• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : মাহদী আমিন
আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার : মাহদী আমিন
আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশি কর্মীদের প্রথম ব্যাচ মালয়েশিয়ায় যেতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মাহদী আমিন বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই বাংলাদেশি কর্মীদের প্রথম ব্যাচ মালয়েশিয়ায় যেতে শুরু করবে। একই সঙ্গে আগের সিন্ডিকেট ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নতুন তালিকায় রাখা হবে না। তিনি বলেন, যারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, যারা অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছিল, যারা সিন্ডিকেটের অংশ ছিল, তাদের কেউ নতুন তালিকায় থাকবে না। মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, যারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, যারা অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছিল, যারা সিন্ডিকেটের অংশ ছিল, তাদের কেউ নতুন তালিকায় থাকবে না। মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া উভয় দেশই দ্রুত শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে একমত হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যত দ্রুত সম্ভব শ্রমবাজার খুলে বাংলাদেশের জনশক্তির জন্য মালয়েশিয়ার বাজার উন্মুক্ত করা হবে। সব সেক্টর ও সাব-সেক্টরেই বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের সুযোগ থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগস্টের শেষ সপ্তাহ নাগাদ বাংলাদেশি কর্মীদের প্রথম ব্যাচ মালয়েশিয়ায় যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ করা হয়েছে। এতে ব্যয় কমানো, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ঢাকায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

ঢাকায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপির ‘ঝুঁকি এড়ানো’ কৌশল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে বিএনপির ‘ঝুঁকি এড়ানো’ কৌশল

‘সব স্তরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছি, সম্পর্ক এ‌গিয়ে যাচ্ছে’

‘সব স্তরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক রাখছি, সম্পর্ক এ‌গিয়ে যাচ্ছে’

৩১ বছরেও বাসযোগ্য নয় পূর্বাচল, এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে রাজউক

৩১ বছরেও বাসযোগ্য নয় পূর্বাচল, এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে রাজউক

অর্থঋণ আইনের নিলাম চ্যালেঞ্জে রিট গ্রহণযোগ্য নয় : হাইকোর্টের রায়

অর্থঋণ আইনের নিলাম চ্যালেঞ্জে রিট গ্রহণযোগ্য নয় : হাইকোর্টের রায়

এমপি হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই

এমপি হিসেবে সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই
বিএনপি নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম
বিএনপি নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার অগণতান্ত্রের পথে হাঁটছে। নব্য স্বৈরাচার হওয়ার পথে হাঁটছে। মানুষ কষ্টে আছে, গ্যাসের দাম , সবজির দাম, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দুই দিন আগে টিসিবির লাইনে দাঁড়িয়ে এক মহিলা মারা গেছে। কিন্তু বিরোধীদল হিসেবে আমরা এগুলোর সমালোচনা করতে পারবো না। সমালোচনা করলে আমাদের চোখ উপড়ে ফেলা হচ্ছে। আমাদের রাস্তায় ট্রাক্টর, বালু ছাড়া ট্রাক ফেলা হচ্ছে। এটা হচ্ছে তারেক রহমানের আই হ্যাভ এ প্ল্যানের নমুনা।  বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার উত্তর বাজারে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  নাহিদ ইসলাম বলেন, যারা হামলা করে, রাস্তায় ট্রাক বসিয়ে ভেবেছিল জুলাই পদযাত্রা বন্ধ করে দেবে, কানাইঘাটবাসী আজকে তাদেরকে ব্যর্থ প্রমাণ করেছে। আমাদের জুলাইয়ের যে অঙ্গীকার- সংস্কার এবং বিচার, সেই দাবিতে কথা বলতে এসেছি।  তিনি বলেন, অতীতে দেখেছি দমন-পীড়ন করে, বাধা দিয়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে থামানো যায় না। দুঃখের বিষয় পাটক্ষেতে-ধানক্ষেতে যে সকল সৈনিকেরা এত বছর লুকিয়েছিল, যে সকল সৈনিকেরা জেলের ভিতরে ছিল, লন্ডনে কিংবা শিলংয়ে ছিল। জনগণের রক্তের বিনিময়ে তারা ক্ষমতায় এসে জনগণের ওপরে আবার জুলুম শুরু করেছে। এটা দ্বারা প্রমাণ হয় বিএনপি গত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে নাই। তারা অপেক্ষায় ছিল। তারা লড়াই করেছিল ক্ষমতায় গিয়ে কীভাবে জনগণের ওপর আবার জুলুম করবে? কীভাবে চাঁদাবাজি করবে? কীভাবে সন্ত্রাস করবে? কীভাবে জমি দখল, ভূমি দখল করবে। কিন্তু আমাদের ওয়াদা- বিএনপি যদি সেই পথে হাঁটে স্বৈরাচার এবং সন্ত্রাসের পথে হাঁটে আমরা লক্ষ-কোটি জনতা ঐক্যবদ্ধ আছি আমরা আবু সাঈদের উত্তরসূরি, ওসমান হাদির উত্তরসূরি ঐক্যবদ্ধ আছি নিজেদের জীবন ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে নতুন কোন কোনো স্বৈরাচার এবং জুলুমবাজকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না।  এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, প্রিয় তারেক রহমান আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আপনি বলেছিলেন দেশে এসে, আপনার পরিকল্পনা রয়েছে। এটা আপনার কেমন পরিকল্পনা। একজন কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীর চোখ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। হবিগঞ্জের জিকে গউছের অনুসারীরা হামলা করে রড দিয়ে একটা চোখ নষ্ট করে ফেলেছে একজন কিশোর জুলাই যোদ্ধার। এই চোখ তারেক রহমান আপনাকে ফেরত দিতে হবে। শেখ হাসিনা শত শত আমার ভাই-বোনের চোখ নষ্ট করে, গুলি করে আজকে দিল্লিতে নির্বাসিত। তারেক রহমান এই নতুন বাংলাদেশে আমার আরেক ভাইয়ের চোখ নষ্ট করে কী বার্তা দিতে চাচ্ছেন? বাংলাদেশের জনগণ এটা মেনে নেবে না। অবশ্যই সেই কিশোরের চোখ কীভাবে ফেরত দেবেন আমরা জানি না। কিন্তু সেই চোখ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না।  তিনি বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধা করি, বেগম জিয়াকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ছবি পোস্টার টানিয়ে, বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোস্টার টানিয়ে আপনারা সন্ত্রাস করবেন, জমি দখল করবেন, ভূমি দখল করবেন এটা আমরা মেনে নেব না। বিগত ১৬ বছর এই দেশে মুজিবের নামে ব্যবসা হয়েছে। এখন আমরা জিয়াউর রহমানের নামে কোনো ব্যবসা হতে দেবো না। অবিলম্বে জিয়া ব্যবসা বন্ধ করেন। সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করেন। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। কথা বলার অধিকার থাকতে হবে। জনগণের কর্মসংস্থানের অধিকার, জনগণের খাবারের অধিকার সবকিছু নিশ্চিত করতে হবে। সংস্কার নিশ্চিত করতে হবে, বিচার নিশ্চিত করতে হবে।  নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা স্পষ্ট নমুনা দেখতে পাচ্ছি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কী হতে যাচ্ছে। এই সকল লাঠিয়াল বাহিনী, সন্ত্রাসীদেরকে দিয়ে আবারো ভোট টেকিং করা হবে। জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে।  আপনাদেরকে সেটার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা জাতীয় নির্বাচনে যে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে তা ঠেকাতে পারি নাই। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি, কোনো ধরনের লাঠিয়ার বাহিনী, কোন ধরনের সন্ত্রাসীদেরকে আমরা জায়গা করতে দেব না।  পথসভায় আরও বক্তব্য দেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

গুলশান থেকে লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

গুলশান থেকে লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

হবিগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, সারজিসসহ আহত অনেকে

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মাঝে জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী। তবে ইরানের ছোড়া এসব ক্ষেপণাস্ত্র নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জর্ডানের সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবারের এই হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে আম্মান। পরবর্তীতে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) জর্ডানের আল-আজরাক বিমানঘাঁটিতে হামলার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছে, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডান সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে ইরান থেকে জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে আমাদের নির্ধারিত প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা অনুযায়ী সব ক্ষেপণাস্ত্র মাঝআকাশে ধ্বংস করা হয়েছে।’’ অন্যদিকে এক বিবৃতিতে ইরানের আইআরজিসি বলেছে, ‘‘যুক্তরাষ্ট্র আপনার দেশের (জর্ডান) দখলকৃত সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করে কেশম দ্বীপে দুটি সাধারণ বসতবাড়িতে বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ফেলে বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন ওই বিমান হামলায় এক দম্পতি ও তাদের এক সন্তান নিহত এবং আরও দুই শিশু গুরুতর আহত হয়েছে।’’ কয়েক দিনের সাময়িক বিরতির পর বুধবার রাতে আবারও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর আগের হামলার জবাবে এবার ইরানে ‘ভারী’ বিমান হামলা চালানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন করে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি শান্ত করতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা বৃহস্পতিবার বলেছেন, উত্তেজনা কমানোর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে। সূত্র: এএফপি।

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়া শপিং মলের ভেতর বহু মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়া শপিং মলের ভেতর বহু মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা

৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, জারি সুনামি সতর্কতা

৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, জারি সুনামি সতর্কতা

বৃষ্টি ও বর্ষাকালীন দুর্যোগ : পাকিস্তানে এক মাসে ১০৭ জনের মৃত্যু

বৃষ্টি ও বর্ষাকালীন দুর্যোগ : পাকিস্তানে এক মাসে ১০৭ জনের মৃত্যু

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত
আফালের সঙ্গে সুনামগঞ্জবাসীর আজন্ম লড়াই
আফালের সঙ্গে সুনামগঞ্জবাসীর আজন্ম লড়াই
হাওরের বুকজুড়ে বইছে বাতাস আর বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একের পর এক আফাল (হাওরের উত্তাল ঢেউ) আছড়ে পড়ছে বসতভিটার গায়ে। প্রতিটি ঢেউয়ে কেঁপে উঠছে মাটি। ঘরের পাশে ভেসে আসা কচুরিপানা, খড়কুটা আর বাঁশের খুঁটি জড়ো করে আফালের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের বাহাদুর গ্রামের বাসিন্দা হিমাংশু বর্মণ। কয়েক হাত দূরে খেলছে তার দুই বছরের সন্তান। এই ভিটাটুকুই তার পরিবারের শেষ আশ্রয়। সরেজমিনে দেখা যায়, শুধু হিমাংশু বর্মণ নন, বাহাদুর গ্রামের ১১১টি পরিবারের সবার গল্পই প্রায় একই। একদিকে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অন্যদিকে আফাল। বর্ষা এলেই ৫০ থেকে ১০০ ফুট প্রস্থের এই গ্রামটি চারদিক থেকে পানিতে ঘিরে যায়। হাঁটার মতো শুকনো জায়গা থাকে না। আফালের একের পর এক আঘাতে বসতভিটার মাটি ধসে পড়ে হাওরে। ইতোমধ্যে এই গ্রামের ২০টির মতো ঘর আফালে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হিমাংশু বর্মণ বলেন, আমার বাপ-দাদারাও এভাবেই জীবন কাটিয়ে গেছেন। এবারও বোরো ফসলটা নষ্ট হয়ে গেল। এখন আফাল থেকে ঘর বাঁচানোর লড়াই করছি। হাত গুটিয়ে বসে থাকলে আমাদের শেষ সম্বলটুকুও ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা নির্ভর করে বছরের একমাত্র বোরো ফসলের ওপর। কিন্তু চলতি বছর অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধ, অকাল জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলে হাজার কোটি টাকার আধাপাকা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যায়। ফসলহানির ক্ষত শুকানোর আগেই বর্ষায় শুরু হয় আফালের সঙ্গে নতুন যুদ্ধ, বসতভিটা বাঁচানোর যুদ্ধ। একই গ্রামের গৃহিণী অলোক বর্মণ বলেন, হাওরে আফাল উঠলেই বুক কেঁপে ওঠে। বড় বড় ঢেউ যখন ঘরের গায়ে আঘাত করে, তখন মনে হয় এই বুঝি সব শেষ। সন্তানদের নিয়ে সারারাত জেগে থাকি। সুনামগঞ্জের হাওরবাসীর কাছে বর্ষা মানেই শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, টিকে থাকার যুদ্ধও। একদিকে ফসল হারানোর বেদনা, অন্যদিকে আফালের আঘাত থেকে বসতভিটা রক্ষার লড়াই। শুধু বসতভিটা নয়, থমকে যায় শিক্ষা, চিকিৎসা আর স্বাভাবিক জীবনও। বছরের পর বছর এই লড়াই চলছে। এ জন্য সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে দুর্যোগের আরেক নাম হয়ে উঠেছে আফাল। শিক্ষার্থী রিপন বর্মণ বলেন, আফালের সময় পুরো গ্রাম বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্কুলে যেতে পারি না। কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নেওয়াও অনেক কষ্টের। আমরাও চাই অন্য এলাকার মানুষের মতো স্বাভাবিক জীবন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হলেও কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগের অভাবে হাওরবাসীর কষ্ট কমছে না। টেকসই ফসল রক্ষা বাঁধ, নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বসতভিটা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান তারা। হাওর ও জলবায়ু গবেষক সালেহীন চৌধুরী শুভ বলেন, বর্ষা মৌসুমে হাওরে সৃষ্টি হওয়া ঢেউ বসতভিটার সবচেয়ে বড় হুমকি। বছরের পর বছর আফালের আঘাতে গ্রামের ভিটামাটি ক্ষয় হচ্ছে। এই ক্ষয় কমাতে গ্রামের চারপাশে হিজল, করচসহ দেশীয় জলসহিষ্ণু গাছ লাগাতে হবে। এসব গাছ প্রাকৃতিকভাবে আফালের শক্তি কমিয়ে বসতভিটা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমদাদুল হক বলেন, বর্ষা মৌসুমে আফাল ও পাহাড়ি ঢলের ঝুঁকি থাকে। ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপত্তার বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, আফালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য উপজেলা পর্যায়ে ঢেউটিন বরাদ্দ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি সহায়তাও দেওয়া হবে।

দেশের ৩ নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপরে, হতে পারে বন্যা

দেশের ৩ নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপরে, হতে পারে বন্যা

গনি-মনোয়ারা শিক্ষা ট্রাস্টের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

গনি-মনোয়ারা শিক্ষা ট্রাস্টের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে বন্যায় ২ শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি ৩ লক্ষাধিক মানুষ

কক্সবাজারে বন্যায় ২ শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি ৩ লক্ষাধিক মানুষ
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
আপনারা কি নিজেদের ঈশ্বর মনে করছেন : ক্ষুব্ধ অরিজিৎ
আপনারা কি নিজেদের ঈশ্বর মনে করছেন : ক্ষুব্ধ অরিজিৎ
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
ব্রাজিলকে নিয়ে নিশ্চিন্তে হিমি, সংশয়ে পড়শী
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
নজর কাড়লেন অলংকার, চমকে দিলেন সিঁথি
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত
টেস্ট সিরিজ খেলতে চলতি মাসেই অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আসন্ন এই সিরিজ খেলতে আগামীকাল দেশ ছাড়বে স্কোয়াডের একাংশ। তার আগে আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মলনে এই সিরিজ নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে চোট বেশ ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'চোটের বিষয়টা কারোরই নিয়ন্ত্রণে নেই। যেকোনো সময় যে কারও চোট হতে পারে। যে দলটা আমাদের অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে এই দলের ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস আছে যে এই দলটা নিয়ে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব।' 'কোন প্লেয়ার থাকলে ভালো হত, কোন প্লেয়ার থাকলে বেটার হত এগুলো বলা আমার মনে হয় না যৌক্তিক হবে। আমার মনে হয়, কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি দল নিয়ে, কতটা বিশ্বাস রাখতে পারি এটা বেশি জরুরি।'-যোগ করেন তিনি। চোটের সমস্যা সবচেয়ে বেশি পেস বিভাগে। এ প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'হাসান, মুশফিকদের নিয়ে গড়া পেস আক্রমণের থেকে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে প্রত্যাশা থাকবে যে তারা ২০ উইকেট এনে দেবে। সাথে দুইজন অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে। তারাও সাহায্য করবে পেসারদের। স্কোয়াডে যে পেসাররা আছে সবাই সামর্থ্যবান। তারা যদি তাদের সেরা বোলিংটা সেদিন করতে পারে অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।' টেস্ট ক্রিকেটে আগ্রাসী খেলা নিয়ে টাইগার অধিনায়ক বলেন, 'আমরা গত কয়েক বছরে টেস্ট যেভাবে খেলছি চেষ্টা করব সেভাবেই খেলার। ভিন্ন কন্ডিশন, যত দ্রুত মানিয়ে নিতে পারি। এই টেস্ট দল ভালো জায়গায় আছে। এখান থেকে যেন আমরা নিচের দিকে না যাই। এর চেয়ে কত ভালো দিকে যেতে পারি এটাই মূল লক্ষ্য থাকবে।' অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশন নিয়ে শান্ত বললেন, 'কন্ডিশন আসলে এত দূর থেকে আইডিয়া করা কঠিন। শেষ কবে গিয়েছি আমার মনে নেই, ২৩ বছর আগে। কন্ডিশন সেখানে যাওয়ার পরেই মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। টেস্ট দল ব্যাটিংয়ের দিক থেকে অভিজ্ঞ। বোলিংটাও ভালো হচ্ছে। যদি কন্ডিশনেও মানিয়ে নিতে পারি আশা করি আমরা ভালো করতে পারব।' 'আমি যখনই এই দল নিয়ে ম্যাচ খেলি চেষ্টা করি কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি। ফল নিয়ে না ভেবে প্রসেসটা কী, কোথায় ঘাটতি আছে, সেখানেই আমাদের মেইন ফোকাস থাকে। হোমে খেলি বা বাইরে খেলি। এই সিরিজেও নতুন কিছু থাকবে না। টার্গেট থাকবে কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।'

কী কারণে ধুঁকছেন শাহিন আফ্রিদি, জানালেন আমির

কী কারণে ধুঁকছেন শাহিন আফ্রিদি, জানালেন আমির

ভিনিসিয়ুসের নতুন ঠিকানা হচ্ছে কি আর্সেনাল?

ভিনিসিয়ুসের নতুন ঠিকানা হচ্ছে কি আর্সেনাল?

বেটিং বিতর্কে আর চুপ থাকতে পারলেন না পিরলো

বেটিং বিতর্কে আর চুপ থাকতে পারলেন না পিরলো

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 
সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা
সোনার দাম ভরিতে কমলো ৩ হাজার ৩২৪ টাকা
দেশের বাজারে সোনার দাম আরোও কমানোর ঘোষণা দি‌য়ে‌ছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩২৪ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ‌ ‌শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে। ​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। গতকাল পর্যন্ত এর দাম ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। ​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা। ​১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা। সোনার দামের সঙ্গে কমানো হয়ে‌ছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।

বাংলাদেশে বি‌নি‌য়োগ চে‌য়ে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চি‌ঠি

বাংলাদেশে বি‌নি‌য়োগ চে‌য়ে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চি‌ঠি

ডিমের দাম বেড়েছে, মাছের দামও চড়া

ডিমের দাম বেড়েছে, মাছের দামও চড়া

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী