• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
তিন জেলায় সড়কে প্রাণ গেল ১৯ জনের
তিন জেলায় সড়কে প্রাণ গেল ১৯ জনের
দেশের তিন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনের ধাক্কায় ১২ জন, ফেনীতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন এবং হবিগঞ্জে বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর- কুমিল্লা কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে মেইল ট্রেনের ধাক্কায় ১২ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে সাতজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং দুই শিশু রয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার অজয় ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেন। এই ধাক্কায় বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে। ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। এছাড়াও ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব এ উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। সকাল ৮টার দিকে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে বরখাস্ত করা হয়। নিহতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা ঘোষণা করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বের করতে তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় বাসের সঙ্গে পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে নারীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আন্দিউড়া এলাকায় আন্দিউড়া উম্মেতুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছেন। রোববার (২২ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘটনাস্থলে থাকা মাধবপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইউসুফ। তিনি জানান, পিকআপ ভ্যানটি পাশে থাকা পুকুরে পড়ে আছে। এতে বাসাবাড়ির মালামাল ছিল। চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা পিকআপ ভ্যানের চালক ও যাত্রী। মরদেহগুলো হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা সিলেটের দিকে যাচ্ছিল নাকি সিলেট থেকে ফিরছিল তা বোঝা যাচ্ছে না। ফেনী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর রামপুর এলাকায় বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। রোববার (২২ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মরদেহ ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা রয়েছে। হতাহতদের নাম-পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশের ইনচার্জ আসাদুল ইসলাম জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী-রামপুর এলাকায় চট্টগ্রাম অভিমুখী একটি লেনের কাজ চলছিল। এ সময় একটি অ্যাম্বুলেন্স ধীর গতিতে পার হচ্ছিল। এমতাবস্থায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস অ্যাম্বুলেন্সটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্স চালকের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হলে পেছনে মোটরসাইকেল ও আরও কিছু বাসের জট লেগে যায়। তার কিছুক্ষণ পর বেপরোয়া গতিতে আসা দোয়েল পরিবহনের একটি বাস জটলার মধ্যে ধাক্কা দেয়। এতে বাস, অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এ সময় একজন মোটরসাইকেল আরোহী, বাসের সুপারভাইজার, ও একজন যাত্রী নিহত হন।

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ তদন্ত কমিটি গঠন

কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনায় ৩ তদন্ত কমিটি গঠন

হাদি হত্যার দায় বিএনপি-জামায়াতের ওপর চাপালেন অভিযুক্ত ফয়সাল

হাদি হত্যার দায় বিএনপি-জামায়াতের ওপর চাপালেন অভিযুক্ত ফয়সাল

একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে প্রস্তাব

একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে প্রস্তাব

পরিবহনব্যবস্থা নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশ

পরিবহনব্যবস্থা নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশ

সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : প্রধানমন্ত্রী
আমাদের ওপর সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলুম করা হয়েছে: জামায়াত আমির
আমাদের ওপর সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলুম করা হয়েছে: জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংবিধানের দোহাই দিয়েই দীর্ঘদিন মানুষের ওপর জুলুম করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি দলের ভাই ও বন্ধুরা এখন সংবিধানের কথা বলছেন। অথচ তারাও একসময় মজলুম ছিলেন, আমরাও ছিলাম। আমাদের ওপর ওই সংবিধানের দোহাই দিয়েই জুলুম করা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে এই সংবিধান পরিবর্তনের কথা তিনি নিজেই বলেছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৭২ সালের সংবিধান বহু আগেই পরিবর্তিত হয়েছে এবং তা বিভিন্ন সময়ে সংশোধনের মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ভয়ের সংস্কৃতি সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—সব দিক থেকেই আমরা তলানিতে নেমে গিয়েছিলাম। এখন জাতি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমাজে এখনো অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, সংকীর্ণতা ও প্রতিহিংসার প্রভাব রয়ে গেছে। রাজনীতিবিদদের কথার সঙ্গে কাজের মিল না থাকায় মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কথা ও কাজে মিল রেখে জাতির আস্থা অর্জন করতে না পারলে একটি ভালো জাতি গঠন সম্ভব নয়। এই দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই নিতে হবে। নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের কথা বলেছিলাম। জনগণ সাড়া দিয়েছে, তবে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবুও আমরা ইতিবাচক রাজনীতির স্বার্থে নির্বাচন তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করিনি। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের কোনো নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নেই, তবে ব্যক্তিকে আলাদা করে মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি সরকারকে এ বিষয়ে জাতিকে স্বস্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। সংস্কার ও গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোটে বিপুল ভোটার সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। তাই জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। মতবিনিময় সভায় সিলেটের সাংবাদিকদের পাশাপাশি জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে ঈদ উদযাপন অত্যন্ত আনন্দের: মির্জা ফখরুল

ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে ঈদ উদযাপন অত্যন্ত আনন্দের: মির্জা ফখরুল

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত আমির

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন জামায়াত আমির

বিএনপি নেতারা কে কোথায় ঈদ উদযাপন করবেন

বিএনপি নেতারা কে কোথায় ঈদ উদযাপন করবেন

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
ইরান যুদ্ধে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না ট্রাম্প, খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
ইরান যুদ্ধে কূল-কিনারা পাচ্ছেন না ট্রাম্প, খুঁজছেন বের হওয়ার পথ
ইরান যুদ্ধের তিন সপ্তাহ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন এক সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছেন; যা ক্রমেই তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী, মিত্রদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুদ্ধ কেবল এক ‘সাময়িক অভিযান’ হবে বলে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও বর্তমানে ইরানের আরও সৈন্য মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। বিপর্যস্ত ট্রাম্প অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থন করে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোকে ‘কাপুরুষ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহায়তা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় ন্যাটোর পাশে আর না দাঁড়ানোরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেছেন, সামরিক অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোচ্ছে। তবে শুক্রবার ‘যুদ্ধে সামরিক বিজয় অর্জিত হয়েছে’ বলে তিনি যে ঘোষণা দিয়েছেন; বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তা সাংঘর্ষিক। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ইরান পারস্য উপসাগরে তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে এবং পুরো অঞ্চলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রকে ‘নির্বোধ’ সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখার অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় আসা ট্রাম্প এখন নিজের শুরু করা এই যুদ্ধের ফলাফল কিংবা এর প্রচার; কোনোটিই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। যুদ্ধের কোনও সুনির্দিষ্ট প্রস্থান পরিকল্পনা না থাকায় ট্রাম্পের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং তার দলের ভবিষ্যৎ; উভয়ই ঝুঁকির মুখে। বিশেষ করে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখা নিয়েও টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট উভয় প্রশাসনের সাবেক মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক আলোচক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, ‌‌‘‘ট্রাম্প নিজেই নিজের জন্য ‘ইরান যুদ্ধ’ নামের একটি খাঁচা তৈরি করেছেন এবং এখন তিনি সেখান থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে পাচ্ছেন না। এটিই এখন তার চরম হতাশার কারণ।’’ হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ওই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ইরানের অনেক শীর্ষ নেতাকে নিশানা করে হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে; দেশটির নৌবাহিনীর বেশিরভাগ অংশ ডুবিয়ে দেওয়া এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, এসব নজিরবিহীন সামরিক সাফল্য। * ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা গত এক সপ্তাহে কূটনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক—সবক্ষেত্রেই ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে নৌবাহিনী মোতায়েনে ন্যাটোর সদস্য ও অন্যান্য বিদেশি অংশীদারদের অস্বীকৃতিতে ট্রাম্প বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছেন। এই আলোচনার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি বলেছেন, ট্রাম্প যাতে একা হয়ে না পড়েন, সেজন্য হোয়াইট হাউসের কিছু উপদেষ্টা তাকে দ্রুত একটি ‘সম্মানজনক প্রস্থানের পথ’ খোঁজার এবং সামরিক অভিযানের পরিসর সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে এই যুক্তি ট্রাম্পকে কতটুকু প্রভাবিত করতে পারবে, তা এখনও অস্পষ্ট। বিশ্লেষকরা বলেছেন, মিত্রদের এই অনীহা কেবল একটি অপরিকল্পিত যুদ্ধে জড়ানোর ভয় নয়; বরং গত ১৪ মাসে ট্রাম্পের প্রথাগত মার্কিন মিত্রদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করারই প্রতিফলন। ইসরায়েলের সঙ্গেও মতভেদ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে ইসরায়েলি হামলা সম্পর্কে তিনি আগে কিছু জানতেন না। যদিও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই সমন্বয় করা হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নিয়ে ট্রাম্প এখন উভয় সঙ্কটে পড়েছেন এবং তিনি কোন পথে এগোবেন সেটির কোনও পরিষ্কার রূপরেখা কিংবা ইঙ্গিত নেই। তিনি সর্বশক্তি দিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে এবং মার্কিন অভিযান আরও তীব্র করতে পারেন। এমনকি খারগ দ্বীপে ইরানের তেল কেন্দ্র দখল অথবা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী যন্ত্রের খোঁজে ইরানের উপকূল বরাবর সৈন্য মোতায়েন করতে পারেন। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদী সামরিক দায়বদ্ধতার ঝুঁকি থাকবে, যার বিরোধিতা করবে মূলত মার্কিন জনগণ। অথবা, যেহেতু উভয় পক্ষই আপাতত আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে, ট্রাম্প বিজয় ঘোষণা করে সরে আসার চেষ্টা করতে পারেন। এতে উপসাগরীয় মিত্ররা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। কারণ তাদের সামনে থাকবে এক আহত ও বৈরী এমন এক ইরান; যে দেশটি তখনও অপরিশোধিত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করতে এবং উপসাগরে নৌচলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথা অস্বীকার করেছে। শুক্রবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার অতিরিক্ত মেরিন ও নৌ সেনা মোতায়েন করছে। যদিও ইরানে স্থল অভিযান চালানোর জন্য মার্কিন সৈন্য পাঠানোর বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ‘মেইক আমেরিকা গ্রেইট এগেইন’ আন্দোলনের ওপর একসময়ের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং প্রভাবশালী মার্কিনিরা এই সংঘাতের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন। যদিও সমর্থক গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত তার পাশেই দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গ্যাসের দাম বাড়তে থাকলে এবং মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হলে আগামী সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। রিপাবলিকান স্ট্রেটেজিস্ট ডেভ উইলসন বলেন, ‘‘অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যখন স্পষ্ট হতে শুরু করবে, তখন মানুষ বলতে শুরু করবে, আমি আবার কেন গ্যাসের চড়া দাম দিচ্ছি?... আগামী মাসে আমি ছুটি কাটাতে পারব কি না, তা এখন হরমুজ প্রণালি কেন নির্ধারণ করছে?’’ * ভুল হিসাব-নিকেষ মার্কিন প্রশাসনের দুটি সূত্র বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর হোয়াইট হাউসে বর্তমানে এই উপলব্ধি তৈরি হয়েছে, সংঘাতের পরিণতি নিয়ে আরও আগে থেকে বিশদ পরিকল্পনা করা উচিত ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল ইরানের প্রতিক্রিয়া বুঝতে না পারা। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ইরান তার অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বহর দিয়ে প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলোতে আঘাত হানছে এবং বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল চলাচলের পথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গণমাধ্যমের ওপর ট্রাম্পের ক্ষোভ বাড়ছে। যুদ্ধের নেতিবাচক খবর প্রচার করায় তিনি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতার’ ভিত্তিহীন অভিযোগও তুলছেন। ওবামা প্রশাসনের সাবেক পররাষ্ট্রনীতি উপদেষ্টা ব্রেট ব্রুয়েন বলেন, ট্রাম্প এখন সংবাদপ্রবাহ নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন। কারণ কেন তিনি দেশকে যুদ্ধে জড়ালেন এবং এর শেষ কোথায়; সেটি তিনি ব্যাখ্যা করতে পারছেন না। সূত্র: রয়টার্স।

ইরানের নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল, তবে কি বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ?

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল, তবে কি বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের সমীকরণ?

হামলায় নিহত ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র নাঈনি

হামলায় নিহত ইরানের বিপ্লবী গার্ডের মুখপাত্র নাঈনি

কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা: বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে বড় ধাক্কা

কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলা: বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে বড় ধাক্কা

যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে

যুক্তরাজ্যে গ্যাসের দাম ১৪০ শতাংশ বেড়েছে

লারিজানি হত্যা : ‘চূড়ান্ত’ প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের

লারিজানি হত্যা : ‘চূড়ান্ত’ প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের
কুমিল্লায় বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১২
কুমিল্লায় বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১২
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে যাত্রীবাহী বাসে মেইল ট্রেনের ধাক্কায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহত ১২ জনের মধ্যে সাতজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং দুই শিশু রয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার অজয় ভৌমিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় মামুন পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাওয়া মেইল ট্রেন। এই ধাক্কায় বাসটিকে অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে। ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ট্রেনটিকে উদ্ধার করতে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন আনা হচ্ছে বলে ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, নিহত ৪ শিশু

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, নিহত ৪ শিশু

নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩

বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দারুণ এক রাতে নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার সোরলথের হ্যাটট্রিকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে ক্লাব ব্রুজকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে সমতা থাকায় মাদ্রিদের রিয়াধ এয়ার মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। ২৩তম মিনিটে গোলরক্ষক ইয়ান ওব্লাকের লম্বা কিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সোরলথ। ব্রুজের গোলরক্ষক সিমন মিনিওলে বল ঠেকালেও সেটি তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়। ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে জোয়েল অরদোনিয়েজের হেডে সমতায় ফেরে ব্রুজ। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ৪-৪। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর তিন মিনিটের মাথায় আবার লিড নেয় অ্যাটলেটিকো। যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার জনি কারদোসো বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক হাফ-ভলিতে বল জালে পাঠান। সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রুজ। তবে ম্যাচের শেষভাগে সোরলথের জোড়া গোলে ভেঙে পড়ে তাদের প্রতিরোধ। ৭৬তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আদেমোলা লুকমান ও আন্তোনিও গ্রিজমানের চমৎকার সমন্বয়ে কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা। ৮৭তম মিনিটে মৌসুমের নিজের ১৫তম গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সোরলথ এবং অ্যাটলেটিকোর বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ইংল্যান্ডের লিভারপুল অথবা টটেনহাম হটস্পার।

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ইতোমধ্যে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণ সময়ে বাংলাদেশে দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ১৪ হাজার টন। এর মধ্যে ডিজেলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়—প্রায় ১২ হাজার টন। পেট্রোলের চাহিদা প্রায় ১২০০ টন এবং অকটেনের চাহিদা প্রায় ১১০০ টন। কিন্তু সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই চাহিদা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশেষ করে ৭ মার্চের বিক্রির পরিসংখ্যান পরিস্থিতির পরিবর্তনকে স্পষ্ট করে। গত বছর একই সময়ে যেখানে ডিজেল বিক্রি হয়েছিল প্রায় ১২ হাজার টন, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ৯০০ টনে। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় অনেক পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ী আগাম জ্বালানি কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। ফলে স্বাভাবিক বাজারের চাহিদার বাইরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত চাহিদা সামাল দিতেই সরকার রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল বিক্রি করা যাবে না। একই সঙ্গে ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে সরবরাহও কিছুটা কমানো হয়েছে। নীতিনির্ধারকদের ধারণা, এতে কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মজুতের প্রবণতা কমবে এবং সীমিত মজুত দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় ডিজেল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার বেশি। বর্তমানে দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন। দৈনিক প্রায় ৯ হাজার টন সরবরাহ ধরে হিসাব করলে এই মজুত প্রায় ১৩ দিন চলতে পারে। তবে আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে পাঁচটি জাহাজে আরও প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন ডিজেল দেশে আসার কথা রয়েছে। এই চালান যুক্ত হলে মোট মজুত দিয়ে প্রায় ২৯ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অর্থাৎ আপাতত বড় ধরনের সংকট না থাকলেও পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক নয়। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে চিত্র আরও অস্বাভাবিক। যেখানে গত বছর একই সময়ে পেট্রোল বিক্রি হয়েছিল মাত্র দেড় হাজার টনের মতো, সেখানে এবার তা বেড়ে প্রায় ১২ হাজার ৪০০ টনে পৌঁছেছে। অকটেন বিক্রিও প্রায় দশ গুণ বেড়েছে। বর্তমান মজুত ও রেশনিং অনুযায়ী পেট্রোল প্রায় ১৭ দিন এবং অকটেন প্রায় ২৫ দিন সরবরাহ করা সম্ভব। তবে এসব জ্বালানির বড় অংশ দেশেই উৎপাদিত হওয়ায় তা দ্রুত মজুত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দেশীয় রিফাইনারি ও কনডেনসেট শোধনাগার থেকে নতুন সরবরাহ যুক্ত হলে সংকট কিছুটা কমতে পারে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত মূলত আমদানিনির্ভর। দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়, যা চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। এর পাশাপাশি বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয়। এই পরিশোধিত তেলের বড় অংশ আসে ভারত ও চীন থেকে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হলে এই সরবরাহ শৃঙ্খলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ভারত ও চীনের অনেক রিফাইনারি তুলনামূলক কম দামে ইরান থেকে তেল কিনে তা পরিশোধন করে। ফলে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশও পরোক্ষভাবে সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী দেশে বিভিন্ন জ্বালানি তেলের মজুত কয়েক সপ্তাহের চাহিদা মেটানোর মতো রয়েছে। তবে চাহিদা যদি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তেই থাকে, তাহলে এই মজুত দ্রুত কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতি দেখিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মজুত সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া এই ঝুঁকি কমানো কঠিন। অতএব, বর্তমান সংকট কেবল একটি সাময়িক বাজার পরিস্থিতি নয়—বরং এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

এলপিজি বাজারে অস্থিরতা: আমদানি জটিলতা, ভোক্তার বাড়তি চাপ

এলপিজি বাজারে অস্থিরতা: আমদানি জটিলতা, ভোক্তার বাড়তি চাপ

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

বাংলাদেশের ডিম-মুরগিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো সৌদি

বাংলাদেশের ডিম-মুরগিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো সৌদি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য