• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে: তথ্য উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা কোনো সাধারণ চাপ সৃষ্টির ঘটনা নয়, বরং এটি আওয়ামী সন্ত্রাস। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ড. ইউনূসের অপরাধ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর তিনি কেন রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। শুধু ড. ইউনূস নন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আওয়ামী লীগের সঙ্গে পুনর্মিলনের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি দলের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত অনুতাপের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং দলটি বিভিন্ন সংকট তৈরি ও সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, পুনর্মিলনের ন্যূনতম সম্ভাবনা থাকলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই অনুতাপ ও ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ আসা উচিত ছিল। কিন্তু গত দুই বছরে দলটির আচরণে তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং হুমকি ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার স্বার্থেই তাঁকে ফেরত চায় বাংলাদেশ। বিমানবন্দরে কী ঘটেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন। এ সময় তাঁকে উদ্দেশ করে ‘ইউ আর আ টেরোরিস্ট’ ও ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায়। বিক্ষোভকারীরা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করার অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সঙ্গে থাকা সহযোগীর সহায়তায় সামনের দিকে এগিয়ে যান ড. ইউনূস। তথ্য উপদেষ্টা এ ঘটনাকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৫৪

ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৫৪

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. মুহাম্মদ ইউনূস

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার ড. মুহাম্মদ ইউনূস

৫ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি

৫ ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু
সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন
সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন
ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) এবং বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন। তানভীর আহমেদ রবিন জানান, তার বাবার জানাজা আগামীকাল বাদ জোহর শ্যামপুর-কদমতলীর লাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় তিনি বাবার রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চান। সালাহউদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০০১ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জামিন পেলেন না আখতারুজ্জামান, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

জামিন পেলেন না আখতারুজ্জামান, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে

জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে

দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়: জামায়াত আমির

দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়: জামায়াত আমির

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৫৪

ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৯৫৪

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড
ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতির মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই অর্থনীতিবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড। সোমবার (১২ অক্টোবর) রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস তাদের নাম ঘোষণা করে। পুরস্কারের জন্য তাদের যে গবেষণাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, তার মূল বিষয় ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ব্যষ্টিক অর্থনৈতিক ভিত্তি’। এ গবেষণায় ব্যক্তি, পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত কীভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এবং সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কীভাবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অ্যাকাডেমির ভাষ্য অনুযায়ী, দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সিদ্ধান্তের সম্পর্ক বুঝতে সহায়তা করেছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলা এবং কার্যকর নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রেও তাদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। রবার্ট হল যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির এমেরিটাস অধ্যাপক এবং হুভার ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো। ১৯৪৩ সালে জন্ম নেওয়া এই অর্থনীতিবিদ কর্মসংস্থান, মুদ্রাস্ফীতি, ভোক্তাদের ব্যয় ও অর্থনৈতিক চক্র নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মন্দা ও প্রবৃদ্ধির পর্যায় নির্ধারণের কাজেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অন্যদিকে, ১৯৫৫ সালে জন্ম নেওয়া মাইকেল উডফোর্ড কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক অর্থনীতির অধ্যাপক। আধুনিক মুদ্রানীতির তাত্ত্বিক কাঠামো নির্মাণে তার গবেষণা বিশেষভাবে পরিচিত। সুদের হার, মুদ্রাস্ফীতি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে তার কাজ অর্থনীতিবিদদের চিন্তায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। উডফোর্ডের ২০০৩ সালে প্রকাশিত *Interest and Prices: Foundations of a Theory of Monetary Policy* বইটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতি বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। সুদের হার সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগাম ঘোষণা কীভাবে পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যয় এবং বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, তা ব্যাখ্যা করতেও তার গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। ব্যষ্টিক অর্থনীতি মূলত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যয়, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করে। অন্যদিকে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থান, সুদের হার ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়। এ দুই ক্ষেত্রের মধ্যে যোগসূত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকটের কারণ নির্ণয় এবং তা মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে তাদের গবেষণা। অর্থনীতিতে নোবেল নামে পরিচিত এ পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক নাম ‘দ্য সেভেরিগেস রিক্সব্যাংক প্রাইজ ইন ইকোনমিক সায়েন্সেস ইন মেমোরি অব আলফ্রেড নোবেল’। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি প্রবর্তন করে এবং ১৯৬৯ সালে প্রথমবারের মতো দেওয়া হয়। মূল নোবেল পুরস্কারগুলোর মতো এটি আলফ্রেড নোবেলের মূল উইলে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এবারের পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড এই অর্থ ভাগ করে নেবেন। আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: ইয়েনেত নিউজ

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি

রাঠি-দীপকেকে আটকের পরও দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জেন-জিদের

রাঠি-দীপকেকে আটকের পরও দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা জেন-জিদের

শান্তিতে নোবেল পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভেনথাম নাভি পিলাই

শান্তিতে নোবেল পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভেনথাম নাভি পিলাই

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

দিল্লিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী জোটের নেতারা আটক

দিল্লিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী জোটের নেতারা আটক

সাধারণ মানুষকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করল ইরান

সাধারণ মানুষকে সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করল ইরান
অটোরিকশাচালক সুমনই তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন: পুলিশ
অটোরিকশাচালক সুমনই তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন: পুলিশ
কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন (১৪) হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সুমন নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, তাজমিনকে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাজমিন সুমনের অটোরিকশা ভাড়া করে কুমিল্লার রেসকোর্স এলাকায় যাওয়ার জন্য। কিন্তু সুমন তাকে শহরের দিকে না নিয়ে পদুয়ার বাজার থেকে বিজরার দিকে নিয়ে যান। পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর পর লালমাই উপজেলার জগতপুর এলাকার একটি নির্জন সড়কে নিয়ে যান। পুলিশের দাবি, সেখানে তাজমিনকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তাঁর সঙ্গে সুমনের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে অটোরিকশাটি ধানখেতে কাত হয়ে পড়ে যায়। তাজমিন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও সুমন তাঁকে ধরে ফেলেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাজমিনকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। এরপর ঘটনাস্থল ছেড়ে পাশের এলাকার একটি পুকুরে গোসল করেন এবং তাজমিনের ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি আইফোন নিয়ে যান। পরে ফোনটি ধানখেতে লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামের দিকে চলে যান বলে জানায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিবন্ধন নম্বরের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল চট্টগ্রাম নগরীর একটি এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। আদালতে তিনি জবানবন্দি দেবেন কি না, তা পরে জানা যাবে। সংবাদ সম্মেলনে লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান, গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পবিত্র সরকার, উপপরিদর্শক অর্ণবসহ পুলিশের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। **যেভাবে উদ্ধার হয় তাজমিনের মরদেহ** গত ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে জান্নাতুল তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের পাশ থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। পরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত হয়। তাজমিন যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়াতলা গ্রামের আব্দুল আলিমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তন স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সে আর স্কুলে যাচ্ছিল না। তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম রেনেটা ওষুধ কোম্পানির কুমিল্লা অঞ্চলে চাকরি করেন। পরিবারটি নগরীর রেসকোর্স এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকত। গত ৪ অক্টোবর সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় তাজমিন। গত ৭ অক্টোবর রাত ১২টা ১৯ মিনিটে তাকে কুমিল্লার হোটেল নূরজাহানের সামনে সর্বশেষ দেখা যায়। একই রাত ২টা ৫৮ মিনিটে বাবার হোয়াটসঅ্যাপে নিজের লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বার্তা পাঠায় সে। তবে বাবা ঘুমিয়ে থাকায় তখন বার্তাটি দেখতে পাননি। পরদিন সকালে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিচয় শনাক্তের পর তাজমিনের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে লালমাই থানায় হত্যা মামলা করেন।

চট্টগ্রামে চালু দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক

চট্টগ্রামে চালু দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক

সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছালো ইউরেনিয়ামবাহী ৩ লরি

সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছালো ইউরেনিয়ামবাহী ৩ লরি

৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

৪ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
অফ-শোল্ডার পোশাকে নতুন লুকে সাদিয়া আয়মান, মুগ্ধ ভক্তরা
অফ-শোল্ডার পোশাকে নতুন লুকে সাদিয়া আয়মান, মুগ্ধ ভক্তরা
মাটির সঙ্গে বন্ধুত্ব, শখের কুমোর অভিনেত্রী ঐশী
মাটির সঙ্গে বন্ধুত্ব, শখের কুমোর অভিনেত্রী ঐশী
দেব-শুভশ্রীকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনা, পুরোনো প্রেম নিয়ে কটাক্ষ
দেব-শুভশ্রীকে ঘিরে নেটদুনিয়ায় আলোচনা, পুরোনো প্রেম নিয়ে কটাক্ষ
‘টেইলর সুইফট সংগীতকে ধ্বংস করেছে’
‘টেইলর সুইফট সংগীতকে ধ্বংস করেছে’
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন ভাবনায় দীপিকা
মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন ভাবনায় দীপিকা
সন্তানকে রেখে কাজে ফেরার সময় তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলাম: পরিণীতি
সন্তানকে রেখে কাজে ফেরার সময় তিন ঘণ্টা কেঁদেছিলাম: পরিণীতি
নতুন সিনেমায় আলিয়া ভাটের রেট্রো লুক, ভক্তদের মাঝে উচ্ছ্বাস
নতুন সিনেমায় আলিয়া ভাটের রেট্রো লুক, ভক্তদের মাঝে উচ্ছ্বাস
‘এই বয়সে এসে বিয়ের তাগিদও আর অনুভব করি না’
‘এই বয়সে এসে বিয়ের তাগিদও আর অনুভব করি না’
বাংলাদেশকে হতাশ করে অবিশ্বাস্য ড্র আফগানিস্তানের
বাংলাদেশকে হতাশ করে অবিশ্বাস্য ড্র আফগানিস্তানের
জয়ের জন্য শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৭ উইকেট। জয়ের পাল্লাও ভারী ছিল টাইগারদের দিকে। তবে সেদিকুল্লাহ আতালের সেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদের দৃঢ়তায় অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ ড্র করেছে আফগানিস্তান। একের পর এক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে না পারায় জয় হাতছাড়া হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আবুধাবিতে টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করে আফগানিস্তান। বড় লক্ষ্য তাড়া করার চাপ থাকলেও শুরু থেকেই উইকেট আগলে রেখে ড্রয়ের দিকে মনোযোগ দেন আগের দিনের অপরাজিত দুই ব্যাটার সেদিকুল্লাহ আতাল ও হাশমতউল্লাহ শহীদি। একাধিকবার বোলিং পরিবর্তন করেও শুরুতে সাফল্য পাচ্ছিলেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। স্পিনাররাও প্রত্যাশিত সাফল্য পাচ্ছিলেন না। উইকেটে ফাটল থাকলেও তা থেকে খুব বেশি সুবিধা আদায় করতে পারেননি বাংলাদেশের স্পিনাররা। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে ব্যাটিং করতে গিয়ে প্রথম সেশনেই ক্র্যাম্পের কারণে মাঠ ছাড়েন শহীদি। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ বলে ২০ রান। লাঞ্চের কিছুক্ষণ আগে উইকেটের দেখা পায় বাংলাদেশ। ইনিংসের ৭৮তম ওভারের প্রথম বলে এবাদত হোসেনের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে ব্যাটের বাইরের কানায় বল লাগান ইকরাম আলিখিল। উইকেটের পেছনে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন লিটন দাস। ৬৯ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন ইকরাম। এরপর সেদিকুল্লাহ আতালের সঙ্গে জুটি গড়েন ইসমত আলম। দুজন মিলে যোগ করেন ৪০ রান। মেহেদী হাসান মিরাজের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ইসমত। ৬০ বল খেলে মাত্র ৪ রান করেন তিনি। এরপর আবারও ব্যাটিংয়ে ফেরেন রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়া হাশমতউল্লাহ শহীদি। তবে এবারও জুটি ভাঙেন মিরাজ। তার বলে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শহীদি। আউট হওয়ার আগে ৬৯ বলে ৩৬ রান করেন তিনি। অন্যদিকে একপ্রান্ত আগলে রেখে ব্যাটিং চালিয়ে যান আতাল। ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন এই আফগান ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৩৩২ বল খেলে ১১১ রান করে তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা। আতালের বিদায়ের পর বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। দিনের তখনো ২৩.২ ওভার বাকি। শেষ দিকে আফগানিস্তানের টেলএন্ডারদের দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে জয় তুলে নেওয়ার সুযোগ ছিল টাইগারদের সামনে। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। অষ্টম উইকেটে ইয়ামিন আহমাদজাই ও কায়েস আহমেদ দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বাংলাদেশের বোলাররা কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন ফিল্ডাররা। শেষ পর্যন্ত ৮৫ বলে ১৯ রান করে আহমাদজাই আউট হলেও বাংলাদেশের জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। কায়েস আহমেদ ও জিয়াউর রহমান বাকি সময়টুকু পার করে দেন। ৮০ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন কায়েস। শূন্য রানে অপরাজিত থাকেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসান নেন একটি করে উইকেট। শেষ দিনে জয়ের খুব কাছে গিয়েও সুযোগ হাতছাড়া করায় হতাশ হতে হয়েছে বাংলাদেশকে। অন্যদিকে সেদিকুল্লাহ আতালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এবং শেষ দিকে ব্যাটারদের প্রতিরোধে স্মরণীয় এক ড্র আদায় করে নিয়েছে আফগানিস্তান।

‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে’ ইতিহাস গড়লেন হাসান মাহমুদ

‘পারফেক্ট হ্যাটট্রিকে’ ইতিহাস গড়লেন হাসান মাহমুদ

ক্রীড়া ভাতা থেকে বাদ ৩১ জন, নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ ক্রীড়াবিদ

ক্রীড়া ভাতা থেকে বাদ ৩১ জন, নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ ক্রীড়াবিদ

শেষবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামছেন মেসি

শেষবার আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামছেন মেসি

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে তৈরি হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী
দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে তৈরি হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী
দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার এবং বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়াতে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার। এ কৌশল তৈরিতে দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশ সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত। তাই বন্দর পরিচালনায় সমন্বয়, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর কৌশল নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয় বা সংস্থার কর্তৃত্ব ও দায়িত্বকে খাটো করে দেখা যাবে না। বরং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানিকারক ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কৌশল অনেক আগেই প্রণয়ন করা প্রয়োজন ছিল। অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিচালনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রয়োজন পূরণে সরকার এখন জাতীয় বন্দর কৌশল চূড়ান্ত করার দিকে এগোচ্ছে। এ উদ্যোগে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সহযোগিতা করছেন বলে জানান মন্ত্রী। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা ও মতামত কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর কৌশলপত্র তৈরি করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বন্দর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব মন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দর পৃথক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব বন্দরের কার্যক্রমের সঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমস এবং আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জড়িত। ফলে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নে সব পক্ষের মতামত নেওয়া প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, কোনো একটি পক্ষের স্বার্থকে এককভাবে প্রাধান্য দিয়ে কৌশলপত্র তৈরি করা হলে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব, প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশের বিভিন্ন বন্দরে কনটেইনার পরিচালনা ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড, ডেনমার্কের এপি মোলার এবং সিঙ্গাপুরের পিএসএর কথা উল্লেখ করেন তিনি। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব হলেও এসব উদ্যোগের সুফল পেতে সমন্বিত নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়লে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজ হওয়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বন্দরের উন্নয়নকে শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ না রেখে টার্মিনাল পরিচালনা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, পণ্য খালাস, পরিবহন সংযোগ ও কাস্টমস কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করে বন্দর ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানান। সেমিনারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, বাংলাদেশে জাইকার কান্ট্রি ডিরেক্টর তাকাহাশি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন বন্দরের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া

চাল, ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে, স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও

চাল, ডিম ও মুরগির দাম বেড়েছে, স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও

শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে: অর্থমন্ত্রী

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

চুয়েটে চোখ বেঁধে মিছিল, সাবেক ভিসিকে পুনর্বহালের দাবি

চুয়েটে চোখ বেঁধে মিছিল, সাবেক ভিসিকে পুনর্বহালের দাবি

বিশ্বসেরা ৪০ দলে চুয়েটের চার শিক্ষার্থী, বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন আমেরিকায়

বিশ্বসেরা ৪০ দলে চুয়েটের চার শিক্ষার্থী, বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন আমেরিকায়

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন