• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
সংকটের ১০ বছর: বছর আসে, বছর যায়—রোহিঙ্গারা যায় না
সংকটের ১০ বছর: বছর আসে, বছর যায়—রোহিঙ্গারা যায় না
রোহিঙ্গা সংকটের এক দশকে পা দিয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও সহিংসতার মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এরপর কেটে গেছে নয় বছর। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সেই সংকট দশম বছরে পড়েছে। কিন্তু এখনো একজন রোহিঙ্গাকেও নিরাপদ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি। এই দীর্ঘ সময়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। সরকারের পরিবর্তন হলেও রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের মূল অবস্থানে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি—রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই স্থায়ী সমাধান। তবে একের পর এক উদ্যোগ নেওয়া হলেও প্রত্যাবাসন শুরুর বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত। ফলে প্রতিবছর ২৫ আগস্ট এলেই নতুন করে সামনে আসে একই প্রশ্ন—কবে ফিরবে রোহিঙ্গারা? তালিকা যাচাইয়ে ধীরগতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথে অন্যতম বড় বাধা হয়ে আছে তাদের পরিচয় যাচাই। চলতি মাসে মিয়ানমার জানিয়েছে, বাংলাদেশের দেওয়া ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গার তালিকা থেকে গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। মিয়ানমারের দাবি, ৪ হাজার ২৪১ জন ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত’ এবং ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে মিয়ানমার বলেছে, দেশটিতে ‘রোহিঙ্গা’ নামে কোনো জাতিগোষ্ঠী নেই। ঢাকা অবশ্য মিয়ানমারের এ অবস্থান প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিয়ানমারের দেওয়া বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানের অনেক কিছুই সঠিক নয়। জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত তথ্যেই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রকৃত সংখ্যার প্রতিফলন রয়েছে। ঢাকা বলছে, যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ক্যাম্পে জন্ম নেওয়া শিশু এবং ২০১৭ সালের পর বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের তথ্যও বিবেচনায় নিতে হবে। ‘১০ থেকে ২০ বছর হতে দেওয়া যাবে না’ রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি বলেছেন, এই সংকটকে ১০ বছর থেকে ২০ বছরে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না। তার ভাষায়, বাংলাদেশ মানবিক সহায়তা ও আশ্রয় দিতে পারে; কিন্তু যে সংকট বাংলাদেশ সৃষ্টি করেনি, সেটির একক সমাধান বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে। তাই এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারকেই করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমি রাখাইন রাজ্যে নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। যাচাই প্রক্রিয়াই কি বিলম্বের হাতিয়ার? পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতির পেছনে রাজনৈতিক, আইনি ও নিরাপত্তাগত কারণ রয়েছে। শুধু মানবিক সহায়তা দিয়ে এসব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। তার মতে, প্রত্যাবাসন যত দীর্ঘায়িত হবে, ঝুঁকিও তত বাড়বে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়া দ্রুত করার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি কালক্ষেপণ ও বিলম্বের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। পররাষ্ট্র সচিব আরও বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব শুধু বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব বঙ্গোপসাগর, আসিয়ান এবং বৃহত্তর ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলেও পড়ছে। তাই সংকটটিকে একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মানবনিরাপত্তা সংকট হিসেবে বিবেচনা করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একের পর এক উদ্যোগ, ফেরেনি কেউ ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর কয়েক মাসের মধ্যেই সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর আগে থেকেই কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবিরে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছিল। বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শরণার্থী শিবিরে ১৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছে। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ২০১৭ সালের শেষ দিকে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্মত হয় মিয়ানমার। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রত্যাবাসন নিয়ে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও হয়। পরবর্তীতে রোহিঙ্গাদের পরিচয় যাচাই ও প্রত্যাবাসনের জন্য ২০১৯ সালে দুই দফায় উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু মিয়ানমারে ফিরে গেলে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে কি না—এ নিয়ে আস্থা না থাকায় রোহিঙ্গারা ফেরার বিষয়ে সম্মতি দেয়নি। ফলে দুই দফার উদ্যোগই ব্যর্থ হয়। এরপর বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু হলে রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক মনোযোগের বাইরে চলে যায়। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল হলে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে। চীনের মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগের মাধ্যমে কয়েক দফা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা হলেও তা সফল হয়নি। এর মধ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাত তীব্র হওয়ায় রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতিও আরও জটিল হয়ে ওঠে। ফলে এক দশকের দ্বারপ্রান্তে এসেও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি। বছর আসে, বছর যায়—কিন্তু রোহিঙ্গাদের ফেরার অপেক্ষা শেষ হয় না। বাংলাদেশের জন্য মানবিক ও অর্থনৈতিক চাপ যেমন বাড়ছে, তেমনি দীর্ঘস্থায়ী এই সংকট আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

রংপুরে স্কুলশিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ খুন, পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন

রংপুরে স্কুলশিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ খুন, পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন

নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়: দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, চারজনের যাবজ্জীবন

নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়: দুইজনের মৃত্যুদণ্ড, চারজনের যাবজ্জীবন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শি জিনপিংয়ের অভিনন্দন

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সংসদীয় দায়িত্ব বণ্টন

প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সংসদীয় দায়িত্ব বণ্টন

আশ্রিতদের কাছে প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান

আশ্রিতদের কাছে প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান
সেপ্টেম্বরের লং মার্চ ঘিরে চার রুটে নিরাপত্তা সহযোগিতা চাইলো ১১ দল
সেপ্টেম্বরের লং মার্চ ঘিরে চার রুটে নিরাপত্তা সহযোগিতা চাইলো ১১ দল
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে চার রুটে শুরু হচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ কর্মসূচি। ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম দিয়ে শুরু হওয়া লং মার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে আয়োজন করতে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। এ বিষয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠক করেছেন জোটের নেতারা। সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি প্রতিনিধি দল আইজিপির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে লং মার্চের বিভিন্ন রুট, পথসভা এবং কর্মসূচির সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সার, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটসহ বিভিন্ন গণদাবি সামনে রেখে লং মার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সারা দেশে চারটি রুটে লং মার্চ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের বিষয়ে আইজিপিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বৈঠকে লং মার্চের রুট ও পথসভার স্থানগুলো সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে এবং লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের ক্ষেত্রে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তারা আশা করছেন, কর্মসূচিতে পুলিশ প্রশাসনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের সঙ্গে আছি।’ বৈঠকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, সহকারী সেক্রেটারি ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, এলডিপির মহাসচিব বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি নিজামুল হক নাঈমসহ অন্য নেতারাও বৈঠকে অংশ নেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের দাবিতে গত ৬ আগস্ট ঢাকায় মহাসমাবেশসহ চার বিভাগে লং মার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে লং মার্চ দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুরে, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনায় এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে লং মার্চ হবে। আর ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে আগামী ১৪ নভেম্বর। ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে লং মার্চ সম্পন্ন করাই তাদের লক্ষ্য। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদেরও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হবে।

আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি: জামায়াত আমির

আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে বিএনপি: জামায়াত আমির

দেশের স্বার্থে সবাইকে এক থাকতে হবে: মাহদী আমিন

দেশের স্বার্থে সবাইকে এক থাকতে হবে: মাহদী আমিন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হলেন রুহুল কবির রিজভী

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮৩৯

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ
ট্রাম্পের পাশে গম্ভীর মেলানিয়া, ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
ট্রাম্পের পাশে গম্ভীর মেলানিয়া, ভিডিও ঘিরে তোলপাড়
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের উত্তেজনাপূর্ণ বাগবিতণ্ডার মুহূর্তের ভিডিও ঘিরে নতুন করে জল্পনা-কল্পনার তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, মার্কিন এই দম্পতি ফ্রিডম ২৫০ গ্র্যান্ড প্রিকস অনুষ্ঠানের এক নম্বর ভিআইপি বক্সে পাশাপাশি বসে ছিলেন। মেলানিয়ার দিকে ঝুঁকে ট্রাম্পকে কিছু বলতে দেখা যায়। ওই সময় মেলানিয়াকে বেশ গম্ভীর ও কিছুটা আনমনা দেখায় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আসন ছেড়ে অন্যদিকে চলে যান। ছোট এই ভিডিও ক্লিপ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। ভিডিওতে স্পষ্ট অডিও না থাকায় অনেকে আবার ঠোঁটের নড়াচড়া পড়ে ট্রাম্প-মেলানিয়ার কথোপকথন বোঝার চেষ্টা করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‌‌‘‘এখানে কোনো লিপ-রিডার আছেন, যিনি বলতে পারবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্পের মধ্যে ঠিক কী কথা হচ্ছিল?’’ অন্য অনেকে তাদের শারীরিক ভাবভঙ্গি দেখে দাম্পত্য সম্পর্কের ভেতরের টানাপোড়েন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও ওই কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ নেই, তাদের মাঝে কোনো বিষয়ে বাগবিতণ্ডা কিংবা ঝগড়া হচ্ছিল কি না। অনলাইনের এই জল্পনা-কল্পনা গিয়ে ঠেকেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সহকারী ন্যাটালি হার্পকে ঘিরে চলা সাম্প্রতিক গুঞ্জনের সঙ্গে। ট্রাম্পের একদম ঘনিষ্ঠ সার্কেলে কাজ করা এবং সারাক্ষণ তার সঙ্গে উপস্থিত থাকায় ন্যাটালি হার্প সম্প্রতি খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছেন। ট্রাম্প ও মেলানিয়ার এই দূরত্বের পেছনে কিছু ব্যবহারকারী অনলাইনেই ন্যাটালির নাম জড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে এসব দাবির সপক্ষে কোনো জোরালো সত্যতা পাওয়া যায়নি। যদিও এর আগে ট্রাম্পকে লেখা ন্যাটালির একটি ব্যক্তিগত চিঠি ও তার ঘনিষ্ঠ মেলামেশা নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, মনে হচ্ছে আজ ফ্রিডম ২৫০ ইভেন্টে কোনো একটি বিষয় নিয়ে ট্রাম্প ও মেলানিয়া তর্ক করছিলেন। আমার ধারণা বিষয়টির পেছনে ন্যাটালি হার্প আছেন। আরেকজন লিখেছেন, বক্সে ন্যাটালি হার্পকে দেখা যাওয়ার পরপরই মেলানিয়া সেখান থেকে উঠে চলে যান। বেশ কিছুদিন ধরে স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জনসমক্ষে মেলানিয়াকে খুব কমই দেখা যাচ্ছে। মেলানিয়াকে জনসম্মুখে কম দেখা যাওয়া নিয়ে আলোচনার মাঝে গ্র্যান্ড প্রিকসের ওই ভিডিও সামনে এলো। সূত্র: এনডিটিভি।

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়া ভারতের জন্য ভালো নাকি খারাপ খবর

মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হওয়া ভারতের জন্য ভালো নাকি খারাপ খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলল ইরান

ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, নিহত ২

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, নিহত ২

মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং বাঁশখালী টাইমসের ব্যবস্থাপনায় গত ২২ আগস্ট বিকেলে উপজেলার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বাঁশখালীর পশ্চিম চেচুরিয়া ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বন্যাদুর্গত শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন স্কুল ব্যাগ ও গাইড বই তুলে দেওয়া হয়। প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম টুকুর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী টাইমসের সম্পাদক আবু ওবাইদা আরাফাত, কবি আরকানুল ইসলাম, সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি ইমতিয়াজ উদ্দিন ও আকিবুল হক, বাঁশখালী প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব মিজান বিন তাহের, পশ্চিম চেচুরিয়া ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দে এবং বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মু. আশেকুর রহমান চৌধুরী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিশকাত হোছাইন, মোহাম্মদ আরিফ ও নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তারা সালমা আদিল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন সালমা আদিলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, ফাউন্ডেশনটি দীর্ঘদিন ধরে দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার শুরু থেকেই সংগঠনটি বৃহৎ পরিসরে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বক্তারা আরও বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণের এ উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দুর্যোগের পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনতে এ ধরনের সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন স্কুল ব্যাগ ও গাইড বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক শিক্ষার্থীর মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি।

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
সাদা শাড়িতেও মোহময়ী মিম
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
হোটেল কক্ষ নোংরা করার অভিযোগ, যা বললেন জেমসের ম্যানেজার
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
ইলিয়াস কাঞ্চনের চিকিৎসায় মিলল সুখবর, বাড়েনি ব্রেন টিউমার
ইলিয়াস কাঞ্চনের চিকিৎসায় মিলল সুখবর, বাড়েনি ব্রেন টিউমার
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
অভিজ্ঞ লেগ স্পিনারকে নিয়ে জিম্বাবুয়ের দল ঘোষণা
অভিজ্ঞ লেগ স্পিনারকে নিয়ে জিম্বাবুয়ের দল ঘোষণা
অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমার নামিবিয়ায় আসন্ন টি-টোয়েন্টি ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য জিম্বাবুয়ে দলে ফিরেছেন। এ বছরের শুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সুপার এইটের ম্যাচে শেষবার খেলা ক্রেমার বাঁ হাতের চোট থেকে সেরে উঠেছেন। ওই চোটের কারণে তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ থেকে বাদ পড়েছিলেন। সিকান্দার রাজার নেতৃত্বে ঘোষিত ১৫ সদস্যের দলে জায়গা পেয়েছেন এখনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি না খেলা ফাস্ট বোলার কুন্দাই মাতিগিমু। ২৮ বছর বয়সী এই বোলার ক্যারিয়ারে মাত্র ১১টি টি-টোয়েন্টি খেললেও গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়ের হয়ে সুযোগ পেয়েছিলেন। অন্যদিকে চোটের কারণে ওয়ানডে ও টেস্ট অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা এবং তানাকা চিভাঙ্গা দলে নেই। এনগারাভা পিঠের নিচের অংশের চোট থেকে সেরে উঠছেন। চিভাঙ্গা গোড়ালির চোটের কারণে অস্ত্রোপচার করিয়েছেন। সিরিজে তিনটি দলই একে অপরের বিপক্ষে দুইবার করে মুখোমুখি হবে এবং শীর্ষ দুই দল ফাইনালে উঠবে। ২৯ আগস্ট দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের প্রথম ম্যাচ। তার দুইদিন পর তারা স্বাগতিক নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে। দল: সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, গ্রায়েম ক্রেমার, বেন কারান, ব্রাড ইভান্স, ইনোসেন্ট কায়া, ওয়েসলি মাধেভেরে, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, কুন্দাই মাতিগিমু, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিওন মায়ার্স, নিউম্যান নিয়ামহুরি, তাফাদজোয়া সিগা।

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ, জটিলতায় বাংলাদেশ

ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ, জটিলতায় বাংলাদেশ

ইতিহাসে প্রথমবার এমন লজ্জায় পড়ল বাংলাদেশ

ইতিহাসে প্রথমবার এমন লজ্জায় পড়ল বাংলাদেশ

স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড

স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল ফের চালু, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ
বন্ধ এক্সিলারেটের টার্মিনাল ফের চালু, বাড়ছে গ্যাস সরবরাহ
এলএনজি সরবরাহের অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আবার কার্যক্রম শুরু করেছে। স্পট মার্কেট থেকে কেনা ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের (বিপি) এলএনজিবাহী একটি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই এসে পৌঁছানোর পর টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহও বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, প্রায় তিন দিন আগে কার্গোর অভাবে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যায়। এরপর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকটে এর প্রভাব পড়ে। এর আগে পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসতে পারে। ফলে তার আগে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা কম ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই নতুন কার্গো পৌঁছানোয় পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট) মো. শোয়েব বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, এক্সিলারেটের পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসার কথা। তবে কার্গো পৌঁছানোর পর এলএনজি খালাস এবং তা গ্যাসে রূপান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় লাগে। ফলে কার্গো আসার সঙ্গে সঙ্গেই টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরবে না। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনালের জন্য আনা আরেকটি এলএনজি কার্গো ভিড়েছে। এতে ওই টার্মিনালে এলএনজির মজুত বেড়েছে। তবে পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামিটের টার্মিনাল আগে থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। তাই নতুন কার্গো এলেও তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সুযোগ নেই। এক্সিলারেটের টার্মিনালে বুধবার দুপুরের পর সরবরাহযোগ্য এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। তবে সামিটের অন্য টার্মিনাল থেকে সরবরাহ অব্যাহত ছিল। পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সব মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ দাঁড়ায় ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। এর আগের দিন বুধবার একই সময়ে এলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৫৬ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ এক দিনে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে ৮০ লাখ ঘনফুট বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ। দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সেই হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে বৃহস্পতিবার সরবরাহ ছিল সক্ষমতার প্রায় ৫২ শতাংশ। এর আগে গত ২১ জুলাই আগুনে এক্সিলারেটের টার্মিনালের বৈদ্যুতিক কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে টার্মিনালটি থেকে প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। দুই সপ্তাহের বেশি সময় পর ৬ আগস্ট টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু করা হয়। এরপর কারিগরি সমস্যা ও কার্গো সংকটের কারণে কয়েক দফা সরবরাহ ওঠানামা করেছে। পেট্রোবাংলার ১৯ থেকে ২০ আগস্টের ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদনে দেখা যায়, এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৮ কোটি ৯০ লাখ ঘনফুট। আগের ২৪ ঘণ্টায় এই সরবরাহ ছিল ৬২ কোটি ৬৬ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ এক দিনে এলএনজির গড় সরবরাহ প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে। দেশীয় গ্যাস ও এলএনজি মিলিয়ে দৈনিক গড় সরবরাহ ২২৬ কোটি ৩৮ লাখ ঘনফুট থেকে কমে ২২২ কোটি ৪৪ লাখ ঘনফুটে নেমেছে। অর্থাৎ মোট সরবরাহ কমেছে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ঘনফুট। এ সময়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর গ্যাসের চাহিদা ছিল ২৫২ কোটি ৪৯ লাখ ঘনফুট। বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ঘনফুট। অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চাহিদার মাত্র ৩৭ শতাংশ গ্যাস পেয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ ছিল ৯৫ কোটি ৫৬ লাখ ঘনফুট। এক দিনে সরবরাহ কমেছে ২ কোটি ২২ লাখ ঘনফুট। গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ঘণ্টাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৬৭৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ করা হয় ১৪ হাজার ৩৮২ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ২৯৭ মেগাওয়াট। এর আগের দিন বুধবার বিকেল ৫টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৫০৪ মেগাওয়াট। সরবরাহ ছিল ১৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিং ছিল ১ হাজার ৮০৪ মেগাওয়াট। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। একই সময়ে বুধবার উৎপাদন হয়েছিল ১৪ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। যদিও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১২ মেগাওয়াট কমেছে, কয়লাভিত্তিক উৎপাদন বেড়েছে ৭২২ মেগাওয়াট। ফলে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে উন্নতি হয়েছে, তার প্রধান অবদান এসেছে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে।

এক ধাক্কায় ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

এক ধাক্কায় ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা

একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী