• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বৃষ্টিতে আবারও চড়া সবজির বাজার, বেগুন ১৪০ টাকা কেজি
বৃষ্টিতে আবারও চড়া সবজির বাজার, বেগুন ১৪০ টাকা কেজি
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানীর বাজারে আবারও বেড়েছে সবজির দাম। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজিই বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। বাজারে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গোল বেগুন, প্রতি কেজি ১৪০ টাকা। অন্যদিকে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, প্রতি কেজি ৩০ টাকা। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি পটল ৮০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা ও চিচিঙ্গা ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুন ১৪০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা ৮০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ১৪০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা ও ঢ্যাঁড়স ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকায়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাজধানীর মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আজ বাজার করতে এসে দেখছি সবজির দাম বেশ বাড়তি। প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া গেলেও আজ দাম বেশি।’ রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। পাইকারি বাজারে সবজির দামও বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন, ‘আজ সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বেগুন, প্রতি কেজি ১৪০ টাকা। আর পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে সবচেয়ে কম দামে, ৩০ টাকা কেজি। বৃষ্টি থেমে গেলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং তখন সবজির দামও কিছুটা কমে আসতে পারে।’

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

র‍্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনো সংস্পর্শ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

র‍্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনো সংস্পর্শ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কাটবে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কাটবে, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত

সিঙ্গেল থেকে ডাবল-ডেকার স্লিপার, ৪১ বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর, তফসিল ঘোষণা
পালিয়ে গিয়েও দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা: জামায়াত আমির
পালিয়ে গিয়েও দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা: জামায়াত আমির
শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও দেশ ও জাতিকে শান্তি দেননি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনা বিদেশে অবস্থান করেও বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও শান্তি দেননি। পালিয়ে গিয়েও এই জাতিকে বারবার বিরক্ত করে, উসকানি দিচ্ছেন, সমাজ ও দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছেন। এই আসি, ওই আসি, আসি আসি বলেন—তো গেলেন কেন? থাকতেন, রাজনীতি করতেন।’ তিনি বলেন, কেউ অপরাধ করলে তার শাস্তি নেওয়া উচিত। কিন্তু অপরাধীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, দোষী, অপরাধী, চোর ও লুটেরারাই পালায়; সৎ মানুষ পালায় না। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সৎ মানুষরা দেশে থাকে। ফাঁসি হলে ফাঁসি নেবে, খুন হলে খুন হবে, জেলে নিলে জেলে যাবে, কিন্তু দেশ ছেড়ে পালাবে না।’ ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছিল। এ জন্য তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। তিনি আরও বলেন, যদি শেখ হাসিনা সত্যিই দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসেন, তাহলে দেশে থেকে রাজনীতি করা উচিত ছিল। তাঁর কথায়, ‘মাটি কামড়ে থাকতেন। অপরাধ করলে অপরাধের শাস্তি নিতেন, না করলে নিজেকে পরিষ্কার করতেন।’ ২০২৪ সালের আন্দোলনের সফলতার পেছনে তরুণদের নেতৃত্ব ও দেশবাসীর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের অভিনন্দন জানান তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ আন্দোলনে যুক্ত হওয়ায় তাদেরও অভিনন্দন জানান। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এইভাবে সারা দেশবাসীর ঐক্যবদ্ধ একটি প্রয়াসের সামনে ফ্যাসিবাদ পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।’ প্রতিবেশী ভারত প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্য ভারতের অবদান অস্বীকার করা যায় না। তবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আশ্রয় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সৎ ও সুসম্পর্ক চায়। তবে এ জন্য উভয় পক্ষকেই নিজেদের সদিচ্ছা প্রকাশ করতে হবে। সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আর সীমান্তে কাঁটাতারে ফেলানের লাশ দেখতে চাই না। নির্বিচারে আমাদের দেশের নাগরিকদের একটা ঘরে নিয়ে হত্যা করবে, এটা আমরা দেখতে চাই না।’ তিস্তা নদীর পানি বণ্টন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টের সমাধান করতে হবে। এই পরিস্থিতি আর সহ্য করা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে দীর্ঘ বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণআন্দোলন, ২০০৮ সালের নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। ২০২৪ সালের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি জাতিসংঘের তথ্যের উল্লেখ করে দাবি করেন, ওই আন্দোলনে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ওই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত তৎকালীন সরকারকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করে।

তৃতীয় অধিবেশনে বেশ কয়েকটি গণবিরোধী আইন পাস হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

তৃতীয় অধিবেশনে বেশ কয়েকটি গণবিরোধী আইন পাস হয়েছে: নাহিদ ইসলাম

ভারতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়েছে, এই চ্যাপ্টার ক্লোজ: সারজিস আলম

ভারতে আওয়ামী লীগের দাফন হয়েছে, এই চ্যাপ্টার ক্লোজ: সারজিস আলম

তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান

তারেক রহমান বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছেন: মঈন খান

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান চালাবে সরকার

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭১

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে ৫৮ হাজারের বেশি চিকিৎসক ঘাটতি, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ডিআর কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, নিহত ২৯ শিশু
বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ডিআর কঙ্গোয় স্কুলে আগুন, নিহত ২৯ শিশু
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত বুকাভু শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৯ শিশু নিহত হয়েছে। আগুনে দুটি স্কুলসহ প্রায় ৩০০টি কাঠের তৈরি ঘর পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফোর্সেস/এএফসি-এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা নিহতের বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, নিহতদের মধ্যে ১৯ জন মেয়ে ও পাঁচজন ছেলে রয়েছে। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে বুকাভুর চিমপুন্ডা এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা উজামা প্রাইমারি স্কুল, ফুরাহা সেকেন্ডারি স্কুল এবং আশপাশের বসতিতে ছড়িয়ে পড়ে। জাতিসংঘ পরিচালিত সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও ওকাপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় অনেক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়। স্থানীয় কর্মকর্তা প্যাট্রিস বুদুগে এএফপিকে বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও হুড়োহুড়ি শুরু হয়। অনেকে একে অন্যের ওপর পড়ে যান এবং কেউ কেউ বের হওয়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নেন। এতে কয়েকজন পদদলিত হয়ে মারা যান এবং অনেকে জ্ঞান হারান। দক্ষিণ কিভু প্রদেশের উপ-গভর্নর দুনিয়া মাসুমবুকো বুয়েঙ্গে রয়টার্সকে বলেন, আগুনে দুটি স্কুলের পাশাপাশি প্রায় ৩০০টি কাঠের ঘর পুড়ে গেছে। এএফসি-এম২৩ মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা জানান, আহত ২৯ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। গুরুতর আহত ১৭ জন কাদুতু জেনারেল হাসপাতালে এবং চারজন বুকাভু প্রাদেশিক জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় একটি ক্লিনিকের নার্স ক্রিস্টোফ জিগাশানে এএফপিকে জানান, তাঁদের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষকও ছিলেন। অধিকাংশের অবস্থা ছিল গুরুতর এবং শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তাঁরা। কয়েকজন ঘটনাস্থলেই মারা যান, অন্যরা হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আল-জাজিরার যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে আগুনে বেশ কয়েকটি বাড়ি পুড়তে দেখা গেছে। পরে আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে পাশের দুটি স্কুলেও। ডিআর কঙ্গোর দক্ষিণ কিভু প্রদেশের রাজধানী বুকাভু শহরটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুয়ান্ডার সমর্থনপুষ্ট এএফসি/এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখলের লক্ষ্যে গোষ্ঠীটি অভিযান জোরদার করার পর শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। এখন পর্যন্ত আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বুকাভুতে বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ৬ সেপ্টেম্বরের একটি অগ্নিকাণ্ডে ৪৫টির বেশি বাড়ি পুড়ে যায়। এএফসি/এম২৩ জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে জরুরি উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয় এবং তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। পাশাপাশি তদন্ত চলাকালে সবাইকে শান্ত থাকা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা, রয়টার্স ও এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৫ ইরানি ট্যাংকার অচল, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ৫ ইরানি ট্যাংকার অচল, জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা

অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ার ৮ বিমানবন্দরে ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

ইয়েমেনে ভয়াবহ সংঘর্ষ, একদিনে নিহত ১৪১

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত ১০, আহত ৬২

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, জানে না ভারত

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭
কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় আবারও খুলে দেওয়া হলো ১৬ জলকপাট
কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়ায় আবারও খুলে দেওয়া হলো ১৬ জলকপাট
কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা আবারও বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন শুরু করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৫১ ফুট। পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন স্থানে বাড়িঘর পানিতে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ ফুটে নেমে এলে জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। এর আগে গত ২৯ আগস্ট কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বেড়ে ১০৬ দশমিক ১ ফুট এমএসএলে পৌঁছালে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হয়। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে জলকপাট খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়। একপর্যায়ে প্রতিটি জলকপাট ৩ ফুট পর্যন্ত খোলা হলে প্রায় ৫৮ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হয়েছিল। পানির উচ্চতা কমে আসায় পরবর্তীতে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও হ্রদের পানি বাড়তে থাকায় শুক্রবার সকাল থেকে জলকপাটগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে। কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা ১০৫ দশমিক ৫১ ফুট। পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। পানির উচ্চতা ১০৫ ফুটে নেমে এলে গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। ফলে পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে থাকায় সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।

বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচে পদ্মার পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচে পদ্মার পানি, পানিবন্দি হাজারো মানুষ

হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনা নিহত, আহত এক

হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুই সেনা নিহত, আহত এক

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩

গোপালগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস খাদে, নিহত ৩
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

ঈদে মিলাদুন্নবীতে কী আমল করবেন, কোরআন-হাদিসে যা বলা হয়েছে

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?

নবীজি (স.)-এর জন্মের আগে আরব কেমন ছিল?
সিডনি মাতাবেন জেমস, সঙ্গে রূপম ইসলাম
সিডনি মাতাবেন জেমস, সঙ্গে রূপম ইসলাম
ভেনিসে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন অভিনেত্রী বাঁধন
ভেনিসে হামলার ঘটনায় মামলা করলেন অভিনেত্রী বাঁধন
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
ইতালিতে হেনস্তা: ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করা হয় বাঁধনকে
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
৪০ পেরিয়ে সুখী ও সুন্দর থাকার চার মন্ত্র কুসুমের
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
অপমৃত্যু থেকে হত্যা মামলা, ৩০ বছরের আইনি লড়াইয়ের আদ্যোপান্ত
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
প্রকাশ্যে এলো ইয়াশ রোহান-তটিনীর ‘কাবিননামা’
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
ভারতের কোক স্টুডিওতে সেই জাদু নেই : আতিফ
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
তিনি বাঙালির মনের নায়ক : জয়া আহসান
এশিয়া কাপ ব্যর্থতার পর জ্যোতির যত ব্যাখ্যা
এশিয়া কাপ ব্যর্থতার পর জ্যোতির যত ব্যাখ্যা
নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় আবারও হতাশ করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। পুরো আসরজুড়েই ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। অন্যদিকে বোলাররা ভালো করলেও গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিল্ডিংয়েও হয়েছে একাধিক ভুল। বৃহস্পতিবারের সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। ফাইনালে উঠতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৫০ রান। কিন্তু ৭ উইকেটে ১০৭ রানের বেশি করতে পারেনি নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের ব্যর্থতার বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক জ্যোতি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে ব্যাটিংয়ের ধারাবাহিকতার অভাব, ধীর উইকেট, ক্যাচ মিস ও ভারতের ব্যাটারদের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার বিষয়। ভারতের ইনিংসে বাংলাদেশ চারটি ক্যাচ মিস করলেও ফিল্ডিংয়ের প্রশংসা করেন জ্যোতি। তিনি বলেন, ‘আমরা ওদের ১৩০ রানের মধ্যে আটকে রাখার কথা ভেবেছিলাম। গত কয়েক ম্যাচে যেভাবে বোলিং-ফিল্ডিং করেছি… তবে সেটা হয়নি। আমরা উইকেটও বিলিয়ে এসেছি। এতে রান তাড়া কঠিন হয়ে যায়।’ ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে জ্যোতি বলেন, ‘এটা দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের বড় এক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত দুই ম্যাচে যারা রান করেছে, এবার তারা রান পায়নি। রানের এই অধারাবাহিকতাই আমাদের ভোগাচ্ছে।’ উইকেটের ধীরগতিকেও ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তাঁর ভাষায়, ‘বোলাররা গত তিন ম্যাচে ভালো করেছে। আমরা ভুগছি ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে। উইকেট অবশ্য একটু ধীর গতির ছিল। ব্যাট করার জন্য এত সহজ ছিল না।’ ভারতের ব্যাটারদের দেওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার আক্ষেপও ছিল জ্যোতির কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘স্মৃতি মান্ধানা না শুধু, আমরা ওদের সব ব্যাটারকে নিয়েই কথা বলেছি। তারা সুযোগ দিয়েছিল, আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। দ্বিতীয় ওভারেই লং অনে ক্যাচ দিয়েছিল শেফালি ভার্মা। ওই ক্যাচ ধরলে পুরো দৃশ্য অন্যরকম হতে পারত। তবে যেভাবে মেয়েরা লড়াই করেছে, আমি খুশি।’ দলের বোলিং ও ফিল্ডিং নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জ্যোতি বলেন, ‘আমরা ভালো ফিল্ডিংই করেছি। এই বিভাগেই বাকি দুই বিভাগের চেয়ে ভালো করেছি। বোলাররা ভালোই তো করছে। ভারত অনেক ভালো ব্যাটিংও করছিল। শেষদিকে অনেক রান তুলেছে।’ ভারতের রান আরও কমানো সম্ভব ছিল বলেও মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘মাঝখানে আমরা ঠিকই নিয়ন্ত্রণ রেখেছিলাম। স্পিনাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করেছে। ১৩০-১৩৫ রানেই ওদের আটকে রাখা যেত। তাহলে ব্যাটিং ইউনিটের সামনে ভিন্ন দৃশ্যপট থাকত।’ তবে শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং ব্যর্থতাই বাংলাদেশের সেমিফাইনালে হারের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করে টুর্নামেন্ট শেষ করতে হয়েছে টাইগ্রেসদের।

সেমিফাইনালে আবারও ভারত, চাপ নয় উপভোগ করতে চায় বাংলাদেশ

সেমিফাইনালে আবারও ভারত, চাপ নয় উপভোগ করতে চায় বাংলাদেশ

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ব্যাটিং ব্যর্থতার পর বোলারদের দাপটে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

আর্জেন্টিনার জার্সিতে না খেলেও বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা
টানা তৃতীয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা
দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের গহনার দাম। টানা তৃতীয় দফায় দাম কমানোর পর সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় নতুন করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। এ ছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও কেনাবেচার ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। এর আগে গত ৬ ও ৯ সেপ্টেম্বর দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম কমানো হয়েছিল। এবার ১১ সেপ্টেম্বর তৃতীয় দফায় দাম কমল।

বৃষ্টিতে আবারও চড়া সবজির বাজার, বেগুন ১৪০ টাকা কেজি

বৃষ্টিতে আবারও চড়া সবজির বাজার, বেগুন ১৪০ টাকা কেজি

জ্বালানি স্বনির্ভরতা নাকি আমদানিনির্ভরতা—কোন পথে বাংলাদেশ?

জ্বালানি স্বনির্ভরতা নাকি আমদানিনির্ভরতা—কোন পথে বাংলাদেশ?

দুর্গাপূজায় আবারও বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত

দুর্গাপূজায় আবারও বাংলাদেশের ইলিশ চায় ভারত

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণ: নতুন জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬–৯০ শতাংশে নিতে চায় সরকার

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী

এসএসসির ফলে জিপিএ-৫ নয়, মাঝারি ফলেই বেশি শিক্ষার্থী