• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে তোলা হবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত গড়ে তোলা হবে জ্বালানি অবকাঠামো: প্রধানমন্ত্রী
মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায়। মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করায় চীনা প্রতিনিধিদলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের উল্লেখ করে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসায় চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।

একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

পোশাকশিল্পে যা ঘটছে, তা স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পোশাকশিল্পে যা ঘটছে, তা স্বাভাবিক শ্রমিক আন্দোলন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে

মিরপুর বেড়িবাঁধে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত

মিরপুর বেড়িবাঁধে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে
বলপ্রয়োগ করে শ্রমিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
বলপ্রয়োগ করে শ্রমিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
চলমান পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন অত্যন্ত ন্যায্য ও যৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার শ্রমিকদের দাবি আমলে না নিয়ে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করছে। ভুলভাবে আন্দোলন মোকাবিলা করার কারণেই দেশের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গাজীপুরে জাতীয় শ্রমিক শক্তির গায়েবানা জানাজার কর্মসূচিতে হামলায় আহত নেতাকর্মীদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলন শুরু হয়েছে এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে। আন্দোলন শুরুর এক সপ্তাহ পর মজুরি বোর্ড গঠন করা হলেও পরবর্তী তিন দিন কোনো সভা হয়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় বুধবার প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সরকারের অবহেলার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দোলনটিকে শ্রমিক আন্দোলন নয় বলে মন্তব্য করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার এখনো এই আন্দোলনকে ন্যায্য ও গণতান্ত্রিক দাবির আন্দোলন হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। বরং বিভিন্ন ষড়যন্ত্রতত্ত্ব দিয়ে আন্দোলনকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতার সূচনা করেছে বিএনপি। শ্রমিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সহিংসতা চালানো হচ্ছে। গত মঙ্গলবার বিএনপির লোকজনকে হকিস্টিক ও স্টাম্প হাতে রাস্তায় নামানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, দলীয়ভাবে লোকজন নামিয়ে শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ ও দমনের চেষ্টা চলছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, শ্রমিক কলোনিতে গিয়ে শ্রমিকদের খোঁজা হচ্ছে, গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং মামলা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, ইতোমধ্যে অসংখ্য শ্রমিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যেভাবে শ্রমিক আন্দোলন দমন করা হতো, বর্তমান সরকারও একই কায়দায় আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। পোশাকশ্রমিক তৌফিকের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, তাঁর স্মরণে গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি ছিল। কিন্তু শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ওই কর্মসূচিতে পুলিশ, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনায় জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়কসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ১৭ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই তাঁরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন আন্দোলনে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলা হতো। এখন বিএনপি বিভিন্ন আন্দোলনে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলছে। এভাবে আন্দোলনের ন্যায্যতা নস্যাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করবে। তবে গত সাত মাস ধরে বিএনপি তাদের সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগকে কারা প্রশ্রয় দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, বিভিন্ন ঘটনায় বিএনপির লোকজন আওয়ামী লীগকে প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং বিচারের প্রশ্নে আপস করেছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যমত ভঙ্গের দায়ও বিএনপির ওপর চাপান তিনি। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতির দায় সরকার ও বিএনপিকে নিতে হবে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এখনো সময় আছে। টালবাহানা না করে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নিতে হবে। তাঁদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে আলোচনা করতে হবে। ইতোমধ্যে গঠিত মজুরি বোর্ডের ওপর শ্রমিকদের আস্থা নেই বলেও দাবি করেন তিনি। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, সরকারের আশ্বাসের প্রতিও শ্রমিকদের আস্থা নেই। কারণ, দাবি আদায়ের পরিবর্তে তাঁদের ওপর নির্যাতন, দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনের আগে সরকার জুলাই সনদ মেনে নেওয়া ও বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পর অবস্থান থেকে সরে এসেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, তাঁরা শ্রমিকদের ন্যায্য, অহিংস ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সহিংসতার মাধ্যমে এবং বিএনপি রাষ্ট্রীয় নির্যাতন-নিপীড়নের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের চেষ্টা করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এসব বিষয়ে শ্রমিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এ সময় শ্রমিকদের পক্ষে তিন দফা দাবি তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। দাবিগুলো হলো—মারা যাওয়া শ্রমিক তৌফিকের পরিবারকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা; গ্রেপ্তার শ্রমিক ও শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং অন্যায়ভাবে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার; আন্দোলন শেষে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই, হয়রানি, মামলায় জড়ানো কিংবা কালো তালিকাভুক্ত না করা। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের যৌক্তিক দাবিগুলো যতটুকু সম্ভব সরকারকে আন্তরিকভাবে মেনে নিতে হবে। এই আন্দোলন মালিকদের বিরুদ্ধে নয়, বরং শ্রমিকদের বেঁচে থাকার লড়াই। বাংলাদেশের পোশাকশিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে শ্রমিকদেরও বাঁচিয়ে রাখতে হবে। মালিক, শ্রমিক, পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট পক্ষ ও রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে সরকারকে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে আসার আহ্বান জানান এনসিপির আহ্বায়ক।

ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম

ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম

জনগণের রায় না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

জনগণের রায় না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম আইনপ্রণেতা
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ইতিহাস গড়লেন ৭ মুসলিম আইনপ্রণেতা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে অন্তত সাতজন মুসলিম আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হয়েছেন। দেশটির কংগ্রেসের দুই কক্ষেই মুসলিম প্রতিনিধিদের এই সাফল্যকে ঐতিহাসিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নির্বাচিতদের মধ্যে নতুন তিনজনের পাশাপাশি পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন চারজন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নাগরিক অধিকার, স্বাস্থ্যসেবা ও পররাষ্ট্রনীতি ছিল তাঁদের নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান বিষয়। তাঁদের কয়েকজন গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান, ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং ইসরাইলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধিতা করে প্রচার চালিয়েছেন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের বুধবারের (৪ নভেম্বর) প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য আবদুল এল-সাইয়েদ মিশিগান থেকে ৪২ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ রিপাবলিকান দলের সাবেক প্রতিনিধি মাইক রজার্সকে পরাজিত করে সিনেট সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। পেশায় চিকিৎসক এল-সাইয়েদ এর আগে জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসরে যাওয়া সিনেটর গ্যারি পিটার্সের আসনে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে ইসরাইলকে নিঃশর্ত মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের সমালোচনা করেন এল-সাইয়েদ। গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানকে গণহত্যা বলেও আখ্যা দেন তিনি। প্রচারের সময় তাঁর ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। নিউ জার্সিতে প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি আদম হামাউয়ি নিউ জার্সির ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ৫৬ বছর বয়সী আদম হামাউয়ি রিপাবলিকান প্রার্থী গ্রেগ মেলেকে পরাজিত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে নিউ জার্সি থেকে কংগ্রেসে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি হয়েছেন তিনি। পেশায় প্লাস্টিক সার্জন হামাউয়ি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক সামরিক চিকিৎসক। ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। ২০২৪ সালে গাজার ইউরোপীয় হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। নির্বাচনী প্রচারে সবার জন্য মেডিকেয়ার স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা ও শিক্ষাঋণ মওকুফ এবং অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (আইসিই) বিলুপ্ত করার পক্ষে কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে ইসরাইলকে মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধের দাবিও জানান। নিউইয়র্কে জয়ী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ে নিউইয়র্ক থেকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের আসনে জয়ী হয়েছেন। এর আগে দলের প্রাথমিক নির্বাচনে দীর্ঘদিনের প্রতিনিধি আদ্রিয়ানো এসপাইয়াতকে পরাজিত করেছিলেন তিনি। নাগরিক অধিকারবিষয়ক তদন্তকারী ও ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী শেভালিয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনে তিনি ৮৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছেন। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করা এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কাজ করা ছিল তাঁর প্রচারের অন্যতম প্রধান বিষয়। পুনর্নির্বাচিত চার মুসলিম আইনপ্রণেতা এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের চার মুসলিম সদস্যও পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন— রাশিদা তালিব ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ডেমোক্র্যাট রাশিদা তালিব মিশিগানের ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জেমস হুপারকে পরাজিত করেন। কংগ্রেসের একমাত্র ফিলিস্তিনি-আমেরিকান সদস্য হিসেবে তিনি বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের পক্ষে কাজ করে আসছেন। ইলহান ওমর ডেমোক্র্যাট ইলহান ওমর মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ডিভেল জ্যাকসনকে পরাজিত করেন। ১২ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ওমর ২০১৯ সালে দেশটির প্রথম সোমালি-আমেরিকান ফেডারেল আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব নেন। মানবিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দেশে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের ওপর নজরদারির পক্ষে তিনি সোচ্চার। আন্দ্রে কারসন ইন্ডিয়ানাপোলিসভিত্তিক সপ্তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্র্যাট আন্দ্রে কারসন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী প্যাট্রিক ম্যাকঅলি ও লিবার্টারিয়ান প্রার্থী জেমস সেনিয়াককে পরাজিত করেন। ২০০৮ সাল থেকে কংগ্রেসের সদস্য কারসন প্রতিনিধি পরিষদে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী মুসলিম আইনপ্রণেতা। লতিফা সিমন ক্যালিফোর্নিয়ার ইস্ট বে এলাকার ১২তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে ডেমোক্র্যাট লতিফা সিমন পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি একই দলের প্রার্থী জেমি জয়েসকে পরাজিত করেন। নির্বাচনী প্রচারে ইসরাইলকে আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের পক্ষে অবস্থান নেন তিনি। এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার আরেকটি কংগ্রেশনাল আসনে মুসলিম প্রার্থী আয়েশা ওয়াহাবও ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে ছিলেন। নির্বাচিত ও পুনর্নির্বাচিত মুসলিম আইনপ্রণেতাদের এই সাফল্যের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে নাগরিক অধিকার, মানবিক সহায়তা, পররাষ্ট্রনীতি ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাঁদের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে

ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা

আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত, ঢাকায় নেয়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান রঞ্জনের বড় ছেলে শাহরিয়ার জামান (৪০)। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার গচিহাটা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন আহত শাহরিয়ার জামানকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। রাত পৌনে ১০টার দিকে মুঠোফোনে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন তাঁর বাবা আখতারুজ্জামান রঞ্জন। তিনি জানান, বুধবার রাতে তাঁর ছেলে শাহরিয়ার জামান গচিহাটা বাজারে গিয়েছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিতভাবে তাঁকে ছুরিকাঘাত করে। তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মো. শাহরিয়ার বলেন, শাহরিয়ার জামানের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের কাটা ক্ষত রয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে জটিলতা এড়াতে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকার উচ্চতর হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কটিয়াদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থলে রয়েছেন। কারা এ ঘটনায় জড়িত, তা প্রাথমিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি তদন্ত করছে।

শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন

শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন

পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, ২৬৪ কারখানায় ছুটি ঘোষণা

পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, ২৬৪ কারখানায় ছুটি ঘোষণা

কোম্পানীগঞ্জে নতুন অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান, ২০ বছর উত্তোলনের পরিকল্পনা

কোম্পানীগঞ্জে নতুন অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান, ২০ বছর উত্তোলনের পরিকল্পনা
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে মারা গেছেন স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব টেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। আজ মঙ্গলবার ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার ক্লাব। গত সোমবার রাতে এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ম্যাচে খেলার সময় আরেক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দে মিগেল। ২-২ সমতায় থাকা ম্যাচের যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে লম্বা বল ক্লিয়ার করতে বক্স ছেড়ে বেরিয়ে আসেন আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনো। এ সময় তার হাঁটুর আঘাত লাগে দে মিগেলের বুকে। মাঠে পড়ে যান দে মিগেল। দুই দলের খেলোয়াড়েরা দ্রুত চিকিৎসাকর্মীদের ডাকেন। পাঁচ মিনিটের বেশি সময় মাঠেই চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর খবর জানায় টেনেরিফ। এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না। আমরা হেসুস দে মিগেল আলামেদার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি। এই শোক প্রশমনের কোনো ভাষা নেই।’ দে মিগেল ২০২৫ সালে কাস্তেয়ন থেকে টেনেরিফে যোগ দেন। গত মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে ১১ গোল করেছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে স্পেনের বিভিন্ন ক্লাব। দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ ও টেনেরিফের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদও।

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন

সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
একনেকে ৫৮ হাজার ৮৯ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি নতুন অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খনন। কূপ দুটি থেকে দৈনিক প্রায় ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ষষ্ঠ একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। তিতাসে খনন হবে দুটি নতুন গ্যাসকূপ দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খনন করা হবে। এ জন্য ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন দুটি কূপ থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়া যেতে পারে। বর্তমানে বিজিএফসিএল তাদের পরিচালনাধীন ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাসের ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি এবং ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে তিতাসের নতুন দুটি কূপ খননকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়বে, শিল্পের বিকাশে সহায়তা করবে এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। অন্যান্য প্রকল্পে বড় বরাদ্দ একনেক সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুটি এবং প্রতিরক্ষা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি করে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ২০৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার প্রকল্প। বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় খাল পুনঃখনন এবং নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৭৩০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া ৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়ন, ২ হাজার ৫৬৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প এবং ৩ হাজার ৯৫১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণে ১৭৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজধানীর জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণে ২০০ কোটি ১১ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট স্থাপনে ৫৩৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৪১ হাজার ৯০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকল্পটির ব্যয় ৫২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের পাঁচটি প্রকল্প পরিকল্পনামন্ত্রী ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছেন। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দিনাজপুরের জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়ন, ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের সম্প্রসারণ এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন। একনেক সভায় মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী