• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত
সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত
দেশে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের কোনো অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। তবে সিঙ্গেল-ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর বডির ধরন পরিবর্তন করে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাস হিসেবে সড়কে চালানো ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। বিআরটিএ গঠিত তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট পিটিশনের নির্দেশনার পর বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটিটি গঠন করা হয়। সম্প্রতি কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিআরটিএর ডাটাবেজ পর্যালোচনা করে ডাবল-ডেকার (স্লিপার নয়) হিসেবে এখন পর্যন্ত ৮২৯টি বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের কোনো অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। বিআরটিএ থেকে সিঙ্গেল-ডেকার বাস হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়ার পর কিছু বাসের মালিক মোটরযানের বডির ধরন পরিবর্তন করে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করেন। এসব বাস সড়কে চলাচলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সড়কে চলাচলরত তিনটি স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অননুমোদিত ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বিভাগকেও বিভিন্ন সময়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কোনো গাইডলাইন বা নীতিমালা নেই। এ কারণে বিআরটিএ এ ধরনের বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেয় না। সিঙ্গেল-ডেকার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন নেওয়া কোনো বাসের বডি ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসে পরিবর্তন করে ফিটনেস নবায়নের জন্য বিআরটিএতে আনা হলে তার ফিটনেস নবায়ন না করে রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব অননুমোদিত বাসকে রুট পারমিটও দেওয়া হয় না। কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী বর্তমানে শুধু সিঙ্গেল-ডেকার বাসের অনুমোদন ও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নত দেশের অভিজ্ঞতার আলোকে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতীয় গাইডলাইন বা নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম চলছে।

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা

অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগ: ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন হাসিনা কন্যা পুতুল

অনিয়ম–জালিয়াতির অভিযোগ: ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন হাসিনা কন্যা পুতুল

ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির

ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী: হুমায়ুন কবির

দুর্নীতি, সার সংকট ও প্রধান বিচারপতি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

দুর্নীতি, সার সংকট ও প্রধান বিচারপতি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভোলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানা গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
ভারতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়েছে, এই চ্যাপ্টার ক্লোজ: সারজিস আলম
ভারতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়েছে, এই চ্যাপ্টার ক্লোজ: সারজিস আলম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ভারতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগকে নিয়ে আর ভাবার কিছু নেই, এই অধ্যায় এখানেই শেষ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোলায় এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সারজিস আলম বলেন, বিএনপির কর্মকাণ্ড নিয়ে এনসিপির কঠোর আলোচনা ও সমালোচনা থাকবে। দলটি চাঁদাবাজি বা জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে জড়ালে সেটিও প্রকাশ্যে বলা হবে। তবে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের তুলনা করা হবে না। তিনি বলেন, বিএনপির গত ছয় মাসের কর্মকাণ্ডে তারা মোটেও সন্তুষ্ট নন। তাদের মনে হচ্ছে, বিএনপি ধীরে ধীরে রাজনৈতিক অবস্থান থেকে লাইনচ্যুত হচ্ছে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। সারজিস আলমের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিএনপি দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি করছে। চাকরির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, এটি বিএনপির পুরোনো কৌশল এবং দলটিকে এই অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘তারা যদি এই জায়গা থেকে বেরিয়ে না আসে, তাহলে আমরা রাজপথে তাদের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর কর্মসূচি পালন করব।’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপিকে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় রাখা সম্ভব হবে না বলেও মন্তব্য করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘তারা গণভোটের রায় যদি বাস্তবায়ন না করে, তাহলে পাঁচ বছর তাদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না।’ এর আগে সাংগঠনিক সমন্বয় সভায় দলীয় নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন সারজিস আলম। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা, থানা ও ইউনিয়নে কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি। সভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী সালমান ও রায়হানুল ইসলাম, ভোলা জেলা সভাপতি মাকসুদুর রহমানসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান

তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরব সারজিস আলম

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরব সারজিস আলম

জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে কেউ ছাড় পাবে না: জামায়াত আমির

জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে কেউ ছাড় পাবে না: জামায়াত আমির

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৫ ইরানি ট্যাংকার অচল, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৫ ইরানি ট্যাংকার অচল, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও সামরিক উত্তেজনা বেড়েছে। ওমান উপসাগর ও ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপের কাছে পাঁচটি ইরানি ট্যাংকারে হামলা চালিয়ে সেগুলো অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা জবাবে জর্ডানের আল আজরাক এলাকায় অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ট্যাংকারগুলোতে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। সেন্টকমের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে টহলরত মার্কিন যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে গত রোববার ও সোমবার ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় পাঁচটি ইরানি ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার শিকার ট্যাংকারগুলো হলো— এম/টি কাভিজ, এম/টি চারমিনার, এম/টি হরাইজন ১, এম/টি রিয়েস্কো এবং এম/টি দেরিয়া। এর মধ্যে প্রথম চারটি ওমান উপসাগরে এবং পঞ্চমটি খার্গ দ্বীপের কাছে অবস্থান করছিল। সেন্টকম জানিয়েছে, হামলায় ট্যাংকারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো ক্রু নিহত বা আহত হননি। হামলার আগে জাহাজের ক্রুদের নিরাপদে জাহাজ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিও ট্যাংকারগুলোতে মার্কিন হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। এদিকে হামলার জবাবে জর্ডানের আল আজরাকের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার দাবি করেছে আইআরজিসি। জর্ডানের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলেও তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করে দেয়। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর পর তার জবাব হিসেবে জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এ ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগও স্বীকার করেছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুই ডেস্ট্রয়ার— ইউএস নেভি ডিডিজি-১১৯ ও ইউএস নেভি ডিডিজি-৫৩— গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ কুয়েত ও বাহরাইনের বন্দরগুলোতে হামলার হুমকিও দিয়েছে আইআরজিসি। বন্দরে থাকা তেলবাহী ট্যাংকারের ক্রুদের অবিলম্বে জাহাজ ছেড়ে যাওয়ার সতর্কবার্তা দিয়ে সংগঠনটি বলেছে, এসব জাহাজ ভবিষ্যতে লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা

অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা

অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭

ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনা নিহত, আহত এক
হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনা নিহত, আহত এক
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। আইএসপিআর জানায়, হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুই সেনাসদস্য নিহত এবং এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৩

গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৩
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
ভেনিসে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন অভিনেত্রী বাঁধন
ভেনিসে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন অভিনেত্রী বাঁধন
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
সেমিফাইনালে আবারও ভারত, চাপ নয় উপভোগ করতে চায় বাংলাদেশ
সেমিফাইনালে আবারও ভারত, চাপ নয় উপভোগ করতে চায় বাংলাদেশ
নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে আবারও ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হলেও ম্যাচটিকে চাপ হিসেবে দেখছে না নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় জানিয়েছে বাংলাদেশ। ভারত দুর্দান্ত ফর্মে থেকে সেমিফাইনালে উঠেছে। বিপরীতে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের ব্যাটিং এখনো আশানুরূপ নয়। ফলে জ্যোতির দলের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ফল নিয়ে আগেভাগে ভাবতে চাননি। তিনি বলেন, ভারত খুব শক্তিশালী দল। তাদের বিপক্ষে নিজেদের সেরা ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবেন তারা। ফলাফল যা-ই হোক, মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে হবে। ভারতের বিপক্ষে খেলাকে চাপ হিসেবে দেখছেন না ব্যাটার শারমিন আক্তার সুপ্তাও। তিনি বলেন, নেতিবাচক চিন্তা করলে ম্যাচটি চাপ হয়ে উঠতে পারে। তবে ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগকে তারা উপভোগ করছেন। চ্যাম্পিয়ন হতে হলে এমন দলের বিপক্ষেই খেলতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আরব আমিরাতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়েও কথা বলেন শারমিন। তার মতে, এমন পরিস্থিতি মাঝেমধ্যে হতেই পারে। ওই ম্যাচে এক প্রান্ত আগলে রেখে শেষের দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে জুটি গড়ার প্রয়োজন ছিল। শুরুতেই পাঁচ-ছয়টি উইকেট হারালে বড় সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে নাহিদা দারুণ ব্যাটিং করে তাকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছেন বলে জানান তিনি। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়ে এবারের এশিয়া কাপ শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে যায় দলটি। ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল সেমিফাইনালে ওঠার জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। সেই ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ১০৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। পরে বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় জ্যোতির দল। রাবেয়া খান তিনটি এবং মারুফা আক্তার ও নাহিদা আক্তার দুটি করে উইকেট নেন। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রানেই থামে আরব আমিরাতের ইনিংস।

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

৩৬ বছরেও ফেরার স্বপ্ন দেখেন ভুবনেশ্বর

৩৬ বছরেও ফেরার স্বপ্ন দেখেন ভুবনেশ্বর

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
জ্বালানি স্বনির্ভরতা নাকি আমদানিনির্ভরতা—কোন পথে বাংলাদেশ?
জ্বালানি স্বনির্ভরতা নাকি আমদানিনির্ভরতা—কোন পথে বাংলাদেশ?
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। প্রায় দুই দশক ধরেই দেশের গ্যাস মজুত কমে আসা এবং ভবিষ্যতে সংকটের আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছিল। ২০০২ সাল থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, দেশের তুলনামূলক সস্তা জ্বালানি প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ২০৩০-৩১ সালের দিকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, জ্বালানি খাতের উন্নয়ন ও নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারের পরিবর্তে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভর সমাধানের দিকে এগিয়েছে। এর প্রভাব এখন জ্বালানি খাতের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান। একসময় মূলত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশ। এখন কয়লা, এলএনজি ও জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রেই আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। জ্বালানি ও অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিক শাহরিয়ার খানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশ বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানি করে। এতে ব্যয় হয় প্রায় ১ দশমিক ১৯ থেকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে এলএনজি আমদানিতে বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এই ব্যয় ২০২৯-৩০ অর্থবছর নাগাদ বেড়ে ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এ পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—বাংলাদেশ কি জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্বনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে, নাকি আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি আরও বাড়ছে? দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক এম তামিমের মতে, বিদ্যমান গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন বাড়াতেই দুই থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উৎপাদনে যেতে আরও বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে। তাই তাঁর মতে, শুধু দেশীয় গ্যাসের ওপর নির্ভর না করে এলএনজি আমদানি, স্থল ও সমুদ্রভিত্তিক গ্যাস অনুসন্ধান এবং সৌরবিদ্যুৎ—সবগুলোকে সমন্বিত কৌশলের আওতায় আনতে হবে। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট নতুন সৌরবিদ্যুৎ এবং আরও ২ হাজার মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার সম্ভাবনার কথাও বলেছেন। বাড়ছে আমদানির খরচ আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার বড় ঝুঁকি শুধু ব্যয় নয়, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাও। যুদ্ধ, সংঘাত ও বৈশ্বিক বাজারে দামের ওঠানামা সরাসরি বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যয়ে প্রভাব ফেলে। চলতি বছরের জ্বালানি সংকটে বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে ১১টি এলএনজি কার্গো কিনতে হয়েছে। প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটে গড়ে ২১ দশমিক ৩৫ ডলার দরে কেনা এসব এলএনজির পেছনে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮৮০ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বাংলাদেশ বিশ্লেষক ড. শফিকুল আলম মনে করেন, আমদানি করা জ্বালানির দামের অস্থিরতা থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষা দিতে হবে। এ জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে পিছিয়ে বাংলাদেশ জ্বালানি নিরাপত্তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ নবায়নযোগ্য শক্তি। তবে এ খাতেও বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রত্যাশার তুলনায় ধীর। শাহরিয়ার খানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ এসেছিল নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। অথচ সে সময় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে ২০২৬ সালে আমদানিকৃত গ্যাস, কয়লা এবং প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি করা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎসহ আমদানিনির্ভর উৎস থেকে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের অংশ বেড়ে প্রায় ৬০ শতাংশ হয়েছে। ২০২১ সালে এ হার ছিল ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশের আমদানিনির্ভরতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অর্থনীতিতে বাড়ছে ঝুঁকি সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মনে করেন, আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। তাঁর পরামর্শ—দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান দ্রুত করতে হবে, আবিষ্কৃত গ্যাস দ্রুত জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে এলএনজিনির্ভর অবকাঠামো সম্প্রসারণের পরিবর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। সামনে কোন পথ? জ্বালানি স্বনির্ভরতা বলতে সব জ্বালানি দেশের মাটির নিচ থেকেই উত্তোলন করতে হবে—এমন নয়। বরং দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, সৌর ও বায়ুশক্তির সম্প্রসারণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং আমদানির ঝুঁকি কমানো—সবগুলোকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়াই হতে পারে বাস্তবসম্মত পথ। শুধু এলএনজি টার্মিনাল বাড়িয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আবার দেশীয় গ্যাসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে না। বাংলাদেশ এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—দেশ কি ক্রমবর্ধমান আমদানি ব্যয়ের ওপর নির্ভরশীল থাকবে, নাকি এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যেখানে আমদানি থাকবে, কিন্তু দেশের ভবিষ্যৎ পুরোপুরি আমদানির ওপর নির্ভর করবে না? জ্বালানি নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই সিদ্ধান্তের ওপর।

দুর্গাপূজায় আবারও বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত

দুর্গাপূজায় আবারও বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত

নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী