• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী
অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী
জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন কিংবা জাপানে অবস্থান করতে পারতেন। তবে তা না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটি একটি সাধারণ ঘটনা, যা ঘটতেই পারে। তবে এটি খুব বড় ধরনের কোনো ত্রুটি ছিল না। এ কারণে ফ্লাইট উড্ডয়নে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বিলম্ব হয়। বিমান উড্ডয়নের আগে পরীক্ষার সময় ত্রুটিটি ধরা পড়ে। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল। বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সফটওয়্যারজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেটি সমাধানের পর ফ্লাইটটি উড্ডয়নের জন্য প্রস্তুত করা হয়। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ ছিল, এমনকি জাপানে অবস্থানও করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সফরসঙ্গীদের আশ্বস্ত করেন এবং সবাইকে নিয়ে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সবার সঙ্গেই দেশে ফেরেন। বিলম্বের সময়কার পরিস্থিতি তুলে ধরে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওই সময় সবার সঙ্গে কথা বলেন ও খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশেষ করে ফ্লাইটে থাকা শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং শিশুরা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখেন। এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপস্থিতিতে বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম ও জাপানের টেকনিশিয়ানরা যৌথভাবে কারিগরি ত্রুটি মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মেরামত শেষে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটির পুশব্যাক করা হয় এবং রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ নিরাপদে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: হুমায়ুন কবির

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: হুমায়ুন কবির

‘কিছু লোক ধাওয়া করলে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আর আমি পালিয়ে আসি’

‘কিছু লোক ধাওয়া করলে তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আর আমি পালিয়ে আসি’

অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী

অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছাড়েননি প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সফরসঙ্গীদের সবাইকে নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন

সফরসঙ্গীদের সবাইকে নিয়েই দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী: আতিকুর রহমান রুমন
পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম
পতিত ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এক স্বৈরাচারের পতন ঘটলেও দেশে নতুন করে স্বৈরাচারের উত্থান হচ্ছে। হাজারো মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করার চেষ্টা চলছে। তবে পতিত স্বৈরাচার ও নব্য স্বৈরাচার—দুই শক্তিকেই পরাজিত করা হবে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে চার দফা দাবিতে আয়োজিত গণবিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে এনসিপির নেতারা ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। এতে বাসাবাড়িতে গ্যাস না থাকা, বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সন্ত্রাস ও রাহাজানিতে মানুষের দুর্ভোগের চিত্র উঠে এসেছে। দোকানদার, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, এ ব্যর্থতার সবচেয়ে বেশি দায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ওপর বর্তায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে তিনি সংবিধান সংশোধনের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা এবং জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন তাঁরা। একই সঙ্গে নিজ নিজ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার দায় নিয়ে জ্বালানিমন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হবে। সংবিধান সংস্কারের জন্য গঠিত একতরফা কমিটি বাতিলের দাবি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, অবিলম্বে ওই কমিটি বাতিল করে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। জুলাই সনদ ও গণভোটের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন। কিন্তু নির্বাচনের পর প্রথম দিন থেকেই বিএনপি সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়েও সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই সনদ, ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাচ্ছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশ পরিচালনার কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নাহিদ ইসলামের ভাষ্য, বিএনপির পরিকল্পনা এখন দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলদারত্ব প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে। এসব পরিকল্পনা নিয়েই তারেক রহমান লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। আগামী ডিসেম্বরে পতিত স্বৈরাচার দেশে ফিরতে পারে—এমন আলোচনা রয়েছে উল্লেখ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বর্তমান সরকার সেই শক্তিকে মোকাবিলা করতে পারবে না। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ১৬ বছরেও জনগণকে রক্ষা করতে পারেনি। বিএনপিও অতীতে আওয়ামী লীগের হাত থেকে জনগণকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এমনকি নিজেদের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে পারেনি দলটি। এ পরিস্থিতিতে দেশের তরুণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া জনগণকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম। মুজিববাদী ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং দুর্নীতিবাজ মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান তিনি। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের সীমান্তে হত্যা, পার্বত্য অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি এবং প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিভিন্ন এলাকায় মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে। আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের নির্যাতন এবং দিল্লিতে মসজিদ ভেঙে দেওয়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়কে ঘিরেও ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। সীমান্ত হত্যার প্রসঙ্গে স্বর্ণা দাস ও ফেলানি খাতুনের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও ১০ জনের বেশি বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার শিকার হয়েছেন। ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ষড়যন্ত্র থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতকে করিডর দেওয়ার উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, জাপান সফরে গিয়ে তারেক রহমান বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ভারতকে করিডর দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এ ধরনের কোনো অবৈধ করিডর বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। গঙ্গা চুক্তির প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী ডিসেম্বরে চুক্তিটি ন্যায্যতার ভিত্তিতে নতুন করে করা না হলে জনগণ আবারও রাজপথে নামবে। বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা আদায়ের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। দেশে চলমান খুন, গুম ও নৈরাজ্যের দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ঢাকায় শুরু হওয়া মিছিল সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে সেই মিছিল নিয়ে তারেক রহমানকে ঘেরাও করে দাবি আদায় করা হবে। সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির দুই নেতার অংশগ্রহণের ঘোষণাও দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে আসিফ মাহমুদ নির্বাচন করবেন। ঢাকাবাসীর উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, নগরবাসী বর্তমানে সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও নানা ধরনের নৈরাজ্যের মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে এনসিপি এই দুই নেতাকে সামনে নিয়ে আসছে। নির্বাচনে তাঁরা জয়ী হলে ঢাকা মহানগরবাসীর সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আগেরবার হারানো হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। এবার তাঁকে হারতে দেওয়া হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। অন্যদিকে, আসিফ মাহমুদকে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনের বাইরে রাখার মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের শক্তিকে নিঃশেষ করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তবে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এ ধরনের প্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িতরা পরাজিত হবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও আসিফ মাহমুদের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগরবাসীর অধিকার ও দাবি আদায়ে এনসিপি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থানের নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবেন বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

বর্তমান পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম

রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০

ডেঙ্গুতে এক দিনে ১১ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি ৪০০

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে ডা. জুবাইদার আহ্বান

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে ডা. জুবাইদার আহ্বান
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু
ইন্দোনেশিয়ায় দাবানলের ধোঁয়ায় সেপ্টেম্বরে ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু
ইন্দোনেশিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা দাবানলের ধোঁয়ায় বিষাক্ত হয়ে উঠেছে বাতাস। বন ও ভূমিতে আগুনের কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণে শুধু গত সেপ্টেম্বর মাসেই আনুমানিক ৩ হাজার ৫৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া শিল্পকারখানা, যানবাহন ও বর্জ্য পোড়ানোর দূষণে ওই মাসে দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১০ জনে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। হেলসিংকিভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ) জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার প্রায় ৫ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ অস্বাস্থ্যকর থেকে বিপজ্জনক মাত্রার দূষিত বাতাসে শ্বাস নিয়েছেন। সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন ও ভূমিতে আগুনের কারণে দেশটির বায়ুর মানের অবনতি হয়েছে। এতে সেপ্টেম্বরে দাবানলজনিত বায়ুদূষণে আনুমানিক মৃত্যুর সংখ্যা আগস্টের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। সিআরইএর গবেষণায় কয়েক দিনের মধ্যে পিএম ২.৫ দূষণের কারণে সম্ভাব্য মৃত্যুর হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। পিএম ২.৫ হলো বাতাসের অতি সূক্ষ্ম বস্তুকণা, যা শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুস এমনকি রক্তপ্রবাহেও প্রবেশ করতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এসব কণার সংস্পর্শে এলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়া এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দাবানলের ধোঁয়ায় সৃষ্ট বায়ুদূষণে মৃত্যুর বেশির ভাগ ঘটনা ঘটেছে বোর্নিও দ্বীপের ইন্দোনেশীয় অংশ, জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপ এবং দেশটির পূর্বাঞ্চলে। গবেষকরা দাবানল ছাড়াও নগরাঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা ও যানবাহন থেকে সৃষ্ট দূষণের প্রভাব পর্যালোচনা করেছেন। এতে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরে এসব উৎসের দূষণে আরও ১ হাজার ৭৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৯ কোটি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ওই মাসে বায়ুদূষণে আনুমানিক মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১০ জনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় পিএম ২.৫-এর সংস্পর্শে আসার মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বার্ষিক নির্ধারিত সীমার চেয়ে জাতীয় পর্যায়ে সাত গুণেরও বেশি ছিল। সুমাত্রায় এই মাত্রা ছিল ১০ গুণ এবং বোর্নিওর কালিমান্তানে ২৪ গুণ বেশি। এ ছাড়া দেশজুড়ে শ্বাসতন্ত্রের তীব্র সংক্রমণের ৩ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ক্রমেই তীব্র হয়ে ওঠা খরার মধ্যে কয়েক মাস ধরে দাবানলের সঙ্গে লড়াই করছে ইন্দোনেশিয়া। বন উজাড়ের ওপর নজরদারি করা সংস্থা নুসান্তারা অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশটিতে ১৯ লাখ হেক্টরের বেশি জমি দাবানলে পুড়ে গেছে। তবে দাবানলজনিত মৃত্যুর এই সংখ্যা নিয়ে ইন্দোনেশিয়া সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো স্বীকৃতি দেয়নি বা প্রত্যাখ্যানও করেনি। দাবানলের ধোঁয়ায় সৃষ্ট ধোঁয়াশার কারণে ইন্দোনেশিয়ার পাশাপাশি মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুরেও বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়েছে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্কেও চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বনভূমি পরিষ্কারের জন্য গাছপালা কেটে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি এসব দাবানলের অন্যতম প্রধান কারণ। কাঠ, পাম তেল ও খনি খাতের অনেক কোম্পানি জমি পরিষ্কারের জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দ্বীপ জাভায় অবস্থিত রাজধানী জাকার্তাও বায়ুদূষণের শিকার। সিআরইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে জাভায় বায়ুদূষণে ১ হাজার ৫৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৭৩ থেকে ৮০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী দাবানলবহির্ভূত দূষণের উৎস—যেমন শিল্পকারখানা, যানবাহনের ধোঁয়া ও বর্জ্য পোড়ানো। প্রতিবেদনে ইন্দোনেশিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ল্যান্ডস্কেপ ইন্দোনেশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আগুস সারি সরকারের দুর্বল প্রস্তুতির সমালোচনা করেছেন। তার মতে, এই দুর্যোগ আগেই অনুমান করা সম্ভব ছিল এবং প্রতিরোধও করা যেত। আগুস সারি বলেন, বাজেট কমিয়ে দেওয়ার কারণে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার যা ঘটতে যাচ্ছে, তার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সক্ষমতা থাকা উচিত। কিন্তু আমরা একেবারেই প্রস্তুত নই। এর একমাত্র কারণ সদিচ্ছার অভাব।’ সিআরইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দাবানল মোকাবিলায় আগুন নেভানোর তাৎক্ষণিক উদ্যোগের পাশাপাশি আগুনের ঝুঁকিতে থাকা পিটল্যান্ড পুনরুদ্ধারের দিকে সরকারের মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যাপকভাবে পানি নিষ্কাশনের কারণে এসব পিটল্যান্ড এখন আগুনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ ছাড়া আগুন দিয়ে অবৈধভাবে জমি পরিষ্কারের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জমি ব্যবহারের অনুমতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনি জবাবদিহি বাড়ানোর সুপারিশ করেছে গবেষণা সংস্থাটি। জাভার মতো যেসব অঞ্চলে দাবানল ছাড়াই বায়ুদূষণ হচ্ছে, সেখানে আরও কঠোর নীতিমালা কার্যকরের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। তবে গত বুধবার ইন্দোনেশিয়া সরকার দাবানল মোকাবিলায় তাদের নেওয়া পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছে। এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে, কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো ও আগুন নেভানোর কাজে ৭২ হাজারের বেশি মানুষকে নিয়োজিত করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ২ হাজার ১০০ জনেরও বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে কাজে লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া বিতরণ করা হয়েছে ৫৩ লাখ মাস্ক।

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৬৪ জন নিহত

স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৬৪ জন নিহত

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোটে প্রস্তুত আরব দল

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইহুদি দলগুলোর সঙ্গে জোটে প্রস্তুত আরব দল

সৌদিতে সামরিক সহায়তা পাঠাতে মিসরকে পার্লামেন্টের অনুমতি

সৌদিতে সামরিক সহায়তা পাঠাতে মিসরকে পার্লামেন্টের অনুমতি

ইরানে ফের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের অনুমতির অপেক্ষা

ইরানে ফের সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের, ট্রাম্পের অনুমতির অপেক্ষা

হুথিদের হুমকির মধ্যেই রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু

হুথিদের হুমকির মধ্যেই রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু

বিক্ষোভ-সহিংসতা মোকাবিলায় ফ্রান্সে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন

বিক্ষোভ-সহিংসতা মোকাবিলায় ফ্রান্সে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু
পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু
পাবনা সদর উপজেলার মালঞ্চি ইউনিয়নের সোনাপাতিল বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা শুক্রবার বিকেলে সোনাপাতিল বিলে মাছ ধরতে যান। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তাঁরা বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। মালঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বাবু বলেন, বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে কয়েকজন একটি পলিথিনের ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় ওই ঘরে বজ্রপাত হলে ছয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তিরা কিশোর ও তরুণ। তিনি আরও বলেন, বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই ছয়জন মারা গেছেন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে। পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

বিজয়ের পর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ফয়সল আমিন

বিজয়ের পর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ফয়সল আমিন

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

জয়ের আশা বিএনপির, প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কার্ডে ছবি না থাকার অভিযোগ জামায়াতের

মসজিদের সভাপতি পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, দুই ঘণ্টার তাণ্ডবে ৫ বাড়িতে আগুন

মসজিদের সভাপতি পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, দুই ঘণ্টার তাণ্ডবে ৫ বাড়িতে আগুন
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
শেকড় আর অধিকার রক্ষার সংগ্রাম নিয়ে আসছে নাটক ‘অংশীদার’
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
পরীমনির নাচের ভিডিও ভাইরাল, জানা গেল সঙ্গীর পরিচয়
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ফের শাড়ি নিয়ে বিতর্কে তানজিন তিশা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
ছবি, কবিতা ও শব্দে কাকদের বাঁচিয়ে রাখতে চান ভাবনা
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
গোলাপি আভায় নতুন ফটোশুটে জয়া আহসান
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
ক্যানসারে চলে গেলেন মডেল-অভিনেত্রী তুলনা, বয়স হয়েছিল ৩৯
খোলামেলা পোশাকে আপত্তি নেই, তবে নিজের সীমারেখা মানতে চান রাশমিকা
খোলামেলা পোশাকে আপত্তি নেই, তবে নিজের সীমারেখা মানতে চান রাশমিকা
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ঢাকের তালে নাচলেন শাওন, মাতলেন সিঁদুর খেলায়
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ঢাকের তালে নাচলেন শাওন, মাতলেন সিঁদুর খেলায়
সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন
সাদমানের সেঞ্চুরি নিয়ে পুরো দলই নার্ভাস ছিল: সালাউদ্দিন
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে প্রথম দিন শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান করেছে বাংলাদেশ। দিন শেষে ৯৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাঁর সেঞ্চুরির অপেক্ষায় পুরো দলই নার্ভাস ছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। বুধবার দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাদমানের ব্যাটিং নিয়ে প্রশংসা করেন সালাউদ্দিন। তাঁর মতে, উইকেট ভালোভাবে বুঝে নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার। সালাউদ্দিন বলেন, ‘সে উইকেট খুব ভালো বুঝতে পেরেছে। পুরো ইনিংস যদি দেখেন, খুব বেশি শট খেলেনি। মাঝে মাঝে কঠিন সময় আসে, তখন আমরা বাজে শট খেলে ফেলি। সে গুরুত্বপূর্ণ সময়টা কাটিয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে ইনিংসটি খেলেছে।’ সাদমানের আগের ইনিংসগুলো ৫০-৬০ রানের মধ্যে থেমে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৫০-৬০ রানের ইনিংস অনেক খেলেছে, কিন্তু এবার লম্বা হচ্ছিল। সে নিজেকে নিয়ে কাজ করছে।’ সাদমানের সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে থাকার সময় দলের সবাই উদ্বিগ্ন ছিলেন জানিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা পুরো দলই আসলে নার্ভাস। আমরা সবাই চাচ্ছিলাম সেঞ্চুরিটা হয়ে যাক। টেস্টে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। এই ইনিংস তাকে পরবর্তীতে অনেক সহায়তা করবে।’ এদিকে দিনের প্রথম সেশনে মুমিনুল হকের উইকেট বিলিয়ে দেওয়া নিয়েও কথা বলেন ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ। একই ভুল বারবার করার পেছনে কোনো সমস্যা থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি। সালাউদ্দিন বলেন, ‘যখন প্রতিবার একই ভুল করবেন, কোনো না কোনো সমস্যা আছে। ওকে নিজেকেই বের করতে হবে কীভাবে এখান থেকে বের হয়ে আসবে। বলটা খুব কাছে ছিল। আরেকটু দূরে থাকলে ওপর দিয়ে চলে যেত।’ প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২১৩ রান। সাদমান ইসলাম ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবেন।

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের তুলোধুনো করে বাংলাদেশকে মনে করাল দক্ষিণ আফ্রিকা

ডি থ্রি ট্রফির নিলামে সর্বোচ্চ দাম শরিফুলের, ২ কোটিতে তানজিদ-তাসকিন

ডি থ্রি ট্রফির নিলামে সর্বোচ্চ দাম শরিফুলের, ২ কোটিতে তানজিদ-তাসকিন

বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ গোলে হার, টানা ৮ ম্যাচ জয়হীন ম্যানইউ

বোর্নমাউথের কাছে ৩-০ গোলে হার, টানা ৮ ম্যাচ জয়হীন ম্যানইউ

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

রসায়নে নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী
জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার সময় জাপান পাশে ছিল। এখন জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের শিল্প খাত গড়ে তোলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এগিয়ে আসার সময়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সুস্পষ্ট। আসুন, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী অংশীদারত্বে রূপান্তর করি। আমাদের জনগণ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য পারস্পরিক সুযোগ সৃষ্টি করি এবং দুই মহান দেশের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করি।” বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো) এবং দ্য জাপান–বাংলাদেশ কমিটি ফর কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশনের (জেবিসিসিইসি) যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফোরামে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে জাপানের বিশেষ স্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর যেসব দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, জাপান তাদের অন্যতম। সেই সময় থেকে দেশটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আগামী ৩০ থেকে ৫০ বছরের অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ১৮ কোটিরও বেশি মানুষের বিশাল বাজার রয়েছে। জনগোষ্ঠীর মধ্যম বয়স মাত্র ২৭ বছর। পাশাপাশি রয়েছে তরুণ ও প্রশিক্ষণযোগ্য কর্মশক্তি। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার শিক্ষার্থী প্রকৌশল বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের নবম বৃহত্তম ভোক্তা অর্থনীতিতে পরিণত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সচ্ছল মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রমবর্ধমান বিকাশের ফলে ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের বার্ষিক জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে এ বছর বাংলাদেশ ও জাপান একটি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এটি বাংলাদেশের কোনো দেশের সঙ্গে সম্পাদিত এ ধরনের প্রথম চুক্তি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের অংশীদারত্বের সূচনা হয়েছিল উন্নয়ন সহযোগিতার মধ্য দিয়ে। এখন সময় এসেছে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এ সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার। সম্প্রতি স্বাক্ষরিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা কাঠামো চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধায় জাপানের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। একইভাবে ইস্পাত, মোটরযানের যন্ত্রাংশ ও ইলেকট্রনিক উপাদানসহ জাপানি পণ্যও বাংলাদেশে অগ্রাধিকারমূলক বাজারসুবিধা ভোগ করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ, সেবা ও শুল্কসংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় সহজতর ও প্রগতিশীল নিয়ম চালুর ফলে উভয় দেশের বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন। বাংলাদেশি তরুণদের জাপানি ভাষা শেখানোর উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এটি সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এমন একটি ভবিষ্যৎ কল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের লাখ লাখ তরুণ জাপানি ভাষা শিখবেন, এ ভাষায় কথা বলবেন এবং বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও গভীর করতে ভূমিকা রাখবেন। জ্বালানি খাতে সহযোগিতার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানি অপরিহার্য। বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ঐচ্ছিক বিষয় নয়, বরং অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজন। তিনি জ্বালানি অবকাঠামো, দক্ষ বিদ্যুৎ উৎপাদন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য জাপানি কোম্পানিগুলোকে স্বাগত জানান। প্রযুক্তি ও মহাকাশ সহযোগিতার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি বাংলাদেশ-জাপান প্রযুক্তি পার্ক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড কম্পিউটিং, রোবোটিকস ও ইলেকট্রনিকস উৎপাদনকে কেন্দ্র করে উদ্ভাবননির্ভর আইটি পার্ক গড়ে তোলা হবে। এ উদ্যোগে জাপানি কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিনিয়োগকারীদের সম্পৃক্ত করা হবে। দুই দেশের মধ্যে মহাকাশপ্রযুক্তি সহযোগিতারও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। মহাকাশবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও স্যাটেলাইট প্রকৌশলে জাপানের উন্নত সক্ষমতা এবং অভিজ্ঞতার স্বীকৃতিস্বরূপ এ ক্ষেত্রে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধানে বাংলাদেশ আগ্রহী। পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উৎপাদনশীল অর্থনীতির জন্য দেশের শহর ও গ্রাম, কারখানা ও সমুদ্রবন্দরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা অপরিহার্য। এ লক্ষ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক এবং উচ্চগতির রেলব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। এ রেলব্যবস্থা দেশের ছয়টি প্রধান বিভাগীয় শহরকে সংযুক্ত করবে। তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপান বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত। তাই দেশব্যাপী উড়াল মহাসড়ক ও রেল নেটওয়ার্কের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নে জাপানের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ এবং অর্থায়নের ক্ষেত্রেও জাপানের সহযোগিতা স্বাগত জানানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: সরকারি পর্যায়ে চুক্তি-সমঝোতা ৫টি, বেসরকারি পর্যায়ে ১৭ স্মারক সই

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: সরকারি পর্যায়ে চুক্তি-সমঝোতা ৫টি, বেসরকারি পর্যায়ে ১৭ স্মারক সই

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর, স্থগিত হলো ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর, স্থগিত হলো ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতি ও সফট পাওয়ারে রূপ দিতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতি ও সফট পাওয়ারে রূপ দিতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

চুয়েটে চোখ বেঁধে মিছিল, সাবেক ভিসিকে পুনর্বহালের দাবি

চুয়েটে চোখ বেঁধে মিছিল, সাবেক ভিসিকে পুনর্বহালের দাবি

বিশ্বসেরা ৪০ দলে চুয়েটের চার শিক্ষার্থী, বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন আমেরিকায়

বিশ্বসেরা ৪০ দলে চুয়েটের চার শিক্ষার্থী, বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন আমেরিকায়

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন