প্রিয় দলের জন্য পড়শীর উচ্ছ্বাস
নিজের গানে প্রিয় দলের জন্য পড়শীর উচ্ছ্বাস
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢেলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ এই দুই দেশ
কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢেলেও বিশ্বকাপে ব্যর্থ এই দুই দেশ
ফুটবল পরাশক্তি হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। গেল কয়েক দশকে অবকাঠামো আর বিশ্ব ফুটবলের নামী তারকাদের পেছনে কোটি কোটি ডলার ঢেলেছে মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দুই দেশ সৌদি আরব ও কাতার। কিন্তু কাঁড়ি কাঁড়ি টাকাও যে বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, চলমান বিশ্বকাপ তা আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো যেন। ব্যর্থতায় টুর্নামেন্টের গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দেশ দুটিকে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ সৌদি আরব। গ্রুপ ‘এইচ’-এর তলানিতে থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। তাদের গ্রুপে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ের পাশাপাশি আরও ছিল মাত্র ৫ লাখ জনসংখ্যার কেপ ভার্দে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম ক্ষুদ্র এই দেশ তিন ম্যাচে তিন ড্র’য়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বের টিকিট কেটে ইতিহাস গড়েছে। অন্যদিকে গ্রুপ পর্ব পার হতে না পারার সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেছেন সৌদি আরব ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ইয়াসের আল-মিশহাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমার ও করিম বেনজেমার মতো ফুটবলের মেগা তারকাদের নিজেদের ঘরোয়া লিগে এনে ক্লাব ফুটবলের বাজার নাড়িয়ে দিয়েছিল সৌদি আরব। কিন্তু ৮ বছর পরের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশটিকে বৈশ্বিক ফুটবলে যে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে, এবারের টুর্নামেন্ট সেটি মনে করিয়ে দিলো যেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র শেষে সৌদি কোচ জর্জিয়াস ডোনিস বলেছিলেন, আমরা এমন একটি দলের বিপক্ষে খেলেছি যারা কমবেশি আমাদের সম পর্যায়ের, কিন্তু আমাদের পারফরম্যান্স ভালো ছিল না। এটি নিশ্চিতভাবেই উদ্বেগের বিষয়।" ২০২২ বিশ্বকাপের স্বাগতিক কাতারও মাত্র ৩ ম্যাচ খেলেই বাড়ির পথ ধরেছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট অর্জনের নজির গড়লেও গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি হুলেন লোপেতেগির দল। অথচ সাবেক স্পেন ও রিয়াল মাদ্রিদের কোচের দায়িত্ব সামলানো হুলেন লোপেতেগিকে নিয়োগ দেওয়াই বলে দেয়, আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে দেশটি কতটা বিনিয়োগ করেছে। মাত্র ৩০ লাখ জনসংখ্যার দেশ, যার মধ্যে নাগরিক প্রায় ৩ লাখ। তবুও নিজেদের ফুটবল কাঠামো থেকে এমন এক প্রজন্মের খেলোয়াড় তৈরি করেছে, যারা এশিয়ান পরাশক্তি জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দলগুলোকেও পেছনে ফেলছে। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য আটটি অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণে শত শত কোটি ডলার ব্যয়ের চার বছরের মাথায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হওয়া কাতারের জন্য বড় হতাশাই। সৌদি আরবের মতো কাতার বড় তারকাদের পেছনে উন্মাদের মতো না ছুটলেও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে বিশ্বমানের একাডেমি ও ফুটবলার তৈরি করেছিল, যার ফলে তারা টানা দুবার এশিয়ান কাপ জয়ের গৌরব অর্জন করে। কিন্তু সেই দাপট বিশ্বকাপের মঞ্চে কাজে আসেনি। লোপেতেগি বলেন, ‘অন্য দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে আমরা জানি, আমরা কারা। ছোট একটি দেশ হলেও আমাদের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ও বিনিয়োগ অনেক বড়। প্রতিদিনই উন্নতি করতে হবে এবং আমরা সেই পথেই এগোচ্ছি। ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি আশাবাদী।’ চার বছর আগের বিশ্বকাপে সে আসরের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটনের জন্ম দিয়েছিল সৌদি আরব। এবারও তাদের ঘিরে স্মরণীয় কিছুর অপেক্ষায় ছিল দেশটির সমর্থকরা। যদিও শেষমেশ টানা ষষ্ঠবারের মতো গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। এতকিছুর পরও হাল ছাড়ছে না দেশটি। ভবিষ্যতের ভাবনায় তারা। ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ব পাওয়ার পর দেশটি এখন নিজেদের ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়। তেলনির্ভর অর্থনীতির বাইরে নতুন খাত গড়ে তুলতে খেলাধুলাকে অন্যতম হাতিয়ার বানিয়েছে সৌদি আরব। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নিউক্যাসল ইউনাইটেড অধিগ্রহণ, বিশ্ব শিরোপার বক্সিং আয়োজন কিংবা ফর্মুলা–ওয়ান সব মিলিয়ে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ক্রীড়া দুনিয়ার সবচেয়ে বড় মঞ্চ হবে ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরে নিজেদের জাতীয় দলকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থানে দেখতে চায় দেশটি। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো তারকাদের আগমন সৌদি লিগের পরিচিতি যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি স্থানীয় ফুটবলের মানও উন্নত হবে, এমন প্রত্যাশা তাদের। সৌদি আরবের কোচ জর্জিওস ডোনিস বলেন, ‘আরব লিগে যত বেশি মানসম্পন্ন খেলোয়াড় আসবে, প্রতিযোগিতাও তত বাড়বে। এতে আমাদের খেলোয়াড়দের উন্নতি হবে। কিন্তু জাতীয় দলে বিষয়টি ভিন্ন। সেখানে মানসিকতারও বড় ভূমিকা থাকে।’ ২০৩৪ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন সৌদি আরবের মূল জোর স্থানীয় প্রতিভা তৈরিতে। বিদেশি তারকা আনার গতি কমেছে, নেইমারের মতো কয়েকজন বড় নাম ইতোমধ্যে লিগ ছেড়েও গেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল ফেডারেশনের ক্রীড়া পরিচালক ম্যাট ক্রোকারকে প্রতিভা উন্নয়ন প্রকল্পের নেতৃত্ব দিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত তিন বছরে দেশটির যুব ফুটবলে বিনিয়োগও দ্বিগুণ হয়েছে বলে জানা গেছে। কাতার ও সৌদি আরব বিপুল বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ব ফুটবলে নতুন ‘বাস্তবতা’ তৈরি করলেও ইরান বিশ্বকাপ খেলছে ১৯৭৮ সাল থেকেই। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে শুরু থেকেই বাধার মুখে পড়েছিল ইরান। তিনটি ড্র করেও সেরা তৃতীয় হওয়া দলের তালিকায় অল্পের জন্য জায়গা হারায় তারা। সাতবার বিশ্বকাপ খেলেও এখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি ইরান। একই অবস্থা আরেক দেশ ইরাকেরও। ৪০ বছরের ব্যবধানে দুটি বিশ্বকাপে খেললেও নকআউট পর্বে ওঠার স্বাদ পায়নি তারা। আফ্রিকার ১০টি দলের মধ্যে ৯টি দলই যেখানে শেষ ৩২-এ (নকআউট) কোয়ালিফাই করে ইতিহাস গড়েছে, সেখানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের ছাপ রাখতে পুরোপুরি ব্যর্থ। বিপুল অর্থ আর আধুনিক অবকাঠামো থাকলেও ফুটবলের দুনিয়ায় এখনো বেশ আনকোড়াই তারা।

উরুগুয়ে-সৌদির বিদায়ে নকআউট নিশ্চিত করল পর্তুগালসহ ৫ দেশ

উরুগুয়ে-সৌদির বিদায়ে নকআউট নিশ্চিত করল পর্তুগালসহ ৫ দেশ

জাপানকে ১১ বার হারালেও ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ ছিল ‘বিব্রতকর’

জাপানকে ১১ বার হারালেও ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ ছিল ‘বিব্রতকর’

আসল রূপে ফিরল ব্রাজিল

আসল রূপে ফিরল ব্রাজিল

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া এবং চীন সফর বাংলাদেশের নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করেই সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এই সফরের মাধ্যমে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মানদণ্ড নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ওপর একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার বক্তব্য তুলে ধরেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঐকমত্য প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুণগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, যা প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন। বিদেশ যাওয়ার সময় বা দেশে ফেরার সময় বিমানবন্দরে হাজার হাজার লোকের সংবর্ধনা নেওয়ার যে রেওয়াজ ছিল, তিনি তা পরিহার করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি ইতিবাচক মানদণ্ড স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের কূটনৈতিক দিক তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী জানান, এই ভ্রমণের মূল ভিত্তি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পারস্পরিক স্বার্থ, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং নিজস্ব কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রত্যেকটি দেশের সঙ্গে সম্পর্কের যে মানদণ্ড ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী তার এই সফরের মাধ্যমে সেই ধারাকেই অব্যাহত রেখেছেন। দেশের ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কোনো জায়গাতেই আপস করবে না। সফরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশের শ্রমবাজারের একটি বড় স্বার্থ রয়েছে। এছাড়া দেশটির সঙ্গে জ্বালানি, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। অন্যদিকে, চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। চীনের সঙ্গে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে কীভাবে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ানো যায়, সফরে সেই বিষয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধু আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতিতেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে, তার একটি স্পষ্ট মানদণ্ড স্থাপন করেছে।

ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী

ধীরে ধীরে ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি : অর্থমন্ত্রী

মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

রিজার্ভ চুরিতে অভিযুক্ত ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি সিআইডির

রিজার্ভ চুরিতে অভিযুক্ত ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি সিআইডির

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা