• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে মিথ্যা তথ্যের ঢেউ, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে মিথ্যা তথ্যের ঢেউ, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
বাংলাদেশে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রথম ‘জেন–জি অনুপ্রাণিত’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে নির্বাচনের আগে ছড়িয়ে পড়া সমন্বিত মিথ্যা তথ্য ভোটারদের সঠিক ধারণা বিকৃত করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই ধরনের প্রচারের অনেকটাই প্রতিবেশী ভারত থেকে আসছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। এএফপির সংবাদ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা পদচ্যুত হয়েছেন। ২০০৯ সালের পর এটি বাংলাদেশের প্রথম সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। তাই বিভিন্ন মহল তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ছবি, ভিডিও ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। এএফপির সংবাদে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এএফপির ফ্যাক্ট-চেক দল সামাজিক মাধ্যমে এআই জেনারেটেড ভিডিও খুঁজে পেয়েছে, যেগুলোর অধিকাংশই এআই ডিসক্লেইমার ছাড়া প্রকাশিত হয়েছে। একাধিক ভিডিওতে বাংলাদেশিরা শেখ হাসিনাকে প্রশংসা করা হয়, তিনি বর্তমানে পলাতক এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়াও, ভারতে হিন্দু মৌলবাদীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় উত্তেজনার কারণে একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটারের আইপিএল ক্লাব তার চুক্তি বাতিল করেছে, যা অবশেষে বাংলাদেশ দলকে এই মাসের টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ অর্গানাইজড হেট জানিয়েছে, আগস্ট ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ১৭০,০০০ এর বেশি একাউন্ট থেকে ৭ লাখের বেশি পোস্টে হিন্দু গণহত্যা দাবি প্রচার করা হয়েছে। এই কনটেন্টের ৯০ শতাংশ ভারত থেকে এসেছে এবং বাকিটা যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার হিন্দু-জাতীয়তাবাদী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। ঢাকাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল রাইটের প্রধান বলেছেন, আমরা আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি ভুয়া তথ্য লক্ষ্য করছি। বিনামূল্যের এআই সরঞ্জামগুলো জটিল মিথ্যা তৈরি করা সহজ করেছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন , তারা সামাজিক মাধ্যম মনিটর করার জন্য মেটার সঙ্গে কাজ করছে, তবে অনলাইনে প্রচারের বিশাল পরিমাণ মোকাবিলা করা একটি চলমান চ্যালেঞ্জ। অন্তর্বর্তী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “নির্বাচনকে ঘিরে মিথ্যা তথ্যের ঢেউ তীব্র আকার নিচ্ছে, যা বিদেশি ও দেশীয় উভয় উৎস থেকে আসছে।” বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। দেশের প্রায় ১০% সংখ্যালঘু, যার অধিকাংশ হিন্দু। অনলাইনে #HinduGenocide হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে মিথ্যা দাবির প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্কিত ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে মাত্র ১২% ধর্মীয় উদ্দেশ্য স্পষ্ট। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ জাসমিন টুলি বলেছেন, শহরে ৮০ শতাংশ পরিবারের এবং গ্রামীণ অঞ্চলে প্রায় ৭০ শতাংশ পরিবারের কাছে অন্তত একটি স্মার্টফোন রয়েছে। কিন্তু অনেক মানুষ এখনও প্রযুক্তি ব্যবহার ও যাচাইয়ে অভ্যস্ত নয়। তিনি আরও বলেছেন, এআই জেনারেটেড ভুয়া ছবি ও ভিডিও ভোটারদের ভুল তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করতে পারে, যা দেশের জন্য বড় হুমকি। উল্লেখ্য, সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শহরে ৮০ শতাংশের বেশি পরিবারে অন্তত একটি স্মার্টফোন আছে, আর গ্রামীণ এলাকায় প্রায় ৭০ শতাংশ, তবে অনেক মানুষ এখনও প্রযুক্তি ব্যবহার ও যাচাইয়ে নতুন।

বিশ্বের প্রথম জেন-জি অনুপ্রাণিত নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে বাংলাদেশ

বিশ্বের প্রথম জেন-জি অনুপ্রাণিত নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে বাংলাদেশ

মোবাইল নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিলে জামায়াত-এনসিপির আল্টিমেটাম

মোবাইল নিয়ে ইসির সিদ্ধান্ত বাতিলে জামায়াত-এনসিপির আল্টিমেটাম

বিএনপি ও জামায়াত জোটের ব্যবধান মাত্র ০.২০ শতাংশ

বিএনপি ও জামায়াত জোটের ব্যবধান মাত্র ০.২০ শতাংশ

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দূরপাল্লার বাস চলবে ১১ ফেব্রুয়ারিও

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দূরপাল্লার বাস চলবে ১১ ফেব্রুয়ারিও

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সার্টিফিকেশন জালিয়াতি রোধে কাজ করার নির্দেশ

শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সার্টিফিকেশন জালিয়াতি রোধে কাজ করার নির্দেশ

যান চলাচলে বিধি-নিষেধ, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন কীভাবে?

যান চলাচলে বিধি-নিষেধ, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাবেন কীভাবে?
আইএলডির জরিপ: ১০৫ আসনে এগিয়ে জামায়াত জোট, বিএনপি ১০১
আইএলডির জরিপ: ১০৫ আসনে এগিয়ে জামায়াত জোট, বিএনপি ১০১
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে করা এক জনমত জরিপে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার চিত্র উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, মোট ভোটের হিসাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট সামান্য এগিয়ে থাকলেও আসনভিত্তিক পূর্বাভাসে এগিয়ে রয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট। ইনস্টিটিউট ফর লিডারশিপ ডেভেলপমেন্ট (আইএলডি) পরিচালিত এই জরিপে দেখা গেছে, বিএনপি জোটের পক্ষে সমর্থন রয়েছে ৪৪ দশমিক ১ শতাংশ ভোটারের। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে সমর্থন ৪৩ দশমিক ৯ শতাংশ। দুই জোটের মধ্যে ভোটের ব্যবধান মাত্র ০ দশমিক ২০ শতাংশ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফারস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। আসনভিত্তিক পূর্বাভাস জরিপের আসনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৩০০ আসনের মধ্যে ১০৫টি আসনে জামায়াত জোট এগিয়ে রয়েছে। অপরদিকে বিএনপি জোট এগিয়ে আছে ১০১টি আসনে। বাকি ৭৫টি আসনে দুই জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন গবেষকেরা। গবেষকদের মতে, এসব আসনে অল্প কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে ফলাফল যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে। জরিপে ভোটারদের লিঙ্গভেদে রাজনৈতিক পছন্দেও পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। পুরুষ ভোটারদের মধ্যে বিএনপি জোট তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকলেও নারী ভোটারদের মধ্যে বেশি সমর্থন পেয়েছে জামায়াত জোট। মোট উত্তরদাতার মধ্যে ৫৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ ছিলেন পুরুষ এবং ৪২ দশমিক ৪১ শতাংশ নারী। ভোটারদের পছন্দের কারণ জরিপে অংশ নেওয়া ভোটারদের কাছে রাজনৈতিক পছন্দের কারণও জানতে চাওয়া হয়। বিএনপি জোটকে সমর্থনের পেছনে ভোটাররা সরকারের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার প্রত্যাশা ও অতীত শাসনামলের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে জামায়াত জোটকে পছন্দ করার কারণ হিসেবে ভোটারদের একটি বড় অংশ নৈতিকতা, সুশাসনের প্রতিশ্রুতি, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। জরিপে দেখা যায়, ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ভোটার ছিলেন ২৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ, ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৪১ দশমিক ২৫ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী ২৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ভোটার ছিলেন ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ভোটারদের। ধর্মীয় পরিচয়ে মুসলিম ভোটার ছিলেন ৮৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ, হিন্দু ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং বাকি অংশ বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। বিএনপি জোটকে সমর্থনের পেছনে ভোটাররা সরকারের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা, অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার প্রত্যাশা এবং অতীত শাসনামলের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে জামায়াত জোটকে সমর্থনের কারণ হিসেবে নৈতিকতা, সুশাসনের প্রতিশ্রুতি, দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধার বিষয়টি তুলে ধরেছেন ভোটারদের একটি বড় অংশ। জরিপের পরিধি ও পদ্ধতি আইএলডি জানায়, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই জরিপ পরিচালিত হয়। এতে দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনকে অন্তর্ভুক্ত করে টু-স্টেজ স্ট্র্যাটিফায়েড র‌্যান্ডম স্যাম্পলিং পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি আসনে ১০০ থেকে ৩০০ জন ভোটারের মতামত নেওয়া হয়। পরে পোস্ট-স্ট্র্যাটিফিকেশন পদ্ধতিতে তথ্য বিশ্লেষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জরিপ আসন্ন নির্বাচনে ভোটের মাঠে দুই প্রধান জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, সমীকরণ ততই পরিবর্তিত হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া হবে: তারেক রহমান

বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের স্বল্পসুদে ব্যাংক ঋণ দেওয়া হবে: তারেক রহমান

এবারের ভোট হবে—কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান

এবারের ভোট হবে—কারা মানুষের পাশে থাকে, সেটি দেখার ভোট: তারেক রহমান

এলাকার সন্তান হিসেবে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চাইছি : তারেক রহমান

এলাকার সন্তান হিসেবে সবার কাছে ধানের শীষে ভোট চাইছি : তারেক রহমান

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে একদিনে ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭০৫

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৩৯

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫

ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৯৫
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডকে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ আখ্যা দিলো ইইউ
ইরানের সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইউরোপের ২৭টি দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। গতকাল বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাস। ইরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভকারীদের নির্বিচারে হত্যা ও তাদের ওপর ব্যাপক দমন-পীড়ন চালানোর ঘটনায় তেহরানের প্রতি শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ইইউ। গতকাল বৃহস্পতিবার এ ইস্যুতে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইইউ’র সদস্যরাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যায়িত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে— উল্লেখ করে কাজা কালাস বলেন, “কোনো প্রকার দমন-পীড়নকে ছাড় দেওয়া ইইউ’র নীতিবিরুদ্ধ। যে সরকার নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে নিজেদের হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে, সেই সরকার আসলে নিজের অজান্তে নিজের কবর খোঁড়ে।” গত সপ্তাহে ফ্রান্স এবং ইতালি এ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে বলে জানা গেছে। নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ভ্যান উইল ইইউ’র বৃহস্পতিবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রসঙ্গে এএফপিকে তিনি বলেন, “সম্প্রতি ইরানে আমরা যে রক্তপাত আমরা দেখলাম, তার প্রতিবাদ হিসেবে আমরা এ পদক্ষেপ নিয়েছি। আন্দোলন দমনের নামে যে নিষ্ঠুরতা তেহরান দেখিয়েছে, তা সহ্যের অতীত।” ইরানের চিরশত্রু ইসরায়েল এ পদক্ষেপের জন্য ইইউ-কে স্বাগত জানিয়েছে। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সা’র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ‘ইউরোপের এ পদক্ষেপ ঐতিহাসিক।” ইসরায়েলের সরকারের অপর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, ইইউ’র এ নিষেধাজ্ঞার ফরে আইআরজিসি সদস্যদের বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো সহজ হবে। এদিকে ইইউ-এর এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ-কে ‘গুরুতর কৌশলগত ভুল সিদ্ধান্ত’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, “মধ্যপ্রাচ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধপরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং সম্ভাব্য সেই বিপর্যয় এড়াতে যখন অনেক রাষ্ট্র কাজ করছে— সে সময় ইউরোপ সম্ভাব্য সেই বিপর্যয়ের আগুনে হাওয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে তারা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতির বর্তমান প্রেক্ষিতে একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত।” ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর আইআরজিসি গঠন করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা হিসেবে পরিচিতি পেলেও দেশটির নিয়মিত সেনাবাহিনীর চেয়ে আইআরজিসির মর্যাদা অনেক বেশি। ইরানের অর্থনীতি, সামরিক বিভাগ এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু প্রকল্পে আইআরজিসির গভীর প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ আছে। সূত্র : এএফপি

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ্ ভাইরাস: সংক্রমণ কি আদৌ ছড়িয়েছে?

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ভারতে বিমান বিধ্বস্ত, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

কানাডাকে গিলে খাবে চীন, বললেন ট্রাম্প

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা সব দেশের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প

রাশিয়া ও চীনকে ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ডের ‘মালিকানা’ দরকার: ট্রাম্প
খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত
খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবক নিহত
খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাকিব হোসেন (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর পশ্চিম টুটপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাকিব লবণচরা থানার আশিবিঘা এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিব ঘটনাস্থলের পাশের একটি সেলুনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুই যুবক তাঁকে সেলুন থেকে টেনে বাইরে বের করে এনে মাথায় দুটি গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে পশ্চিম টুটপাড়া কুবা মসজিদ এলাকায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—এমন সংবাদ পেয়ে সদর থানা ও লবণচরা থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুটি তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। আহত অবস্থায় রাকিবকে হাসপাতালে পাঠানো হলেও পরে তাঁর মৃত্যু হয়। উপ-কমিশনার আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মাঠে কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানায়, রাকিব একটি গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় রয়েছে।

মধ্যরাতে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণ, ৬ জনের কারাদণ্ড

মধ্যরাতে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণ, ৬ জনের কারাদণ্ড

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত

নওগাঁয় ডাম্পট্রাকের চাপায় ভ্যানের ৫ যাত্রী নিহত

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত

শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

ওমরাহ ও হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র আর নেই
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
পুথির সাজে ধরা দিলেন মিম
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
কাছের মানুষ হারালেন হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
ফিটব্যাক রিসেট-এর তৃতীয় বর্ষ উদযাপন
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
রোমিও ব্রাদার্স'র জমজমাট প্রথম পাবলিক কনসার্ট
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
‘নারীকে সম্মান দেওয়ার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানো হলো’
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
ব্যাচেলর পয়েন্টে আর দেখা যাবে না শিমুলকে!
অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল
অতিরিক্ত সময়ের গোলে চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনাল
ম্যাচজুড়ে খুব একটা উত্তেজনা না থাকলেও শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের একমাত্র গোলেই চেলসিকে হারিয়ে লিগ কাপের ফাইনালে উঠেছে আর্সেনাল। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর ৯৭ মিনিটে কাই হাভার্টজের করা গোল ১-০ ব্যবধানের জয় এনে দেয় মিকেল আর্তেতার দলকে। ঘরের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে এই জয়ের মধ্য দিয়ে চেলসির বিপক্ষে টানা অপরাজেয় থাকার রেকর্ডও ধরে রাখল গানাররা। দুই দলের সর্বশেষ ১০ দেখায় এখনো জয় পায়নি স্টামফোর্ড ব্রিজের দলটি। অথচ ম্যাচটির আগে প্রিমিয়ার লিগ ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই মাঠে নেমেছিল লিয়াম রোজেনিয়রের শিষ্যরা। পরিসংখ্যানে চেলসি এগিয়ে থাকলেও ফলের পার্থক্য গড়ে দেয় আর্সেনালের কার্যকর আক্রমণ। ম্যাচে ৫৫ শতাংশ বল দখলে রেখে চেলসি নেয় ১১টি শট, যার মধ্যে দুটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে আর্সেনাল ৬টি শটের দুটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। প্রথমার্ধে দুই দলের খেলাই ছিল অনেকটা ম্যাড়ম্যাড়ে। ১৮ মিনিটে আর্সেনাল একটি ভালো সুযোগ পেলেও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় তা নষ্ট হয়। বিরতির ঠিক আগে এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট দারুণভাবে ঠেকান কেপা আরিজাবালাগা। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতি বাড়লেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনো দলই। গোলশূন্য অবস্থায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিট। যোগ করা ছয় মিনিটের শুরুতেই হতাশ হয়ে চেলসি সমর্থকদের একটি অংশ মাঠ ছাড়তে শুরু করে। আর সেই হতাশা আরও বাড়িয়ে দেন কাই হাভার্টজ। ৯৭ মিনিটে ডেকলান রাইসের লম্বা পাস ধরে বক্সে ঢুকে ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষককে কাটিয়ে জাল খুঁজে নেন জার্মান মিডফিল্ডার। প্রথম লেগের ৩-২ জয়ের সঙ্গে এই ফল যোগ করে ৪-২ অ্যাগ্রিগেটে লিগ কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল আর্সেনাল।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট, ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত কী করবে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ, নেপথ্যে যা যা ঘটেছে

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ ভেন্যু ইস্যুতে শেষ চেষ্টা, আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে বাংলাদেশ

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে চাহিদা পূরণে দক্ষতার প্রামাণ দিচ্ছেন ইমরান 

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!

অ্যানোনিমাস পেজ থেকে রহস্যময় পোস্ট, পেছনে বেটিং চক্র!
সোনার দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা
সোনার দাম বাড়লো ভরিতে ৫৪২৪ টাকা
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৪২৪ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল তিন দফা সোনার দাম কমানো হয়। প্রথমে ১ হাজার ৯২৫ টাকা, দ্বিতীয় দফায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা এবং তৃতীয় দফায় ৫ হাজার ৪২৪ কমানো হয়। এতে একদিনে তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১৩ হাজার ৯৩৯ টাকা। একদিনে তিন দফা কমানোর পর এখন আবার দাম বাড়ানো হলো। এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯১ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা। এর আগে গতকাল বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ১৯১ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা। আজ সকাল ১০টা ২৮ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে। সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার

বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয় ছাড়াল ২৯৪ কোটি ডলার

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

চলছে রোজার প্রস্তুতি, ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম কমার সুখবর

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী
শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য নয়, মানসিক সুস্থতার ওপরও হরমোনের বড় প্রভাব রয়েছে। হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন হলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, ঘন ঘন মেজাজ খারাপসহ নানা মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমে গেলে রক্তের শর্করা ও ইনসুলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে সুখের অনুভূতির জন্য জরুরি সেরোটোনিন কমে যায়। একইভাবে ইস্ট্রোজেনের প্রভাবেও মানসিক স্থিরতা কমে যেতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ থাইরয়েড হরমোন শক্তি ও বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর অস্বাভাবিকতা উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মেজাজ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে। পিসিওএস, পিসিওডি, মেনোপজ বা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপও একই প্রভাব ফেলে। ঘুমের সমস্যা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে মেলাটোনিনসহ ঘুম নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ঠিকভাবে কাজ করে না। ঘুমের ঘাটতি বিষণ্নতা ও রাগ বাড়ায়। সন্তান জন্মের পর পরিবর্তন প্রসবের পর মায়ের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন হঠাৎ কমে যায়। এতে অনেক মায়ের মধ্যে প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা দেখা দেয়। খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকায় রঙিন ফল, শাকসবজি, অ্যাভোকাডো তেল, বাদাম, ডিমের কুসুম এবং প্রো-বায়োটিক খাবার (দই, বাটারমিল্ক, ভাতের ফ্যান) রাখুন। চিনি কমিয়ে তুলসি ও ভেষজ চা পান করলে স্ট্রেস কমে। কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন যদি দীর্ঘদিন ধরে মেজাজ পরিবর্তন, ক্লান্তি, মনোযোগের ঘাটতি, ওজনের অস্বাভাবিক পরিবর্তনসহ মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

রমজানে সুস্থ থাকতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষ পরামর্শ

নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও : প্রধান উপদেষ্টা

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

ডাকসু নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে যা বললেন ঢাবি উপাচার্য

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও

রাকসুর পর পেছালো চাকসু নির্বাচনও