• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার
উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার
প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দিল্লিতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনা‌কে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং দুঃখজনক ব‌লে মন্তব্য ক‌রে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমান। উপদেষ্টার স‌ঙ্গে যা হ‌য়ে‌ছে তা নি‌য়ে বাংলা‌দে‌শের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নি‌চ্ছে ব‌লেও জানান তি‌নি।  সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের মু‌খোমু‌খি হ‌য়ে এ মন্তব্য ক‌রেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। খ‌লিলুর রহমান ব‌লেন, এটা একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং দুঃখজনকও ব‌টে। এ বিষ‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় য‌থোপযুক্ত ব্যবস্থা নি‌চ্ছে। আজ‌কের দিন শে‌ষে আমরা এ বিষ‌য়ে আপনা‌দের জানা‌বো। দিল্লিতে সোমবার শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান রোববার সন্ধ্যায় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। ওই বৈঠকে তার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল। কূটনৈতিক চিঠি দিয়ে আগে জানানোর পরও রোববার সন্ধ্যায় ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে ঢুকতে বাধা দিয়েছে। পরে উচ্চ মহলের নির্দেশে অনুমতি দেওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দিল্লিতে না গিয়ে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। পরে তিনি সোমবার দুপু‌রে ঢাকায় ফি‌রে‌ছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ওই বৈঠকে উপদেষ্টার অংশ নেওয়ার বিষয়টি গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল।

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর; দেশে ফেরানো কতটা সহজ?

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর; দেশে ফেরানো কতটা সহজ?

বাজেটের হিসাব মেলাতে শেষ ভরসা এনবিআর, উপেক্ষিত সুশাসন ও কাঠামোগত সংস্কার

বাজেটের হিসাব মেলাতে শেষ ভরসা এনবিআর, উপেক্ষিত সুশাসন ও কাঠামোগত সংস্কার

আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি

আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি

তারেক রহমানকে কেন বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন?

তারেক রহমানকে কেন বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন?

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারি দল সহিংসতা চাইলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি আসিফের
সরকারি দল সহিংসতা চাইলে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি আসিফের
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সরকারি দল সহিংসতার পথ বেছে নিলে তারাও কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হবেন। তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে তাদের সক্ষমতার প্রমাণ মিলেছে। শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব-এ অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ এলাকার প্রায় দেড় হাজার মানুষ এনসিপিতে যোগ দেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। আসিফ মাহমুদ বলেন, “সরকারি দল যদি ভায়োলেন্স চায়, সেটা আমাদের চেয়ে বেশি কেউ পারবে না। ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানেই আমরা তা দেখিয়ে দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, সহযোদ্ধাদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে, অন্যথায় তারা পাল্টা কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব। তিনি বলেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও দেশে ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনা বাড়ছে, যা নারীদের নিরাপত্তাহীনতার ইঙ্গিত দেয়। তিনি আরও বলেন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা, ছাত্রদল নেতাসহ ৮ জনের নামে মামলা

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা, ছাত্রদল নেতাসহ ৮ জনের নামে মামলা

চাঁদাবাজদের কারণে দেশের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে: জামায়াত আমির

চাঁদাবাজদের কারণে দেশের বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে: জামায়াত আমির

তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখেছে জনগণ: মাহদী আমিন

তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখেছে জনগণ: মাহদী আমিন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ
ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। তার স্বামী বিরল এক ধরনের হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ায় পরিবারের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (২২ মে) ওভাল অফিসে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান গ্যাবার্ড। আগামী ৩০ জুন তার শেষ কার্যদিবস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফক্স নিউজ জানিয়েছে, গ্যাবার্ডের পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য এবং গত দেড় বছর ধরে জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের কার্যালয়কে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, ২০২৬ সালের ৩০ জুন থেকে কার্যকর হতে যাওয়া আমার পদত্যাগপত্র জমা দিতে হচ্ছে। আমার স্বামী আব্রাহাম সম্প্রতি অত্যন্ত বিরল এক ধরনের হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।’ গ্যাবার্ড জানান, এই কঠিন সময়ে স্বামীর পাশে থাকা এবং তাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার জন্যই তিনি সরকারি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তুলসী গ্যাবার্ড মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেন। চলতি মাস পর্যন্ত তিনি সরকারের পাঁচ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করেন। এসব নথির মধ্যে ট্রাম্প-রাশিয়া তদন্ত, জন এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ড এবং রবার্ট এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত নথিও রয়েছে।

ইরানে নতুন হামলার ব্যাপারে আরও কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প

ইরানে নতুন হামলার ব্যাপারে আরও কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প

ইরানের জবাব ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’: ট্রাম্প

ইরানের জবাব ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’: ট্রাম্প

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিল ইরান

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

হরমুজে টোল আদায় নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

হরমুজে টোল আদায় নিয়ে ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিককে উদ্ধার পাকিস্তানের নৌবাহিনীর

আরব সাগর থেকে বাংলাদেশিসহ ১৮ নাবিককে উদ্ধার পাকিস্তানের নৌবাহিনীর
কুমিল্লায় চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭
কুমিল্লায় চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন, যাদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোররাত প্রায় ৩টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার হাসানপুর এলাকায়, তাসফিন পাম্পের বিপরীত পাশে চট্টগ্রামমুখী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার খালিবপুর গ্রামের আফজাল হোসেন (৩৫), সোহরাব হোসেন (৪০), সালেক (৪৫), বিরাপুর এলাকার সুমন (২১), একই এলাকার বিষ্ণু (৩৫), আবু হোসেন (৩০) ও আব্দুর রশিদ (৫৫)। দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাওয়ার পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় ট্রাকের ওপর থাকা ১৩ জন নিচে চাপা পড়েন। ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয় এবং ছয়জন আহত হন। তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ উদ্ধার কাজ চালায়। নিহতদের মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার আল আমিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ট্রাকের ওপর অবস্থানরত যাত্রীরাই এ দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছেন।

কুমিল্লায় বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১২

কুমিল্লায় বাসে ট্রেনের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১২

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, নিহত ৪ শিশু

ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ল শতাধিক মানুষ, নিহত ৪ শিশু

নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

নীলসাগর এক্সপ্রেসের ৯ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
মারা গেছেন কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
সোরলথের হ্যাটট্রিক, শেষ ষোলোয় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দারুণ এক রাতে নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড আলেক্সান্ডার সোরলথের হ্যাটট্রিকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। প্লে-অফের দ্বিতীয় লেগে ক্লাব ব্রুজকে ৪-১ গোলে হারিয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৭-৪ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে পরবর্তী রাউন্ডে উঠেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। প্রথম লেগে ৩-৩ গোলে সমতা থাকায় মাদ্রিদের রিয়াধ এয়ার মেট্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। ২৩তম মিনিটে গোলরক্ষক ইয়ান ওব্লাকের লম্বা কিক থেকে বল পেয়ে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন সোরলথ। ব্রুজের গোলরক্ষক সিমন মিনিওলে বল ঠেকালেও সেটি তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে যায়। ৩৬তম মিনিটে কর্নার থেকে জোয়েল অরদোনিয়েজের হেডে সমতায় ফেরে ব্রুজ। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ৪-৪। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর তিন মিনিটের মাথায় আবার লিড নেয় অ্যাটলেটিকো। যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার জনি কারদোসো বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক হাফ-ভলিতে বল জালে পাঠান। সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রুজ। তবে ম্যাচের শেষভাগে সোরলথের জোড়া গোলে ভেঙে পড়ে তাদের প্রতিরোধ। ৭৬তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আদেমোলা লুকমান ও আন্তোনিও গ্রিজমানের চমৎকার সমন্বয়ে কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এই নরওয়েজিয়ান তারকা। ৮৭তম মিনিটে মৌসুমের নিজের ১৫তম গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সোরলথ এবং অ্যাটলেটিকোর বড় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ইংল্যান্ডের লিভারপুল অথবা টটেনহাম হটস্পার।

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর; দেশে ফেরানো কতটা সহজ?
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর; দেশে ফেরানো কতটা সহজ?
দুর্নীতির মামলায় ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার (১৪ জুন) সংসদ অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ, ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) আবুধাবি থেকে প্রেরিত একটি ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছে যে, দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং তিনি বর্তমানে সেখানে আটক আছেন। দুর্নীতির মামলায় ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ প্রস্তাব পাঠাতে হবে। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্তের দলিলাদি প্রস্তুত করে প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানোর ফলোআপ কার্যক্রম শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতির মামলায় দেশ থেকে গোপনে পালানোর পর বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে নতুন একটি প্রশ্ন সামনে আসছে— আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের এই প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা কতটা সহজ হবে? কারণ, বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতা বলছে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা আর আসামি দেশে ফেরানো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা বড় অগ্রগতি হলেও দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ কাজ নয়। কারণ, রেড নোটিশ আর রোড অ্যালার্ট ভিন্ন বিষয়। পুলিশের রেড নোটিশের ভিত্তিতে আটক বা শনাক্ত করা ব্যক্তিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি বেশ দীর্ঘ। এটি মূলত সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, আদালত, মামলার নথিপত্রের গ্রহণযোগ্যতা, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর নির্ভর করে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যার প্রধান কাজ সদস্য দেশগুলোর পুলিশকে সহায়তা করা। সদস্য দেশগুলোর পক্ষে ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করে ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। বাংলাদেশের পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থিত এনসিবি আন্তর্জাতিক অপরাধী ও পলাতক ব্যক্তিদের তথ্য আদান-প্রদান ও গ্রেপ্তারে কাজ করে। বাংলাদেশ ও আমিরাতের মধ্যে অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় বেনজীরকে ফেরানো বেশ জটিল। এক্ষেত্রে ‘ডুয়াল ক্রিমিন্যালিটি প্রিন্সিপাল’ অনুযায়ী অভিযোগগুলো উভয় দেশের আইনেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে। দুর্নীতি ও মানি লন্ডারিংয়ের মতো ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে নথি শক্ত হলেও, আমিরাতের আদালতের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং শক্তিশালী কূটনৈতিক তৎপরতা ছাড়া তাকে আনা সম্ভব নয়। ইন্টারপোলের ওয়েবসাইটে উল্লেখিত তথ্যমতে— শীর্ষ সন্ত্রাসী, হত্যা মামলার আসামি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলার পলাতক দণ্ডিত ও নানা মামলার পলাতক আসামিসহ ‘রেড নোটিশের’ তালিকায় ৫৯ বাংলাদেশির নাম রয়েছে। কিন্তু তাদের অধিকাংশকেই এখন পর্যন্ত দেশে ফেরানো সম্ভব হয়নি। বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘ফেরানোর প্রক্রিয়াটা মুখের কথায় সহজ মনে হতে পারে, তবে পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন। অন্তত অতীতের অভিজ্ঞতা তাই বলে।’  তিনি বলেন, “গত বছরের ১০ এপ্রিল বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ‘রেড নোটিশ’ জারি করে ইন্টারপোল। সরকারের আন্তরিকতা ও পুলিশের চেষ্টার ফলে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এখন তাকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি শুরু হবে ‘মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি’ অর্থাৎ স্বরাষ্ট্র হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। এরপর আদালত ও কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ তো আছেই। ফলে হয়তো তাকে ফেরানো যাবে, তবে সহসা ফেরানো কঠিন।” দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্ত সংক্রান্ত দলিলাদি প্রস্তুত করা হয়েছে।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ রোববার সংসদে জানিয়েছেন, এনসিবি আবুধাবি স্পষ্ট করেছে যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ‘ফেডারেল ল নম্বর ৩৯ অব ২০০৬’ অনুযায়ী গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক এক্সট্রাডিশন রিকোয়েস্ট (প্রত্যর্পণ প্রস্তাব) প্রেরণ করতে হবে। বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ এবং ১০৯ সেকশন; ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ সেকশনের ৫(২), ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারার সেকশন ১১ অনুযায়ী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্ত সংক্রান্ত দলিলাদি প্রস্তুত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক এক্সট্রাডিশন প্রপোজাল প্রস্তুত ও অনুমোদন সাপেক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে কূটনৈতিক চ্যানেলে আনুষ্ঠানিক আবেদন পাঠানো হবে এবং এনসিবি আবুধাবির সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক অতি দ্রুতই তাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে। রেড নোটিশ মানেই কি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা? অনেকেই রেড নোটিশ ও আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে এক করে দেখেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক আইন ও ইন্টারপোলের ভাষায় দুটি ভিন্ন বিষয়। রেড নোটিশ হলো ইন্টারপোলের একটি আন্তর্জাতিক সতর্কতা ব্যবস্থা। কোনো দেশের আদালত বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কোনো পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করে প্রত্যর্পণ করতে চায়, তখন ইন্টারপোলের মাধ্যমে এই নোটিশ জারির আবেদন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য পলাতক আসামির অবস্থান শনাক্ত করা, সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সতর্ক করা এবং তাকে সাময়িকভাবে আটক করার সুযোগ তৈরি করা। তবে, এটি কোনো বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়; এটি কেবল সদস্য দেশগুলোর প্রতি একটি ‘অনুরোধ’। কোনো দেশ চাইলে এর ভিত্তিতে কাউকে আটক করতে পারে, আবার নিজেদের আইন অনুযায়ী নাও করতে পারে। বেনজীর আহমেদ প্রভাবশালী হওয়ায় ভালো আইনজীবী নিয়োগ করে মামলাটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করতে পারেন। অতীতে আরাভ খান বা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের ক্ষেত্রে একাধিক দেশের পাসপোর্ট থাকায় রেড নোটিশ সত্ত্বেও দুবাই থেকে ফেরানো যায়নি। তবে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে শিবপুরের চেয়ারম্যান হত্যা মামলার আসামি মহসিন মিয়াকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে সফলভাবে ফিরিয়ে আনার ইতিবাচক উদাহরণও রয়েছে। এনসিবি-তে কাজ করা একজন কর্মকর্তা জানান, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে হলে প্রধানত চারটি বাধা অতিক্রম করতে হবে। এক. মামলার প্রকৃতি, দুই. বিচারিক চ্যালেঞ্জ, তিন. আদালতের অনুমোদন এবং চার. কূটনৈতিক সমন্বয়। প্রথমত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদালত দেখবে অভিযোগগুলো উভয় দেশেই অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত কি না, যাকে ‘ডুয়াল ক্রিমিন্যালিটি প্রিন্সিপাল’ (Dual Criminality Principle) বলা হয়। দুর্নীতি, জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং বা অবৈধ সম্পদের মতো অভিযোগগুলো সাধারণত এই পরীক্ষায় শক্ত অবস্থানে থাকে। তবে, বেনজীর আহমেদের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করতে পারেন যে, এই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা এর বিচার প্রক্রিয়া ত্রুটিপূর্ণ। সেক্ষেত্রে আমিরাত সরকার চাইলেই কাউকে হস্তান্তর করতে পারে না, এর জন্য আদালতের চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রয়োজন হয়— যোগ করেন তিনি। বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে অপরাধী প্রত্যর্পণ ও বিচারিক সহযোগিতা সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট চুক্তি বা সমঝোতা কাঠামো নেই। ফলে পুরো প্রেক্ষাপট, মামলার নথি, আদালতের আদেশ এবং বেনজীর আহমেদ কেন বাংলাদেশে ‘ওয়ান্টেড’— তার শতভাগ নিখুঁত তথ্যসহ আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পাঠাতে হবে। বেনজীর যেহেতু প্রভাবশালী, তাই তিনি ভালো আইনজীবী নিয়োগ করে মামলাটিকে রাজনৈতিক ও প্রতিহিংসামূলক প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন। এর জবাবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেমন তথ্য-প্রমাণের শক্ত নথি লাগবে, তেমনি দরকার হবে শক্তিশালী কূটনৈতিক তৎপরতা। ফেরানোর প্রক্রিয়াটা মুখের কথায় সহজ মনে হতে পারে, তবে পুরো প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত কঠিন। অন্তত অতীতের অভিজ্ঞতা তাই বলে। সরকারের আন্তরিকতা ও পুলিশের চেষ্টার ফলে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এখন তাকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াটি শুরু হবে ‘মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি’ অর্থাৎ স্বরাষ্ট্র হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে। এরপর আদালত ও কূটনৈতিক দৌড়ঝাঁপ তো আছেই। ফলে হয়তো তাকে ফেরানো যাবে, তবে সহসা ফেরানো কঠিন। পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) অতীতের অভিজ্ঞতাও খুব একটা সুখকর নয়। পুলিশ পরিদর্শক মামুন এমরান খান হত্যা মামলার আসামি রবিউল ইসলাম ওরফে আরাভ খান দুবাইতে গ্রেপ্তার হলেও ভারতীয় পাসপোর্টধারী হওয়ায় তাকে ফেরানো যায়নি। একইভাবে নোটিশ জারির পর দুবাইতে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান আহমেদ গ্রেপ্তার হলেও একাধিক দেশের (ভারতীয় ও ডমিনিকান রিপাবলিক) পাসপোর্ট ব্যবহারের কারণে তাকেও আনা সম্ভব হয়নি। তবে, আশার আলোও রয়েছে। নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি মহসিন মিয়াকে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দায়িত্ব পালন করা একজন সাবেক আইজিপি বলেন, ‘বেনজীরকে ফেরানোর সময়সীমা স্পষ্ট— ৩০ দিন। যা করার এর মধ্যেই করতে হবে। নথিপত্রে কোনো ঘাটতি থাকলে ফেরানোর প্রক্রিয়াটি দুর্বল হয়ে যাবে। অতীতে অপরাধীরা একাধিক দেশের পাসপোর্টধারী হওয়ায় অনেককে ফেরানো যায়নি। তাই বেনজীর আহমেদের ক্ষেত্রে যথাযথ নথিপত্র নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’

বাজেটের হিসাব মেলাতে শেষ ভরসা এনবিআর, উপেক্ষিত সুশাসন ও কাঠামোগত সংস্কার

বাজেটের হিসাব মেলাতে শেষ ভরসা এনবিআর, উপেক্ষিত সুশাসন ও কাঠামোগত সংস্কার

বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্নে

বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্নে

রেমিট্যান্সে সুখবর: রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার

রেমিট্যান্সে সুখবর: রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৪ বিলিয়ন ডলার

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

একসঙ্গে ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিলো সরকার

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য