• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ ঢাকা জেলার আহ্বায়ক সাংবাদিক জিহাদ নুর চৌধুরী
‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ ঢাকা জেলার আহ্বায়ক সাংবাদিক জিহাদ নুর চৌধুরী
‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ ঢাকা জেলার আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন বৈশাখী টেলিভিশনের সাংবাদিক ও বাঁশখালীর কৃতিসন্তান জিহাদ নুর চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পেয়েছেন। জিহাদ নুর চৌধুরী চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল-ছনুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার শিক্ষক নুরুল কবিরের কনিষ্ঠ ছেলে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নিপীড়ন, গুম, হত্যা, লুটপাট, স্বজনপ্রীতি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া কোটা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এতে ছাত্র-জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণ ঘটে এবং বিভিন্ন ঘটনায় অনেকে নিহত ও আহত হন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণ, তাদের মর্যাদা ও অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখার প্রত্যয় নিয়ে জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রকামীদের সমন্বয়ে ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ওই কেন্দ্রীয় কমিটিতে আন্তর্জাতিক তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে সাংবাদিক জিহাদ নুর চৌধুরীকে নির্বাচিত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে ঢাকা জেলার আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর জিহাদ নুর চৌধুরী সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের মর্যাদা, অধিকার এবং স্মৃতি সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন।

তদারকির ঘাটতিতে বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি, স্লিপার বাস যেন নীরব মৃত্যুর বাহন!

তদারকির ঘাটতিতে বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি, স্লিপার বাস যেন নীরব মৃত্যুর বাহন!

এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসির জন্য ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি

এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসির জন্য ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বাড়ছে সংকট

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বাড়ছে সংকট

সারাদেশে ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

সারাদেশে ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

পোশাক রপ্তানিতে ৭৩ শতাংশই কটন, নন-কটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ

পোশাক রপ্তানিতে ৭৩ শতাংশই কটন, নন-কটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ

সিএনজি সংকটে পাম্পে পাম্পে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালক

সিএনজি সংকটে পাম্পে পাম্পে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালক
বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
বিদায়ী বক্তব্যে বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল
বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় বিদায়ী বক্তব্য দিতে গিয়ে বারবার আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদেছেন দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব ও রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নেতা-কর্মীদের কাছে দোয়া চাওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (১৯ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি দলের সভাকক্ষে বিএনপির সংসদীয় দলের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বেলা ২টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা বৈঠক চলে। সভায় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের ধারণা দেন এবং মির্জা ফখরুলের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও তিনি জানান। চিফ হুইপের পর বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মির্জা ফখরুল। এ সময় তিনি বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকেও। পাশাপাশি দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তাঁর কোনো ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে কিংবা অজান্তে কারও মনে আঘাত দিয়ে থাকলে তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। তিনি বলেন, দল তাঁকে যে সম্মান ও দায়িত্ব দিয়েছে, জীবন দিয়ে হলেও তিনি সেই সম্মান রক্ষা করবেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করবেন না। বঙ্গভবনে যাওয়ার পর সহকর্মীদের মিস করবেন উল্লেখ করে সবার কাছে দোয়া চান মির্জা ফখরুল। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাঁর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্যের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কয়েক মিনিটের বক্তব্যে চার থেকে পাঁচবার কেঁদে ফেলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আজ ঐতিহাসিক একটি দিন। অনেক মূল্য দিয়ে আমরা আজ এ জায়গায় এসেছি।’ এ জন্য তিনি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বহু বছর ধরে তিনি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত। দলের দুঃসময়ে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি দলের হাল ধরেছেন এবং কখনো হাল ছাড়েননি। তাঁকে কারাবন্দীও হতে হয়েছে। সেই সময়ে তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থাকতে হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত করতে দলীয় সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সতর্কবার্তা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও সংসদ সদস্যদের সতর্ক করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, অনেক সংসদ সদস্যের সঙ্গে এলাকায় দলের দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। কোনোভাবেই এ দূরত্ব সৃষ্টি হতে দেওয়া যাবে না। তিনি জানান, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়া অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এ নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে। গত সংসদ নির্বাচনে অনেকে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ায় দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাতে কেউ দল-সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে না যান, সে বিষয়ে এখন থেকেই কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন বিএনপির চেয়ারম্যান। স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্য ও যোগ্য ব্যক্তিদের প্রার্থী করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। বিএনপির সংসদীয় দলের এ সভায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে মির্জা ফখরুলের আবেগঘন বিদায়ী বক্তব্য এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারেক রহমানের সাংগঠনিক বার্তা—দুই বিষয়ই গুরুত্ব পায়। সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, সেলিমা রহমান, এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

সরকার ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল

হামে আক্রান্ত ৬৫% শিশুই অপুষ্টিতে ভুগছিল

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে
ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি কমাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক ডেস্ক ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ কয়েক মাসের যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর অঞ্চলটিতে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের বরাতে মঙ্গলবার দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে। বুধবার ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফের বক্তব্যেও একই ধরনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইরাক সফররত গালিবাফ বলেছেন, নতুন আঞ্চলিক ব্যবস্থার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রও অঞ্চলটি থেকে সম্মানজনকভাবে বের হওয়ার পথ খুঁজছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে কবে শেষ হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এরই মধ্যে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া ৬০ দিনের প্রাথমিক সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ শেষ হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন জর্ডান থেকে ওমান পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ মাইল বিস্তৃত এলাকায় প্রায় ২০টি সামরিক স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনায় সাধারণত প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকে। বাহরাইনে রয়েছে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর। এ ছাড়া কুয়েতসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ রয়েছে। ঘাঁটিগুলো নিয়ে নতুন ভাবনা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন করছে পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক দপ্তর। যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক ঘাঁটিগুলো পুনর্নির্মাণ করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্তেও এই মূল্যায়নের প্রভাব পড়তে পারে। জয়েন্ট স্টাফ ও ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডও বিষয়টি পর্যালোচনা করছে। যুদ্ধ শুরুর আগেই ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যুদ্ধ চলাকালে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবায় ইরানের হামলায় ছয় মার্কিন সেনা নিহত হন। এ ছাড়া দুই শতাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ঘাঁটিগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার পরিবর্তে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ধরন ও পরিমাণ পুনর্বিবেচনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী বার্তা ইরান যুদ্ধের অবসান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্যও পাওয়া যাচ্ছে। মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। তবে এর আগের দিন ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনার জানিয়েছিলেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় জোরালো। ইরানও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনায় আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ইরানের শর্তে আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্র এখন মরিয়া হয়ে পড়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোখবেরও জানিয়েছেন, ইরান আলোচনায় আগ্রহী। তবে আলোচনাকে আত্মসমর্পণের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। অর্থনীতিতেও চাপ যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে আঞ্চলিক অর্থনীতিতেও। ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে। পরে ইউএইর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ ইরানকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত খবরকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন। সব মিলিয়ে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে নতুন কৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ভবিষ্যৎ এবং অঞ্চলটিতে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতির পরিমাণ এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, নিহত ২

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর গুলি, নিহত ২

মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্য ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তারা নিজেদের ভালো সুরক্ষা দিতে পারবে: ট্রাম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প

একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

একদিনে দুই শক্তিশালী ভূমিকম্প, ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: রণধীর জয়সওয়াল
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও অফিসগামী লোকজন। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমেছে। রোববার (১৬ আগস্ট) রাত থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালেও অব্যাহত থাকে। এতে রাহাত্তারপুল, বাকলিয়া, চকবাজার, নিউমার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, কাপাসগোলা ও কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। ভারী বৃষ্টিতে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারেও জলজট তৈরি হয়েছে। পানি জমে থাকায় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন সড়কে কোথাও ধীরগতিতে গাড়ি চলছে, আবার কোথাও পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মো. ইসমাইল ভূঁইয়া জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৮১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আরও দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানান তিনি। এদিকে নগরীতে চলমান গ্যাস সংকটের প্রভাবও পড়েছে গণপরিবহনে। গ্যাসের অভাবে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা সড়কে না নামায় যানবাহনের সংখ্যা কমে গেছে। ফলে জলাবদ্ধতার সঙ্গে পরিবহন সংকট যুক্ত হয়ে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। রাহাত্তারপুল, বাকলিয়া ও বহদ্দারহাটসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা জানান, পানি জমে থাকায় স্বাভাবিক চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পানি মাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। অফিসগামী মানুষও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে সমস্যায় পড়ছেন। নগরীর বাইরে বোয়ালখালীর বিভিন্ন এলাকাতেও ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। চরখিজিরপুর-সাতগড়িয়াপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার কারণে স্থানীয়দের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর অভিযোগ, সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

যুবলীগের মিছিল থেকে চবি কর্মকর্তা আটক

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

রাঙামাটিতে পিকআপ উল্টে নিহত ৪

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট

উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
‘গোলাপি বাস’ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
ভেনিস ও টরন্টোর পর এবার লন্ডন উৎসবে বাংলাদেশের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’
ইলিয়াস কাঞ্চনের চিকিৎসায় মিলল সুখবর, বাড়েনি ব্রেন টিউমার
ইলিয়াস কাঞ্চনের চিকিৎসায় মিলল সুখবর, বাড়েনি ব্রেন টিউমার
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
১৮ বছর পর ফিরছে ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
অভিনেত্রী রিধিকার মৃত্যুর রহস্যে প্রেমিক গ্রেপ্তার
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির মৃত্যুর চাঞ্চল্যকর তথ্য
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
১০ গুণ বেশি পারিশ্রমিক ইমরান হাশমির, শাবানা আজমিকে ছাড়ালেন দিশা পাটানি
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
আদালত প্রাঙ্গনে তিশা : স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে আমার সঙ্গে এটা করেছে
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন কিংবদন্তি রবের্তো কার্লোস, দাবি তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের
ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন কিংবদন্তি রবের্তো কার্লোস, দাবি তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের
ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রবের্তো কার্লোস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন—এমন দাবি করেছে তুরস্কের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তবে বিষয়টি এখনো গুঞ্জন বা দাবির পর্যায়েই রয়েছে। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি ৫৩ বছর বয়সী সাবেক এই তারকা ডিফেন্ডার। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবেরলারসহ কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রায় চার সপ্তাহ আগে ব্রাজিলের মুসলিম সম্প্রদায়ের পরিচিত ব্যক্তি শেখ জিহাদ হামাদার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কালিমা পাঠের মাধ্যমে ইসলাম গ্রহণ করেন কার্লোস। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, শেখ জিহাদ হামাদার সঙ্গে বেশ কিছুদিন ধরেই যোগাযোগ ছিল কার্লোসের। প্রায় চার সপ্তাহ আগে ব্রাজিলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এই ডিফেন্ডার। ওই সাক্ষাতেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে তুরস্কের ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির এমপি আলী শাহিনের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টও আলোচনায় এসেছে। ব্রাজিলের মুসলিম সম্প্রদায়ের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক্সে দেওয়া পোস্টে শাহিন জানান, সাও পাওলোতে শেখ জিহাদ হামাদার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে। হামাদাকে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তির একজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। শাহিনের দাবি, শেখ হামাদা তাঁকে জানিয়েছেন, কার্লোস দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। চার সপ্তাহ আগে সাক্ষাতের সময়ই কার্লোস ইসলাম গ্রহণ করেছেন বলে হামাদা তাঁকে জানিয়েছেন। এদিকে কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের গুঞ্জনের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিয়ের ছবি নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, স্প্যানিশ-মরোক্কান বংশোদ্ভূত সোহাইলা এল তাহিরিকে বিয়ে করেছেন কার্লোস। গত ২৫ জুলাই পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। সোহাইলা এল তাহিরি ফিফা অনুমোদিত ফুটবল এজেন্ট হিসেবে খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার ও পেশাগত বিষয় নিয়ে কাজ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্লোসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খবর প্রকাশ্যে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর কেউ কেউ দাবি করছেন, কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের পেছনে তাঁর নতুন স্ত্রীর ভূমিকা থাকতে পারে। তবে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ও এমপি আলী শাহিনের দাবি ছাড়া রবের্তো কার্লোসের ইসলাম গ্রহণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য বা তাঁর নিজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইসলাম গ্রহণের খবর, সত্যিই কি মুসলিম হলেন রবার্তো কার্লোস?

ইসলাম গ্রহণের খবর, সত্যিই কি মুসলিম হলেন রবার্তো কার্লোস?

ক্রিকেট অপারেশন্সের সদস্য সচিব হলেন বিদ্যুৎ

ক্রিকেট অপারেশন্সের সদস্য সচিব হলেন বিদ্যুৎ

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে ম্যাকাইয়ের দ্বিতীয় টেস্টের টিকিট শেষ

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে ম্যাকাইয়ের দ্বিতীয় টেস্টের টিকিট শেষ

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা
একনেকে ১০ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ৯ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। বুধবার (১৯ আগস্ট) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকী এসব তথ্য জানান। অনুমোদিত প্রকল্পের মধ্যে ছয়টি নতুন এবং চারটি সংশোধিত। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন করা হবে ৮ হাজার ৪৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। বাকি ৮৪৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ থেকে সংস্থান করা হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরাজীর্ণ স্থাপনা প্রতিস্থাপন ও পুনর্নির্মাণ এবং ১০টি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য ১৯টি আধুনিক হোস্টেল নির্মাণ। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সেতু রক্ষণাবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তির সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্পও অনুমোদন করা হয়েছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে লালমনিরহাট সদর উপজেলাকে ধরলা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় বাঁধ শক্তিশালী করার দুটি প্রকল্প রয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের গ্রামীণ সড়ক পুনর্বাসন ও শক্তিশালীকরণ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দুটি প্রকল্পের মধ্যে জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং ডেসকো এলাকায় বৈদ্যুতিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রামু সেনানিবাসের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদিত হয়েছে। এদিকে, পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক আগে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও নয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসির জন্য ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি

এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রের এলসির জন্য ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের অনুমতি

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বাড়ছে সংকট

এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, বাড়ছে সংকট

পোশাক রপ্তানিতে ৭৩ শতাংশই কটন, নন-কটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ

পোশাক রপ্তানিতে ৭৩ শতাংশই কটন, নন-কটনে পিছিয়ে বাংলাদেশ

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী

মন খুলে গান গাওয়া যায়, নাম্বার দেওয়া যায় না: শিক্ষামন্ত্রী