• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনায় নিয়ে এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক এ অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে। প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে—এমন জায়গা চিহ্নিত করা এবং মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা নিয়মিতভাবে তুলে ধরতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত; তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী; প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার; মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি; প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার; প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান; ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম; তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইতালি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব‍্যবস্থা নেয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ইতালি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব‍্যবস্থা নেয়া হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

আপিল বিভাগে কী ঘটেছিল, জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল

আপিল বিভাগে কী ঘটেছিল, জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল

জাতিসংঘের বাইরে কোনো নির্দেশনা নেব না: খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের বাইরে কোনো নির্দেশনা নেব না: খলিলুর রহমান

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন ১৬ ডিসেম্বর
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরব সারজিস আলম
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় সরব সারজিস আলম
ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সারজিস আলম। বাঁধনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি গর্ব প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে হামলার অভিযোগে জড়িতদের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘আজমেরী হক বাঁধন, আমরা আপনাকে নিয়ে গর্বিত।’ দেশের মানুষের জন্য এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বাঁধনের ভূমিকার কথাও পোস্টে তুলে ধরেন তিনি। হামলার শিকার হওয়ার পরও বাঁধন হামলাকারীদের ‘বাঙালি ভাই’ হিসেবে সম্বোধন করেছেন উল্লেখ করে সারজিস বলেন, এমন পরিস্থিতিতেও বাঁধনের এই আচরণ প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে হামলাকারীদের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ মানবিকতা ও বিবেকবোধের পরিপন্থী। বাঁধনের উদ্দেশে সারজিস আরও লেখেন, ‘এসবের জন্য বিন্দুমাত্র কষ্ট পাবেন না। আমরা সবাই আপনার সঙ্গে আছি। পুরো বাংলাদেশ আপনার সঙ্গে।’ এর আগে ইতালির ভেনিসে বাঁধন ও তাঁর পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।

জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে কেউ ছাড় পাবে না: জামায়াত আমির

জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে কেউ ছাড় পাবে না: জামায়াত আমির

চট্টগ্রামমুখী ১১ দলের লংমার্চে থাকবে ১৫০০ গাড়ি: গোলাম পরওয়ার

চট্টগ্রামমুখী ১১ দলের লংমার্চে থাকবে ১৫০০ গাড়ি: গোলাম পরওয়ার

গোপালগঞ্জের ‘ফ্যামিলি ব্যবসা’ এখন বগুড়ায়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

গোপালগঞ্জের ‘ফ্যামিলি ব্যবসা’ এখন বগুড়ায়: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা
অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা
ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে রাজধানী জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাট্টা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আটটি বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে এসব বিমানবন্দরে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার দুই প্রধান দ্বীপ জাভা ও সুমাত্রার মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালির একটি দ্বীপে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরি সক্রিয় হয়ে বিপুল পরিমাণ লাভা, গ্যাস ও ছাই উদ্গীরণ করছে। এর প্রভাবে বিমান চলাচলে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর)ও আটটি বিমানবন্দরে উড্ডয়ন ও অবতরণসহ সব ধরনের ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির কারণে মোট ১ হাজার ৫৫৮টি ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে আনাক ক্রাকাতাউ সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকায় নিম্নমাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হওয়ার পাশাপাশি আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে গ্যাস, ছাই ও লাভা বের হতে শুরু করে। রোববারও আগ্নেয়গিরিটিতে দুই দফা অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানবন্দরগুলোতে আটকা পড়া যাত্রীদের বেশির ভাগই সিঙ্গাপুর, দোহা, সিডনি ও কুয়ালালামপুরগামী বা এসব গন্তব্য থেকে আসা যাত্রী। ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী দুদি পুরওয়াগনাদি সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম জাভার বিভিন্ন এলাকাতেও আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়ার পর বিমানবন্দরগুলোর ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আটকা পড়া যাত্রীরা চাইলে টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত পাবেন। একই সঙ্গে ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হলে দ্রুত যাত্রীদের জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭

ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের রক্ষায় ইরানের বিরুদ্ধে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে চীনের প্রভাব, মিসরে শি জিনপিংকে উষ্ণ অভ্যর্থনা

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে চীনের প্রভাব, মিসরে শি জিনপিংকে উষ্ণ অভ্যর্থনা
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩
গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে গুরুতর অবস্থায় মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গেড়াখোলা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস গেড়াখোলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে ব্রিজসংলগ্ন খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি দুমড়েমুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩০ জন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। গুরুতর আহত ১২ জনকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট মো. আজাদুর রহমান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের একটি যাত্রীবাহী বাস গেড়াখোলা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন মারা গেছেন। আহতদের মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।’

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোনারগাঁও প্রেস ক্লাবের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৩

গাজীপুরে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৩

বিকল হওয়া কাভার্ডভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

বিকল হওয়া কাভার্ডভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
একবারের জন্যও বলিনি, অভিনয় করে পাপ করেছি: পপি
শিল্প কোনো পাপ নয়, শিল্প একটি পরিচয় ও সংস্কৃতি: প্রভা
শিল্প কোনো পাপ নয়, শিল্প একটি পরিচয় ও সংস্কৃতি: প্রভা
ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ বাংলাদেশ। তবে বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৩৪ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে মাত্র ১০৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। জবাবে বাংলাদেশের বোলিং তোপে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রানের বেশি করতে পারেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত। ফলে ৩৪ রানের জয় নিয়ে বি গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা। আগামী বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এর আগে গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়াকেও হারিয়েছিল তারা। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ৮ রানে দুই উইকেট হারানোর পর জুরাইরা ও নিগার সুলতানা ২৯ রানের জুটি গড়েন। এরপর আবারও শুরু হয় ব্যাটিং ধস। ৫৫ রানেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষদিকে শারমিন আক্তার ও নাহিদার ৪২ রানের জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় দলটি। শারমিন ৩১ বলে ৩৮ রান করে ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন। নাহিদা করেন ১৬ রান। আর নিগার সুলতানা করেন ২৩ রান। আমিরাতের হয়ে সুরক্ষা কোট্টে তিনটি উইকেট নেন। ১০৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের তোপে পড়ে আমিরাত। ইনিংসের চতুর্থ বলেই দুর্দান্ত ইনসুইংয়ে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক এশা ওঝাকে বোল্ড করেন মারুফা আক্তার। পরের ওভারেই সামাইরা ধরনীধরকাকে ফিরিয়ে দেন তিনি। পাওয়ারপ্লেতে তিন ওভার বল করে মাত্র ৬ রান দেন মারুফা। ৬ ওভার শেষে আমিরাতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১৫ রান। পরে নবম ওভারে ফিরে নিজের চার ওভারের স্পেল শেষ করেন ৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নিয়ে। অন্য প্রান্তে অফস্পিনে আমিরাতের ব্যাটারদের চাপে রাখেন সুলতানা খাতুন। ১০ ওভার শেষে আমিরাতের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৩৪ রান। এরপর তীর্থা সতীশের বিদায়ের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি চলে আসে বাংলাদেশের হাতে। ব্যাট হাতে ১৬ রান করা নাহিদা আক্তার বল হাতে নেমে জোড়া আঘাত করেন। এরপর রাবেয়া খানও তিন উইকেট নিয়ে আমিরাতের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রানেই থামে আমিরাতের ইনিংস। বাংলাদেশের বোলাররা পুরো ইনিংসে ৭০টি ডট বল করেন। দুর্দান্ত বোলিংয়ে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর অভিনব উদযাপনে মাতেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এক হাত ওপরে তুলে অন্য হাতের তর্জনী ঠোঁটে চেপে ধরে সমালোচকদের যেন নীরব থাকার বার্তাই দেন তারা।

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

৩৬ বছরেও ফেরার স্বপ্ন দেখেন ভুবনেশ্বর

৩৬ বছরেও ফেরার স্বপ্ন দেখেন ভুবনেশ্বর

বিশ্বকাপ-এশিয়া কাপের বাইরেও দেখা যেতে পারে ভারত-পাকিস্তান লড়াই

বিশ্বকাপ-এশিয়া কাপের বাইরেও দেখা যেতে পারে ভারত-পাকিস্তান লড়াই

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন বেতন স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডে সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন বেতনস্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী ২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন বেতনস্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। জানা গেছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতনস্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাত বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ থেকে কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। এতে ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং ১ম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১০০ শতাংশ বাড়বে। বেতনস্কেলের আর্থিক প্রভাব ও মূল্যস্ফীতির বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার একযোগে পুরো বেতনস্কেল বাস্তবায়ন না করে দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের আগে বেতনস্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ১ জুলাই ২০২৭-এর মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ভাতাগুলো ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে একযোগে কার্যকর হবে। পর্যায়ক্রমে বেতনস্কেল বাস্তবায়ন করা হলে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমিত করা সম্ভব হবে। নতুন বেতনস্কেলে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন (ওআরওপি) ব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিপুল আর্থিক সংশ্লেষ এবং অসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আগের অবসরগ্রহণকারীদের তথ্য না থাকায় ওআরওপি একবারে বাস্তবায়ন না করে ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পরিবর্তে বর্তমানে অবসরভোগী পেনশনধারীদের নিট পেনশন স্ল্যাবভিত্তিক উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মাসিক ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়বে। এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া এবং তুলনামূলক কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পেনশন বৃদ্ধির পরিমাণ বেশি হবে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’ চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এত দিন শুধু ৫ম গ্রেডের কর্মচারীরা মোবাইল ভাতা পেতেন। নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী সব গ্রেডের কর্মচারী এই ভাতা পাবেন। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। এ জন্য সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। মিডিয়াম টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্কের (এমটিবিএফ) আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর বাজেটে এ অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে। এদিকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতনস্কেল অনুমোদন করা হবে। সেটিও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর মতো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। নতুন বেতনস্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন, আদেশ ও নির্দেশনা জারি করবে। এতে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন এবং অবসর-পরবর্তী অন্যান্য সুবিধার বিস্তারিত বিধান থাকবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

ডাবসহ সব ফলের দাম চড়া, চাপে ক্রেতা

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

বাজারে ইলিশের সরবরাহ আছে, দাম নাগালের বাইরে

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের

গণিতে ৮৭%, ইংরেজিতে ৮৫% শিক্ষকই ভিন্ন বিষয়ের