• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
মিরপুর বেড়িবাঁধে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত
মিরপুর বেড়িবাঁধে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৪ যাত্রী নিহত
রাজধানীর মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় বাসের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চার যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী রয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নবাবেরবাগ উত্তরপাড়া এলাকার সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কল্যাণপুর ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুর্ঘটনাটি মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় ঘটেছে, যা শাহ আলী থানা এলাকার অন্তর্ভুক্ত। দুর্ঘটনায় জড়িত বাসটি এশিয়ান ইউনিভার্সিটির নিজস্ব বাস। নিহতদের মরদেহ শাহ আলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইকবাল সোবহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইকবাল সোবহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতু, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ

মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ
ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম
ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে: নাহিদ ইসলাম
ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিপ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পাবনা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা এনসিপির সাংগঠনিক ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভার পূর্বে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম, ডিসেম্বরে কোনো কিছুই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সরকারের যে ব্যর্থতা যে পারফরমেন্স সেইটার ওপরে আস্থা নেই। তাই ডিসেম্বরে কিছু হলে সরকারের ব্যর্থতার কারণে হবে এবং সরকার আর আওয়ামী লীগের সমঝোতার কারণেই হবে। এইটা এনসিপি রাজপথে থেকে প্রতিহত করবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, সরকারের নৈরাজ্য, ব্যর্থতা, গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আমরা কর্মসূচি পালন করছি। আমরা জনগণকে আহ্বান করবো আপনারা রাজপথে নামুন । কারণ রাজপথেই এই সরকারকে জবাব দিতে হবে। এছাড়া সরকারকে শায়েস্তা করতে আর কোনো উপায় নেই। নাহিদ ইসলাম বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন একটি যৌক্তিক আন্দোলন। সরকার সঠিক সময়ে পরিকল্পনা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় আজকে এই আন্দোলনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কোনো একটা ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে পার হওয়া যায় না। যদি এই আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকে থাকে এবং নৈরাজ্য করে, তাহলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। সারাদেশে ফ্যাসিস্টের নেতাকর্মীদের পেলে পুষে রাখছে বিএনপিই। আওয়ামী লীগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু এখন বিএনপির দখলে। মতবিনিময় সভায় এনসিবির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জোনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তির আহ্বায়ক মাহিন সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জনগণের রায় না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

জনগণের রায় না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯২৯

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০
ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে
ট্রাম্পের বড় ধাক্কা, সিনেটের পর প্রতিনিধি পরিষদও যাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের দখলে
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সিনেটের পর এবার প্রতিনিধি পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট পার্টি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের নির্বাচনী পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এনবিসি নিউজের প্রকাশিত নির্বাচনী হিসাব অনুযায়ী, প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটরা ২২১টি এবং রিপাবলিকানরা ১২৮টি আসনে জয় পেয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন। সেই হিসাবে নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হয়েছে ডেমোক্র্যাটদের। সংবাদমাধ্যমটির সম্ভাব্য চূড়ান্ত ফলাফলের পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটদের ২৫৫টি এবং রিপাবলিকানদের ১৮০টি আসন পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে সব আসনের ভোট গণনা শেষ না হওয়ায় এই হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে। অন্যদিকে, ১০০ সদস্যের সিনেটেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষে দলটির আসনসংখ্যা ৫৩টি। বিপরীতে রিপাবলিকানদের আসন ৪১টি। সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৫১টি আসন। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ আসতে পারে। আগামী দুই বছর গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় অনুমোদন এবং প্রশাসনিক নীতি বাস্তবায়নে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে সমঝোতা করতে হতে পারে রিপাবলিকান প্রশাসনকে। বিশেষ করে অভিবাসননীতি, শুল্ক আরোপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও ইরান যুদ্ধ পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কংগ্রেসের কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের সুযোগও বাড়বে ডেমোক্র্যাটদের। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে ট্রাম্পের দল

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

১২০ কিমি গতিতে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’

আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা

আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৬৪ জন নিহত

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৬৪ জন নিহত
শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন
শ্রমিকদের অবরোধে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ, বিজিবি মোতায়েন
বেতন বৃদ্ধি ও বিভিন্ন দাবিতে গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এতে মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। সকালে নাওজোড় এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। তাঁদের সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে গাজীপুরের চন্দ্রায় ডিভাইন ও ইন্টার স্টপ কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গাজীপুরে বিজিবি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। ১০ প্লাটুন থেকে বাড়িয়ে ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৫ জন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন জানান, সকাল ৮টার কিছু আগে শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মৌচাক এলাকায় অবরোধের চেষ্টা করেন। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের সরিয়ে দেন। এদিকে, আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায়ও সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন শ্রমিকেরা। নিরাপত্তা শঙ্কায় অধিকাংশ কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক দিন ধরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আন্দোলনের কারণে বেশ কয়েকটি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, ২৬৪ কারখানায় ছুটি ঘোষণা

পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সাভার-আশুলিয়া, ২৬৪ কারখানায় ছুটি ঘোষণা

কোম্পানীগঞ্জে নতুন অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান, ২০ বছর উত্তোলনের পরিকল্পনা

কোম্পানীগঞ্জে নতুন অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান, ২০ বছর উত্তোলনের পরিকল্পনা

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশ বক্সে আগুন

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, পুলিশ বক্সে আগুন
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
ফের এক সিনেমায় চঞ্চল-তুষি-সিয়াম
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
৫৩ বছরে ঐশ্বরিয়া, কত সম্পদের মালিক বিশ্বসুন্দরী?
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর স্প্যানিশ স্ট্রাইকারের মৃত্যু
মাঠে গোলকিপারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে মারা গেছেন স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব টেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। আজ মঙ্গলবার ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তার ক্লাব। গত সোমবার রাতে এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ম্যাচে খেলার সময় আরেক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় দে মিগেল। ২-২ সমতায় থাকা ম্যাচের যোগ করা সময়ের সপ্তম মিনিটে লম্বা বল ক্লিয়ার করতে বক্স ছেড়ে বেরিয়ে আসেন আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনো। এ সময় তার হাঁটুর আঘাত লাগে দে মিগেলের বুকে। মাঠে পড়ে যান দে মিগেল। দুই দলের খেলোয়াড়েরা দ্রুত চিকিৎসাকর্মীদের ডাকেন। পাঁচ মিনিটের বেশি সময় মাঠেই চিকিৎসা দেওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যুর খবর জানায় টেনেরিফ। এক বিবৃতিতে ক্লাবটি জানিয়েছে, ‘কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছি না। আমরা হেসুস দে মিগেল আলামেদার মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানাচ্ছি। এই শোক প্রশমনের কোনো ভাষা নেই।’ দে মিগেল ২০২৫ সালে কাস্তেয়ন থেকে টেনেরিফে যোগ দেন। গত মৌসুমে ক্লাবটির হয়ে ১১ গোল করেছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে স্পেনের বিভিন্ন ক্লাব। দে মিগেলের পরিবার, সতীর্থ ও টেনেরিফের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদও।

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

বোলার হান্টে নতুন প্রতিভার সন্ধান পেয়েছেন মুশতাক আহমেদ

সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন

সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে
ডিসেম্বর থেকে কার্যকর পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি, বাড়তি বেতন মিলবে জানুয়ারিতে
তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন নিম্নতম মজুরি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করার বিষয়ে একমত হয়েছেন মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। ডিসেম্বর মাসের বেতন জানুয়ারিতে পরিশোধের সময় নতুন মজুরি অনুযায়ী বাড়তি টাকা পাবেন শ্রমিকরা। ডিসেম্বরের মধ্যেই নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন উভয় পক্ষ। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বোর্ডের শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার। বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে সভা শুরু হয়। বাবুল আখতার বলেন, সভায় শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব ও বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। মালিকপক্ষের প্রতিনিধিও নতুন মজুরি ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকরের বিষয়ে একমত হয়েছেন। জানুয়ারিতে ডিসেম্বর মাসের বেতন দেওয়ার সময় শ্রমিকরা নতুন মজুরি অনুযায়ী বর্ধিত বেতন পাবেন। এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য নেই। তিনি বলেন, মজুরি নির্ধারণের দায়িত্ব সরকারের নিম্নতম মজুরি বোর্ড ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের। কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রেখে আন্দোলন করলেই কোনো একক মালিকের পক্ষে নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই শ্রমিকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান তিনি। শ্রমিকদের অন্যান্য সমস্যা তুলে ধরে বাবুল আখতার বলেন, শ্রম আইন বাস্তবায়ন না হওয়া, ট্রেড ইউনিয়ন করতে না পারা, ছুটি না পাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের বঞ্চনা দীর্ঘদিনের। এসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হবে। মজুরির দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন বিভিন্ন অঙ্কের মজুরি প্রস্তাব করেছে। কেউ ৩০ হাজার টাকা, কেউ ২৭ হাজার টাকা, আবার কেউ ডলারের হিসাবে মজুরি দাবি করেছে। তবে সব শ্রমিক ফেডারেশন একসঙ্গে বসে একটি সমন্বিত দাবি তৈরি করে পরবর্তী সভায় বোর্ডের কাছে উপস্থাপনের চেষ্টা করবে। বোর্ডের নিরপেক্ষ সদস্যের কাছেও শ্রমিকদের জন্য যৌক্তিক মজুরির প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মালিক, শ্রমিক ও নিরপেক্ষ সদস্যের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে বোর্ড সুপারিশ তৈরি করবে। পরে তা শ্রম মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সরকার সেই সুপারিশ বিবেচনা করে গেজেট প্রকাশ করবে। আন্দোলনে সহিংসতা না করার আহ্বান চলমান শ্রমিক আন্দোলনে সহিংসতার বিষয়ে বাবুল আখতার বলেন, আন্দোলনে তৃতীয় পক্ষ বা রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা হচ্ছে। শ্রমিকদের এ ধরনের কোনো ইন্ধনের শিকার না হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ একটাই—শিল্প টিকে থাকতে হবে, কাজ করতে হবে এবং ন্যায্য পাওনা বুঝে পেতে হবে। শ্রমিকনেতা ও সাধারণ শ্রমিকদের গ্রেপ্তার না করা, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে নির্যাতন না করা এবং ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার দাবিও জানান তিনি। মালিকপক্ষও একমত সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম সামছুদ্দিন বলেন, মালিক ও শ্রমিকপক্ষ অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছেন। ডিসেম্বরের মধ্যে মজুরি নির্ধারণের কার্যক্রম শেষ করতে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। তিনি বলেন, শ্রমিকরা যাতে ডিসেম্বর মাসের বেতন জানুয়ারিতে পাওয়ার সময় নতুন মজুরি অনুযায়ী বাড়তি টাকা পান, সে বিষয়ে মালিকপক্ষের কোনো দ্বিধা নেই। এ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন। শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই মজুরি বোর্ড কাজ করছে। ডিসেম্বরের মধ্যে প্রক্রিয়া শেষ করার বিষয়ে তাঁরা আশাবাদী। সভায় বোর্ডের নিরপেক্ষ সদস্য ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি আসিফ আইয়ুব এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

চারদিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব : পেট্রোবাংলা

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতির ইতিবাচক আভাস, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, নতুন মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা

২২৩ টাকা বাড়ল ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, নতুন মূল্য ২ হাজার ৬০ টাকা

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমান: ২৯৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ, শতভাগ পাস ১৩৯টিতে

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী