• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী
এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী
সড়ক, রেল ও নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, সার্বিকভাবে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক রয়েছে এবং সব বাস কাউন্টার থেকে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের ভোগান্তি বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি এবং রাস্তায় যানজটও নেই। বুধবার (১৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি। সড়কমন্ত্রী বলেন, সবাই এখানে নির্ধারিত ভাড়া নিচ্ছে। কয়েকটি পরিবহন ২০-৩০ টাকা কমও নিচ্ছে। পুলিশ বুথ থাকায় কেউ বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাসগুলোও সময়মতো ছেড়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ভোগান্তি নেই। তিনি আরও বলেন, যাত্রীরা শৃঙ্খলার সঙ্গে ঢাকার বাইরে যাতায়াত করতে পারছেন এবং কোথাও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার খবর পাওয়া যায়নি। জ্বালানি তেলের বিষয়ে তিনি বলেন, ১৫ মার্চ রাত ১১টা থেকে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। যমুনা সেতু দিয়ে গতকাল ৩২ হাজার গাড়ি বেশি পারাপার হয়েছে এবং সবাই তেল পেয়েছে, তাই যাত্রায় কোনো সমস্যা হয়নি। গণপরিবহনে তেলের কোনো ঘাটতি নেই।

যমুনায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

যমুনায় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী

স্বস্তির ঈদযাত্রায় ‘অস্বস্তি’ বাড়তি ভাড়া

স্বস্তির ঈদযাত্রায় ‘অস্বস্তি’ বাড়তি ভাড়া

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে কী ভাবছে বিএনপি

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে কী ভাবছে বিএনপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

বিএনপি জুলাই সনদের আলোকে পথ চলবে: আইনমন্ত্রী

বিএনপি জুলাই সনদের আলোকে পথ চলবে: আইনমন্ত্রী
বিএনপি সরকারের প্রথম ৩০ দিন, কী বার্তা পাওয়া গেল
বিএনপি সরকারের প্রথম ৩০ দিন, কী বার্তা পাওয়া গেল
বাংলাদেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। এই স্বল্প সময়ে সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপ, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি করেছে নানা আলোচনা ও মূল্যায়ন। কেউ দেখছেন আশার আলো, আবার কেউ তুলছেন প্রশ্ন—পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে? সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একশ দিনের পরিকল্পনার পরিবর্তে এবার একশ আশি দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের ইঙ্গিত বহন করে। এরই মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারকে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফ এবং কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। এ ছাড়া সারাদেশে খাল খনন কর্মসূচি চালুর ঘোষণাও সরকারের উন্নয়ন ভাবনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে সহায়ক হলেও অর্থনীতিতে গতি আনতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিকল্প নেই। তবে ইতিবাচক পদক্ষেপের পাশাপাশি সমালোচনাও কম নয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ, প্রশাসনে দলীয় প্রভাব, সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পর্যায়ে প্রশাসক নিয়োগ—এসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার ঘটনাকেও অনেকে পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং চাঁদাবাজি রোধে সরকারের সাফল্য নিয়েও রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। নির্বাচনের আগে যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলো কতটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে—সেই প্রশ্ন এখনো স্পষ্ট নয়। কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও নানা ইস্যু সামনে এসেছে। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান তৈরির চেষ্টা লক্ষ করা গেলেও কিছু সিদ্ধান্ত বিতর্ক তৈরি করেছে। বিশেষ করে বিদেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের প্রত্যাহারের ধরন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে পেশাদারিত্ব নিয়ে। অন্যদিকে সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গেও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও সংস্কার প্রক্রিয়া কীভাবে এগোবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। সংসদের মাধ্যমেই পরিবর্তন আনা হবে—এমন ইঙ্গিত মিললেও সময়সীমা নিয়ে সংশয় রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের সামনে ভবিষ্যতে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে বিরোধী রাজনীতি, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিয়ে সিদ্ধান্ত। একই সঙ্গে সংসদে ক্ষমতার ভারসাম্য ও গণতান্ত্রিক চর্চা বজায় রাখাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। সব মিলিয়ে, এক মাসে সরকার কিছু প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু করলেও সমালোচনা ও বিতর্কও সমানতালে রয়েছে। ফলে এই সরকার শেষ পর্যন্ত নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, নাকি পুরোনো ধারাতেই চলবে—সেই প্রশ্নের উত্তর পেতে আরও সময় অপেক্ষা করতে হবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

আমরা দফায় দফায় রাষ্ট্রপতির নীতিগত বৈধতা অস্বীকার করেছি: জামায়াত আমির

আমরা দফায় দফায় রাষ্ট্রপতির নীতিগত বৈধতা অস্বীকার করেছি: জামায়াত আমির

সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা

সংসদ যেন চরিত্রহননের কেন্দ্র না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা

‘সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই’

‘সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই’

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
লারিজানি হত্যা : ‘চূড়ান্ত’ প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের
লারিজানি হত্যা : ‘চূড়ান্ত’ প্রতিশোধের হুমকি ইরানি সেনাপ্রধানের
ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি।  বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ হুমকি দিয়েছেন তিনি। বিবৃতিতে ইরানি সেনাপ্রধান বলেছেন, “আলী লারিজানি এবং অন্যান্য শহীদদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। উপযুক্ত সময়ে এবং স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীকে একটি চূড়ান্ত, প্রতিরোধমূলক এবং দুঃখজনক জবাব আমরা দেবো।” ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আলী লারিজানির হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইতোমধ্যে ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থলে এক গুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান অভিযান পরিচালনা করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেই অভিযানে লক্ষ্যবস্তু করা হয় আলী লারিজানিকে। হামলার পর তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছিল, লারিজানি নিহত অথবা আহত হয়েছেন। পরে বুধবার ৩টার দিকে লারিজানির মৃত্যু নিশ্চিত করে ইরান। আলী লারিজানি ইরানের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অন্যতম। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির একান্ত আস্থাভাজন হওয়ার কারণে লারিজানিকে খামেনির ‘ডানহাত’-ও বলা হতো। ইরানে চলমান যুদ্ধে নিহত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে লারিজানি সর্বজ্যেষ্ঠ। সর্বশেষ তাকে জনসম্মুখে দেখা গিয়েছিল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার। ওই দিনই তার মাথার দাম ১০ লাখ ডলার ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র : বিবিসি

মার্কিন মিডিয়ার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ ট্রাম্পের

মার্কিন মিডিয়ার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ ট্রাম্পের

‘সবচেয়ে তীব্র’ হামলার দিন পার করল ইরান, ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা

‘সবচেয়ে তীব্র’ হামলার দিন পার করল ইরান, ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা

শত্রুকে এক ইঞ্চি জমিও দখল করতে দেবে না ইরান: ভাষণে পেজেশকিয়ান

শত্রুকে এক ইঞ্চি জমিও দখল করতে দেবে না ইরান: ভাষণে পেজেশকিয়ান

‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনীর অপেক্ষায় আছি’

‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের স্থলবাহিনীর অপেক্ষায় আছি’

ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানো ‘সময়ের অপচয়’ বললেন ট্রাম্প

ইরানে মার্কিন সেনা পাঠানো ‘সময়ের অপচয়’ বললেন ট্রাম্প

যেভাবে খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা সাজিয়েছিল মোসাদ ও সিআইএ

যেভাবে খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা সাজিয়েছিল মোসাদ ও সিআইএ
নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ
নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ
বগুড়ার সান্তাহার রেলস্টেশনের কাছে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে এ দুর্ঘটনার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহার অতিক্রম করার সময় হঠাৎ কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে রেললাইনের ওপর বগিগুলো ছিটকে পড়ে এবং চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। লাইনচ্যুত বগিগুলো সরাতে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে দুর্ঘটনার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লাইনচ্যুত বগি সরিয়ে দ্রুত রেল চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল করতে পারছে না, ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান বলেন, নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছেড়ে এসে বেলা ২টার দিকে সান্তাহার স্টেশনে বিরতি করে। সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে ট্রেনটির ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। ট্রেনের ছাদে অনেক মানুষ থাকায় ছাদ থেকে পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন। বগিগুলো উদ্ধারের জন্য কাজ চলছে। এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আদমদীঘি ও সান্তাহারের মাঝামাঝি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী হতাহত হয়েছেন বলে খবর পেয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩

বগুড়ায় মাইক্রোবাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নিহত ৩

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ৪

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ৪

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণ, নিহত ২
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দারুণ এক রাতে নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার সোরলথের হ্যাটট্রিকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে ক্লাব ব্রুজকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে সমতা থাকায় মাদ্রিদের রিয়াধ এয়ার মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। ২৩তম মিনিটে গোলরক্ষক ইয়ান ওব্লাকের লম্বা কিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সোরলথ। ব্রুজের গোলরক্ষক সিমন মিনিওলে বল ঠেকালেও সেটি তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়। ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে জোয়েল অরদোনিয়েজের হেডে সমতায় ফেরে ব্রুজ। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ৪-৪। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর তিন মিনিটের মাথায় আবার লিড নেয় অ্যাটলেটিকো। যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার জনি কারদোসো বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক হাফ-ভলিতে বল জালে পাঠান। সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রুজ। তবে ম্যাচের শেষভাগে সোরলথের জোড়া গোলে ভেঙে পড়ে তাদের প্রতিরোধ। ৭৬তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আদেমোলা লুকমান ও আন্তোনিও গ্রিজমানের চমৎকার সমন্বয়ে কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা। ৮৭তম মিনিটে মৌসুমের নিজের ১৫তম গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সোরলথ এবং অ্যাটলেটিকোর বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ইংল্যান্ডের লিভারপুল অথবা টটেনহাম হটস্পার।

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ
জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ইতোমধ্যে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাধারণ সময়ে বাংলাদেশে দৈনিক জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রায় ১৪ হাজার টন। এর মধ্যে ডিজেলই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়—প্রায় ১২ হাজার টন। পেট্রোলের চাহিদা প্রায় ১২০০ টন এবং অকটেনের চাহিদা প্রায় ১১০০ টন। কিন্তু সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই চাহিদা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশেষ করে ৭ মার্চের বিক্রির পরিসংখ্যান পরিস্থিতির পরিবর্তনকে স্পষ্ট করে। গত বছর একই সময়ে যেখানে ডিজেল বিক্রি হয়েছিল প্রায় ১২ হাজার টন, সেখানে এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ হাজার ৯০০ টনে। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে বিক্রি স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার আশঙ্কায় অনেক পরিবহন মালিক ও ব্যবসায়ী আগাম জ্বালানি কিনে মজুত করার চেষ্টা করছেন। ফলে স্বাভাবিক বাজারের চাহিদার বাইরে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত চাহিদা সামাল দিতেই সরকার রেশনিং পদ্ধতি চালু করেছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সীমার বেশি তেল বিক্রি করা যাবে না। একই সঙ্গে ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পে সরবরাহও কিছুটা কমানো হয়েছে। নীতিনির্ধারকদের ধারণা, এতে কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মজুতের প্রবণতা কমবে এবং সীমিত মজুত দীর্ঘ সময় ধরে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় ডিজেল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প ও পরিবহন—সব ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার বেশি। বর্তমানে দেশে ডিজেলের মজুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টন। দৈনিক প্রায় ৯ হাজার টন সরবরাহ ধরে হিসাব করলে এই মজুত প্রায় ১৩ দিন চলতে পারে। তবে আগামী ১৩ মার্চের মধ্যে পাঁচটি জাহাজে আরও প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন ডিজেল দেশে আসার কথা রয়েছে। এই চালান যুক্ত হলে মোট মজুত দিয়ে প্রায় ২৯ দিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। অর্থাৎ আপাতত বড় ধরনের সংকট না থাকলেও পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক নয়। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে চিত্র আরও অস্বাভাবিক। যেখানে গত বছর একই সময়ে পেট্রোল বিক্রি হয়েছিল মাত্র দেড় হাজার টনের মতো, সেখানে এবার তা বেড়ে প্রায় ১২ হাজার ৪০০ টনে পৌঁছেছে। অকটেন বিক্রিও প্রায় দশ গুণ বেড়েছে। বর্তমান মজুত ও রেশনিং অনুযায়ী পেট্রোল প্রায় ১৭ দিন এবং অকটেন প্রায় ২৫ দিন সরবরাহ করা সম্ভব। তবে এসব জ্বালানির বড় অংশ দেশেই উৎপাদিত হওয়ায় তা দ্রুত মজুত বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দেশীয় রিফাইনারি ও কনডেনসেট শোধনাগার থেকে নতুন সরবরাহ যুক্ত হলে সংকট কিছুটা কমতে পারে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত মূলত আমদানিনির্ভর। দেশে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হয়, যা চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন করা হয়। এর পাশাপাশি বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টন পরিশোধিত তেল সরাসরি আমদানি করা হয়। এই পরিশোধিত তেলের বড় অংশ আসে ভারত ও চীন থেকে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হলে এই সরবরাহ শৃঙ্খলেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ ভারত ও চীনের অনেক রিফাইনারি তুলনামূলক কম দামে ইরান থেকে তেল কিনে তা পরিশোধন করে। ফলে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশও পরোক্ষভাবে সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী দেশে বিভিন্ন জ্বালানি তেলের মজুত কয়েক সপ্তাহের চাহিদা মেটানোর মতো রয়েছে। তবে চাহিদা যদি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তেই থাকে, তাহলে এই মজুত দ্রুত কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতি দেখিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় ঝুঁকি। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো, বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং মজুত সক্ষমতা বাড়ানো ছাড়া এই ঝুঁকি কমানো কঠিন। অতএব, বর্তমান সংকট কেবল একটি সাময়িক বাজার পরিস্থিতি নয়—বরং এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

এলপিজি বাজারে অস্থিরতা: আমদানি জটিলতা, ভোক্তার বাড়তি চাপ

এলপিজি বাজারে অস্থিরতা: আমদানি জটিলতা, ভোক্তার বাড়তি চাপ

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

বাংলাদেশের ডিম-মুরগিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো সৌদি

বাংলাদেশের ডিম-মুরগিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো সৌদি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য