• সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়
একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়
হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিনকে গুম করা হয়েছিল: তদন্ত সংস্থা
হাসিনার নির্দেশে সালাহউদ্দিনকে গুম করা হয়েছিল: তদন্ত সংস্থা
২০১৫ সালে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) টিএফআই সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ র‌্যাব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পেয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্তে উঠে এসেছে, শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমদকে গুম করা হয়েছিল। শনিবার (৮ আগস্ট) বিষয়টি জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, তদন্ত দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্টদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। চিফ প্রসিকিউটর জানান, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের পর ভারতে পাচারের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিষয়েও তদন্ত চলছে। ইতোমধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছ থেকে মৌখিক জবানবন্দি নিয়েছেন। শিগগিরই তার আনুষ্ঠানিক জবানবন্দি নেওয়া হবে। এদিকে তদন্ত সংস্থার কাছে দেওয়া গুমের শিকার ছাত্রদল নেতা ও আইনজীবী সোহেলের জবানবন্দিতেও সালাহউদ্দিন আহমদকে টিএফআই সেলে আটকে রাখার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনা, তাকে টিএফআই সেলে আটকে রাখা এবং পরবর্তীতে ভারতে পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে বন্দি রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়

একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়

ইউএনওদের মানবিকভাবে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইউএনওদের মানবিকভাবে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে সতর্কতার বার্তা, জনসংযোগ বিভাগ বললো ‘গুজব’

পুলিশ কর্মকর্তাদের ফোনে সতর্কতার বার্তা, জনসংযোগ বিভাগ বললো ‘গুজব’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে পূরণ হলো অনুশ্রীর স্বপ্ন, উপহার পেল হারমোনিয়াম

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে পূরণ হলো অনুশ্রীর স্বপ্ন, উপহার পেল হারমোনিয়াম
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের নামে ‘লুটপাটের লাইসেন্স’ দেয়া হচ্ছে: জামায়াত
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের নামে ‘লুটপাটের লাইসেন্স’ দেয়া হচ্ছে: জামায়াত
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের নামে সংস্কারের পরিবর্তে একচেটিয়া ব্যবসা কয়েকটি প্রভাবশালী বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, এটি সংস্কার নয়, বরং জ্বালানি খাতে ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের নতুন লাইসেন্স’ দেয়ার প্রক্রিয়া। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘সরকারের নতুন জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ খসড়া নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। নতুন বিপিসি চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেওয়ার চার দিনের মধ্যে এ খসড়া তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘এটি সংস্কার নয়, এটি হস্তান্তর। এটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স।’ জামায়াতের এই নেতা বলেন, দলটি বাজার অর্থনীতি ও বেসরকারি বিনিয়োগের বিরোধী নয়। তবে দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে জবাবদিহিহীন হস্তান্তর এবং দুর্নীতির সুযোগ বিস্তারের বিরোধিতা করবে জামায়াত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘আওয়ামী লীগের মতোই যদি দেশে লুটপাট চলে, তাহলে জুলাই আন্দোলনের প্রয়োজন ছিল কেন?’ বেসরকারি খাতে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দিলে প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং দাম কমবে—সরকারের এমন যুক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, জ্বালানি তেল আমদানির ব্যবসায় গভীর সমুদ্রবন্দর, সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং, বড় ট্যাংক টার্মিনাল, পাইপলাইন ও বিপুল ব্যাংকিং সক্ষমতা প্রয়োজন। ফলে বাস্তবে হাতেগোনা কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীই এ বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা রাখে। এতে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ব্যবসা ভেঙে বেসরকারি একচেটিয়া ব্যবসা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিপিসিকে অদক্ষ ও লোকসানি প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে বেসরকারিকরণের যুক্তিও প্রত্যাখ্যান করে জামায়াত। মিয়া গোলাম পরওয়ারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিপিসি ৩ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি যথাক্রমে ১ হাজার ৯৮৩ কোটি ও ৭ হাজার ৮৭ কোটি টাকা লোকসান করেছিল। বর্তমান জ্বালানি সংকটকে বিপিসির ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা হিসেবে দেখারও বিরোধিতা করেন তিনি। তার দাবি, বিশ্ববাজার ও ভূরাজনৈতিক সংকটই এর মূল কারণ। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও ভোক্তাদের ওপর চাপ কমাতে দেশে দাম না বাড়ানোর কারণে বিপিসি প্রতিদিন প্রায় ৭৮ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বলে সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও সরবরাহ সংকটকে কাজে লাগিয়ে সরকার তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, গত ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার আশঙ্কা, এতে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ কমে গিয়ে দরদাতা সংকট, বেশি দাম এবং সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, দ্রুততা আর স্বচ্ছতা পরস্পরবিরোধী নয়। কিন্তু এখানে দ্রুততার নামে স্বচ্ছতাই বিসর্জন দেয়া হচ্ছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি বাজার কয়েকটি গোষ্ঠীর হাতে গেলে প্রতি লিটারে সামান্য বাড়তি মুনাফাও বছরে হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আয়ে পরিণত হতে পারে। জ্বালানি তেলকে সাধারণ পণ্য নয়, কৃষি, বিদ্যুৎ, পরিবহন, বিমান চলাচল ও জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন জামায়াতের এই নেতা। বাংলাদেশে একটি মাত্র শোধনাগার—ইস্টার্ন রিফাইনারি—এবং সীমিত মজুত সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন করেন, যুদ্ধ বা দুর্যোগের সময় বেসরকারি কোম্পানিকে রাষ্ট্র কীভাবে নির্দেশ দেবে। দুর্গম ও অলাভজনক এলাকায় জ্বালানি সরবরাহের দায়িত্বও বেসরকারি কোম্পানি নেবে কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। জ্বালানি খাতের শ্রমিক সংগঠনের আইনি সুরক্ষা কমানোর উদ্যোগ নিয়েও অভিযোগ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। শ্রম আইনের ১৮৭ ধারা জ্বালানি খাতের শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের ক্ষেত্রে রহিত করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ছয় দফা দাবি জামায়াতের জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন বেসরকারি খাতে দেওয়ার উদ্যোগ অবিলম্বে স্থগিতের দাবি জানিয়েছে জামায়াত। দলটির অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—খসড়া নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট নথি প্রকাশ করে অন্তত ৬০ দিন জনমত গ্রহণ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অধীনে উন্মুক্ত শুনানি এবং বেসরকারিকরণের পরিবর্তে বিপিসির সংস্কার। এ ছাড়া স্বাধীন নিরীক্ষা, বিপিসির বোর্ডে পেশাদারদের নিয়োগ, জ্বালানি ক্রয়ে ই-জিপি বাধ্যতামূলক করা এবং প্রতি তিন মাসে আমদানি মূল্য ও পরিমাণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট ও কৌশলগত মজুত সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা খর্বের সব সুপারিশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘প্রতিযোগিতা মানে একচেটিয়া হাতবদল নয়। সংস্কার মানে প্রতিষ্ঠান মেরামত, প্রতিষ্ঠান বিক্রি নয়। জ্বালানি নিরাপত্তা মানে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ, গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নয়।’ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পাবনা-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান মোমেন, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।

গণঅভ্যুত্থানের পর একই তরিকার লোকদের শুধু ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে: জামায়াত আমির

গণঅভ্যুত্থানের পর একই তরিকার লোকদের শুধু ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে: জামায়াত আমির

সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ

সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বগুড়ায় ১৯ মাসে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩, আক্রান্তদের ৮৭ শতাংশ পুরুষ

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

বেসরকারি হাসপাতালেও কম খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করতে হবে

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫

হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই বলেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ করল সৌদি!
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা নেই বলেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ করল সৌদি!
মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ভূরাজনীতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের পর মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশ নিজেদের নিরাপত্তায় নতুন ব্যবস্থা গ্রহণে আগ্রহী হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নামে পরিচিত এই চুক্তিটি সৌদি আরবের মক্কা নগরে স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠক শেষে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ জোরদার করা। এই তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তাদের সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘চুক্তিটি তিনটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক উন্নত করার সুযোগ তৈরি করবে।’ তবে বাস্তবে এই চুক্তি কেমন রূপ নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে বাড়তে থাকা প্রশ্নগুলোর দিকেই ইঙ্গিত করছে। রাইস ইউনিভার্সিটির বেকার ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসির মিডল ইস্ট ফেলো ক্রিস্টিয়ান কোটস উলরিচসেন আল-জাজিরাকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এক দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন নিরাপত্তা অংশীদারত্বের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে দিন দিন সংশয় পোষণ করে আসছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত, যুদ্ধের পরবর্তী পরিচালনা এবং সংকট সমাধানে ঘন ঘন অবস্থান বদলানোর চেষ্টা- এসবই সেই উদ্বেগগুলোকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এসবই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে বহুমুখী করার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করেছে।’ তবে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপিত বা বাতিল করা নয়, বরং বাড়তি কৌশলগত ও নীতিগত বিকল্প তৈরি করা বলে জানান উলরিচসেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এখনও এই চুক্তির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চুক্তিটি ইরান যুদ্ধের বিশৃঙ্খলা শেষে এই তিন দেশের নিজেদের নতুন করে গুছিয়ে নেয়ার একটি প্রচেষ্টা। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির বিশ্লেষক সিনা তোসি আল-জাজিরাকে বলেন, এটিকে প্রথম বড় ভূরাজনৈতিক সংকেত বলা যেতে পারে। এতে বোঝা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে আগ্রাসনের কারণে আঞ্চলিক ব্যবস্থা নতুন রূপ নিচ্ছে। এই চুক্তির গুরুত্ব আনুষ্ঠানিক একটি সামরিক জোটের চেয়েও বেশি কিছু প্রকাশ করছে। আঞ্চলিক দেশগুলো কীভাবে নিজেদের নিরাপত্তা পুনর্মূল্যায়ন করছে, সে বিষয়টিও এই চুক্তির মাধ্যমে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি। তোসি যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের জোটের কথাও উল্লেখ করেন। বহু দশক ধরে যৌথ নিরাপত্তা স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এই দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। তবে এই চুক্তি এমনই ইঙ্গিত দিতে পারে যে সৌদি আরব তার নিরাপত্তা জোটের পরিধি বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্ররা ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। কারণ, কোনো আঞ্চলিক সহযোগীদের ওপর এর প্রভাব কেমন পড়বে, তা না ভেবেই গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে তারা ইরানে আগ্রাসন চালায়। ইরানি বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ব্যাপক হুমকির মুখে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা। অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানির মূল পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করার তেহরানের সিদ্ধান্ত স্থানীয় অর্থনীতিতেও দিয়েছে বড় ধাক্কা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা সত্ত্বেও ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অনেকটাই বজায় রেখেছে। বিপরীতে ওয়াশিংটন তার মিত্রদের পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা গোলাবারুদ জোগাতে হিমশিম খেয়েছে। কারণ, এই আকাশ প্রতিরক্ষার সিংহভাগই ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছিল। যুদ্ধ লাগিয়ে দেয়ার পর সৃষ্ট পরিস্থিতির মধ্যে এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় দীর্ঘদিনের ওয়াশিংটন-নির্ভরতা আরও বেশি চাপের মুখে পড়েছে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে মধ্যপ্রাচ্য নীতির অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী ব্রেট ম্যাকগার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘এটি মধ্যপ্রাচ্যে একটি পরিবর্তনশীল ও সম্পূর্ণ নতুন শুরুর অধ্যায়।’ তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নিরাপত্তা চুক্তিকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করা এবং ইরানকে ঠেকানোর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখাই সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ইয়াসমিন ফারুক আল-জাজিরাকে বলেন, ‘এসব দেশ সবই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র। তারা জানে, এমন কোনো কাঠামো নেই, যা যুক্তরাষ্ট্রকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন করতে পারে। ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল প্রথম যখন ইরানে আগ্রাসন চালায়, এরপর থেকেই এই তিন দেশই সাধারণত মধ্যস্থতা ও উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়ে এসেছে।

দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল

দিল্লিতে প্রেস কনফারেন্সে শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যে সমর্থন নেই ভারতের: রণধীর জয়সওয়াল

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, এবার উত্তাল ভারতের ঝাড়খণ্ড

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

দিল্লিতে হাসিনার গণমাধ্যমে ভাষণ নিয়ে যা বলছে ভারত

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

তসলিমার নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার, বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

সেউতা অভিবাসন সংকট নিয়ে ইইউর জরুরি বৈঠক

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা

দেশ ছাড়তে প্রস্তুতি নিন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নাগরিকদের জরুরি নির্দেশনা
কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে, কেউ অন্য কাজে—রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না
কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে, কেউ অন্য কাজে—রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না
কাজের সন্ধানে বের হয়েছিলেন কয়েকজন দিনমজুর। সড়কের পাশে অপেক্ষা করছিলেন তারা। হঠাৎই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় তাদের। এতে প্রাণ হারান সাতজন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোরে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের এরুলিয়া এলাকায় দুর্ঘটনায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া বাসযোগে কেউ কাজে আবার কেউ যাচ্ছিলেন প্রিয়জনের কাছে। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! প্রিয়জনের কাছে বা গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই দুই বাসের সংঘর্ষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ৯ জন। সকাল ৭টা ১০ মিনিটে সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার খাসিকাপন এলাকায় এই দুর্ঘটনায় আরো অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। দুটি বড় দুর্ঘটনায় এতগুলো প্রাণহানি রক্তভেজা সড়কে এখন শুধুই কান্না। বগুড়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের এরুলিয়া সিল্কিবান্ধা এলাকায় ঢাকা থেকে নওগাঁগামী যাত্রীবাহী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি বৈদ্যুতিক পিলারে আঘাত করে। এ সময় সেখানে কাজের সন্ধানে অনেক শ্রমিক অপেক্ষা করছিলেন। বাসটি শ্রমিকদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরো চারজন মারা যান। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন—বগুড়ার বেলাল হোসেন (৩৭), গাইবান্ধার আমিরুল ইসলাম (৪৫), নূর আলম (৩৫), ফয়জার রহমান (৪৩) ও আবদুর রহিম (৪৬) ও জয়পুরহাটের তাজমুল (৪৫)। এদিকে সিলেট প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সকাল ৭টার দিকে জেলার ওসমানীনগর উপজেলায় ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন ও সিলেটমুখী বেঙ্গল পরিবহনের স্লিপার বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইউনিক পরিবহনের ৭ যাত্রী মারা যান। ওসমানী হাসপাতালে নেওয়ার পর শিশুসহ আরো একজন মারা যান। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালান। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে নিহতদের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৯

সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৯

বগুড়ায় নিহত বেড়ে ৭, স্পিডব্রেকার নির্মাণের আশ্বাসে সড়ক ছাড়লেন স্থানীয়রা

বগুড়ায় নিহত বেড়ে ৭, স্পিডব্রেকার নির্মাণের আশ্বাসে সড়ক ছাড়লেন স্থানীয়রা

ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
লন্ডনে চুরি যাওয়া ফোনের অবস্থান এক মাস পর দেখাচ্ছে চীনে
এপ্রিল মাস, শনিবারের এক ভোরে আকারা ইতেহ মধ্য লন্ডনের হোলবর্ন টিউব স্টেশনে হেঁটে হেঁটে আসার সময় নিজের ফোন ঘাঁটছিলেন। মুহূর্ত কয়েক পরই ইলেকট্রিক বাইকে আসা এক ছিনতাইকারী তাঁর হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নেয়। নিজের ফোন উদ্ধারে ছিনতাইকারীর পেছনে ছুট লাগিয়েছিলেন আকারা। কিন্তু ধরতে ব্যর্থ হন। আকারা একা এ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাননি; বরং এ বছর এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়ালসে প্রায় ‘৭৮ হাজার’ ফোন ছিনতাই হয়েছে। গত বছরের তুলনায় যা অনেক বেশি। এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বিচার হওয়ার হার খুবই কম। পুলিশের বক্তব্য, তারা দায়ী অপরাধীদের খোঁজ করে। কিন্তু তারা যেভাবে গায়েব হয়ে যায় বা এত ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করে যে তাদের গ্রেপ্তার করা কঠিন হয়ে যায়। এ ধরনের অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা তাঁদের দুর্দশার কথা বিবিসিকে বলেছেন। বলেছেন, ফোন হারিয়ে গেলে এমন অনেক ছবি ও তথ্য হারিয়ে যায়, যেগুলো আর কখনো ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। সঙ্গে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি তো আছেই। তাঁদের মধ্যে আকারার মতো অনেকে আরও একটি কারণে নিদারুণ হতাশায় ডুবে যান। আকারা তাঁর ফোনটি কোথা থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা অনলাইনে অনুসরণ করতে পারছেন; কিন্তু সেটি ফেরত আনার ক্ষমতা তাঁর নেই। ফোন ছিনতাই হওয়ার এক ঘণ্টা বা তার কিছু পরে বাড়িতে ফিরে আকারা তাঁর আইফোন ১৩ হারিয়ে গেছে (লস্ট মুড) অপশনটি চালু করেন। এটা করা হলে চোর ওই ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এরপর আকারা তাঁর ল্যাপটপের সাহায্যে ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ ফিচার চালু করেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আকারা তাঁর ফোনটি কোথায় আছে, সেটা দেখতে পারেন। ল্যাপটপের স্ক্রিনে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় নিজের ফোন ঘুরে বেড়াতে দেখেন আকারা। ফোন উদ্ধারের আশায় ল্যাপটপে দেখানো দুই জায়গায় নিজেই গিয়েছিলেন আকারা। তিনি বলেন, ‘এটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। উত্তেজনায়, রাগে আমি এটা করেছিলাম।’ আকারা অবশ্য কারও সঙ্গে কথা বলেননি। তবে বুঝতে পারছিলেন, তাঁকে কেউ অনুসরণ করছে। তিনি বাড়ি চলে যান। আকারা বলেন, ‘আমি খুবই ক্ষুব্ধ ছিলাম। ফোনটা দামি। ওই ফোন কিনতে আমি কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জন করি এবং কেউ একজন সব ঘেঁটে দিল।’ আকারার ফোনটি যখন চুরি যায়, তখন রাস্তায় তিনি পুলিশ দেখতে পেয়ে তাদের সবকিছু খুলে বলেছিলেন। যদিও তাঁর মনে হয়েছে, পুলিশ কর্মকর্তারা জানতেন, ফোন চুরি করতে চোররা ওই এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ তাকে অনলাইনে অভিযোগ করার পরামর্শ দেয় এবং তিনি সেটা করেন। কয়েক দিন পর ই–মেইল পাঠিয়ে পুলিশ আকারাকে জানায়, তাঁর ফোন চুরির মামলাটির তদন্তকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলেছে, ‘সম্ভবত আমরা দোষীদের শনাক্ত করতে পারব না।’ যেখান থেকে ফোন চুরি হয়েছিল, সেখানকার ছবি ও কিছু তথ্য আকারা পুলিশকে দিয়েছিলেন। পুলিশ সেটা গ্রহণ করেছে। কিন্তু ফোন উদ্ধারে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। ফোন চুরির ঠিক এক মাস পর, মে মাসে আকারা তাঁর ‘ফাইন্ড মাই আইফোন’ আবার দেখেন। তখন সেটির অবস্থান দেখাচ্ছিল শেনজেন, চীন। আকারা এবার সব আশা ছেড়ে দেন। চুরি যাওয়া অনেক ফোনের শেষ গন্তব্য হয় শেনজেন। সেখানে যদি ফোনটি খোলা এবং নতুন করে ব্যবহার করা না যায়, তাঁরা সেটির যন্ত্রাংশ খুলে ফেলে এবং আলাদা আলাদা করে বিক্রি করে। ১ কোটি ৭৬ লাখ মানুষের শহর শেনজেন, বিশাল বড় একটি প্রযুক্তিনগরী। শেনজেনকে তাই চীনের সিলিকন ভ্যালি বলা হয়।

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

লন্ডনে গুরুতর অসুস্থ ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

‘কনসার্ট ফর নিউ বাংলাদেশ’-এ গাইবেন জেমস-হাসান

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের মতো শহরের তাপমাত্রা কমাতে পারে সাদা রং

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

লন্ডনের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীমকে ফেরত আনা হচ্ছে ঢাকায়

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইসরায়েলের হামলা বন্ধের দাবিতে দেশে দেশে বিক্ষোভ

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত

লন্ড‌নে প্রতি‌বেশীর ছুরি‌কাঘাতে বাংলা‌দেশি নিহত
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
টাকা ছিটাচ্ছেন ট্রাম্প ও কমলা, কে এগিয়ে
অক্টোবরে ১৬ দিনে ব্যয় ৬ হাজার কোটি টাকা। তহবিল সংগ্রহে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে কমলা। কমলার পক্ষে ভোটের জন্য অর্থ সংগ্রহ ১৮০ কোটি ডলার। ট্রাম্পের ২০২২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংগ্রহ ১০০ কোটি। ডেমোক্রেটিক পার্টির সমাবেশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ক্লার্কস্টন এলাকায়। ছবি: এএফপি অপতথ্যের ছড়াছড়ি বিগত কয়েক নির্বাচন থেকে দেখছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা। এবার অর্থকড়ির ছড়াছড়িও দেখছেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৬ দিনে মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিস, রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা ব্যয় করছেন আধা বিলিয়ন অর্থাৎ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬ হাজার কোটি টাকা (১২০ টাকা প্রতি ডলার)। অর্থাৎ প্রতিদিন ব্যয় হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা। নিউইয়র্ক টাইমসের গতকাল শুক্রবারের এক খবরে বলা হয়েছে, ভোটারদের তথ্য পেতে এবং বিজ্ঞাপনের জন্য এই অর্থ ব্যয় করছেন তাঁরা। ট্রাম্প ও হ্যারিসের প্রচার শিবির এই ১৬ দিনে ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর এই দুই নেতার পক্ষে অন্যরা ব্যয় করেছে ২৬ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ম অনুসারে নির্বাচনী প্রচারের ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় নির্বাচন কমিশনে। সেই হিসাব সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। কমলা হ্যারিস ১ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যয় করেছেন ১৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। নথি সূত্রে জানা গেছে, দিন দিন তাঁর এই খরচ বেড়েছে। কারণ, গত আগস্টে পুরো মাসে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় করেছেন ১৩ কোটি ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, অক্টোবরের শুরুতে কমলা হ্যারিসের প্রচার শিবিরের তহবিলে জমা পড়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ডলার। তিনি এবং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিলে তাঁদের দল ডেমোক্রেটিক পার্টির হয়ে তুলেছেন ১৮০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহে পিছিয়ে আছেন ট্রাম্প। অক্টোবরে তাঁর প্রচার তহবিলে জমা পড়েছে ৯ কোটি ২১ লাখ ডলার। এ ছাড়া পুরো নির্বাচনী প্রচারেও অর্থ সংগ্রহ হয়েছে কম। ২০২২ সালে তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর থেকে চলতি অক্টোবর পর্যন্ত তিনি অর্থ সংগ্রহ করতে পেরেছেন ১০০ কোটি ডলার। অর্থ সংগ্রহ কম হওয়ায় খরচও কম করতে পেরেছেন ট্রাম্প। অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। এর মধ্যে বিজ্ঞাপনে তিনি ব্যয় করেছেন ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জুন, জুলাই ও আগস্টের চেয়ে তিনি বিজ্ঞাপনে ব্যয় বাড়িয়েছেন। তবে তাঁর হাতে আর বেশি অর্থ নেই ব্যয় করার মতো। তিনি বাকি সময়টায় ৩ কোটি ৬২ লাখ ডলার ব্যয় করতে পারবেন। তবে এ তুলনায় কমলা হ্যারিসের হাতে অনেক বেশি অর্থ আছে। হিসাব অনুসারে, কমলার হাতে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার আছে নির্বাচনের প্রচারে ব্যয় করার জন্য। নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির তহবিলে কারা টাকা দিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কিছু মানুষের নাম জানা যাচ্ছে। তবে সিংহভাগ অর্থ কোথা থেকে আসছে, সেটা জানা যাচ্ছে না। কমলা হ্যারিসের প্রচারে যারা সহযোগী হিসেবে কাজ করছে, সেই সুপার পিএসির তহবিল এসেছে ৪ কোটি ডলার। এই অর্থ কোথা থেকে এসেছে, সেটা জানা যাচ্ছে না।  ট্রাম্পের পাশে ইলন মাস্ক ট্রাম্পের প্রচারের শুরু থেকেই আছেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধনকুবের ইলন মাস্ক। আর্থিক এই খরার মধ্যে তিনি ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ট্রাম্পের জন্য গত ১৬ দিনে তিনি ব্যয় করেছেন ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ট্রাম্পের জন্য তিনি বরাদ্দ রেখেছেন ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। নিউইয়র্ক টাইমসের হিসাব বলছে, আর্থিক খরা কাটাতে অতিরিক্ত ৪ কোটি ৩৬ লাখ ডলার ব্যয় করছেন তিনি।

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

গাজা-লেবাননে ‘তোমার মনে যা চায়, করো’: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে ইসরায়েলের হামলা শেষ, এখন শান্তি চায় যুক্তরাষ্ট্র

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

নবীরা বলে গেছেন, কিয়ামতের শুরু হবে মধ্যপ্রাচ্যেই: ট্রাম্প

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

১৫ বছরের কমবয়সী ও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা হজে যেতে পারবে না

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

মিজানুর রহমান আজহারীর তাফসির মাহফিল স্থগিত

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল

সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি শায়খ আবদুল আজিজের ইন্তেকাল
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
কেন বিয়ে করেননি সাইফ আলী খানের বোন সাবা
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
মালাইকার হাতে জ্যান্ত সাপ, ব্যাপার কী?
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
আট বছর পর ফিরছেন প্রীতি, জানালেন বিরতির কারণ
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
৪ হাজার কোটি রুপির সিনেমা, কেমন হলো প্রথম পর্বের ট্রেলার?
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
শুটিংয়ের ব্যস্ততার মাঝেও বন্যাদুর্গতদের পাশে সালমান খান
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
বাংলাদেশে থাকতে পেরে, গাইতে পেরে আমি গর্বিত : রুনা লায়লা
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
এক মাসে ১২ হাজার কোটি টাকা আয়, রেকর্ড গড়ল এই অ্যানিমেটেড ছবি
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
কান ধরে উঠবস, কেন এই পদক্ষেপ সোনাক্ষীর?
দুঃসংবাদ পেল ভারত, শ্রীলঙ্কা সিরিজে নেই সুদর্শন
দুঃসংবাদ পেল ভারত, শ্রীলঙ্কা সিরিজে নেই সুদর্শন
শঙ্কাটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো। গোড়ালির চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতের বাঁহাতি ব্যাটার সাই সুদর্শন। তাঁর ছিটকে যাওয়া ভারতীয় শিবিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। গত ৪ আগস্ট দলের অন্য সদস্যরা শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা দিলেও সুদর্শন বেঙ্গালুরুর ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে থেকে যান। পরিকল্পনা ছিল, ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রথম টেস্টের আগে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। তবে চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় সেই সম্ভাবনাও শেষ হয়ে যায়। শনিবার সুদর্শনের সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় বিসিসিআই। সুদর্শনের অনুপস্থিতিতে ভারতের ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আনতে হবে। টেস্ট দলে কোচ গৌতম গম্ভীর সাধারণত তাঁকে তিন নম্বরে খেলান। ফলে তাঁর জায়গায় কে খেলবেন, তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে কোচ গম্ভীর ও অধিনায়ক শুবমান গিলকে। এদিকে সুদর্শনের বদলি হিসেবে কাউকে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বিসিসিআই। তবে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে সরফরাজ খান ও শেখ রশিদের নাম। সরফরাজ গত এক সপ্তাহ ধরে বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রয়েছেন। দলে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ার হতাশার কথাও শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তিনি। অন্যদিকে ভারত ‘এ’ দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে থাকা শেখ রশিদকেও সেন্টার অব এক্সিলেন্সে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ফলে সুদর্শনের বিকল্প হিসেবে এই দুজনের যেকোনো একজনকে মূল দলে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। সুদর্শনের পর চোটের কারণে জসপ্রিত বুমরাহর অনুপস্থিতিও ভারতের জন্য বড় ধাক্কা। গুরুত্বপূর্ণ দুই ক্রিকেটারকে না পাওয়ায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ভারতের একাদশ সাজানোয় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে দলটি।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে ও বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত সাকিব

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে ও বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত সাকিব

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় উয়েফা

বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তে অনড় উয়েফা

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ দেখছেন শান্ত

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

ইলন মাস্কের এক্স নিষিদ্ধের প্রস্তাব

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ শেষে পৃথিবীতে ফিরলেন ৪ নভোচারী

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে আরও আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা
বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাজারগুলোতে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃষকদের জিম্মি করে ফেলেছে। এসব সিন্ডিকেট ভেঙে প্রান্তিক কৃষকদের লাভবান করতে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, ‘বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করা হবে। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মজুতদারির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সুতরাং যারা মজুতদারি করবেন, তারা ভেবেচিন্তে করবেন।’ শনিবার ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি হাট ও আড়ত পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কৃষকরা ঘাম ঝরিয়ে ফসল ফলিয়ে ন্যায্য দাম পান না। বাজারে আসার পর কৃষকরা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েন। এক মণ পাট বা পেঁয়াজে অতিরিক্ত ২ কেজি করে তোলা দিতে হতো। এরপরে আবার বাজারের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও হিজড়ারা কৃষকের কাছ থেকে তোলা নেয়। ফলে দেখা গেছে, এক মণে কৃষক দিচ্ছে ৪৫ কেজি। এটা অন্যায্য।’ তিনি বলেন, ‘বাজারের এই সিন্ডিকেট আমরা ভেঙে দেব। এরই মধ্যে সব হাট ও বাজারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যেসব ব্যবসায়ী তোলা না পেলে মালামাল কিনবেন না বলে হুমকি দিচ্ছেন, তাদের বলব- বাজার ছেড়ে চলে যান। বিকল্প ব্যবসায়ী এমনিতেই তৈরি হয়ে যাবে।’ বাজার পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ, ঝুঁকিতে ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

জুলাইয়ে রেমিট্যান্স ৩৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়াল, বেড়েছে ১৫.৪ শতাংশ

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

এক নজরে ১১ কোম্পানির নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা, নো ১টি

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

২৩ কোম্পানি ইপিএস ও লভ্যাংশের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা

১২ কোম্পানির ইপিএসের বোর্ড সভার তারিখ ঘোষণা
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
গর্ভবতী নারীর হেপাটাইটিস বি থাকলে যা করবেন
হেপাটাইটিস বি ভাইরাসটি মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যা লিভারের ক্ষতি করে। স্বাভাবিক বা সি-সেকশন ডেলিভারির আগে, ডেলিভারির সময় বা ডেলিভারির পরে উভয় ভাইরাসই মায়ের কাছ থেকে শিশুর মধ্যে ছড়াতে পারে। এটি শুধু রক্তের মাধ্যমেই ছড়ায় না, বরং বীর্য, যোনি স্রাব, লালা এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের মাধ্যমেও ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। টিকা HBV সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। চিকিৎসকেরা নিয়মিত গর্ভবতী নারীদের হেপাটাইটিস বি এর পরীক্ষা করেন। আপনি যদি সংক্রমিত হন, তবে আপনার শিশুর মধ্যে এটি ছড়ানোর সম্ভাবনা হেপাটাইটিস সি-এর চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি গত ৬ মাসের মধ্যে হেপাটাইটিস বি-তে অসুস্থ হয়ে থাকেন, যাকে আপনার ডাক্তার তীব্র সংক্রমণ বলতে পারেন, তবে আপনার নবজাতকের এটিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। যদি আপনার সংক্রমণটি আরও বেশি সময় ধরে থাকে, যাকে দীর্ঘস্থায়ী হেপাটাইটিস বি বলা হয়, তবে সেই সম্ভাবনা কমে ১০-২০% হয়ে যায়। প্রসব পরবর্তী যত্ন হেপাটাইটিস বি-এর কোনো নিরাময় নেই। কিন্তু যদি আপনার নবজাতক শিশু ১২ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ এবং হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন নামক আরেকটি শট পায়, তাহলে তার এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%-এরও বেশি থাকে। শিশুদের সাধারণত প্রথম শটটি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ইমিউন গ্লোবুলিনটি কেবল তখনই পায়, যখন মায়ের HBV থাকে বা থাকার সন্দেহ করা হয়। সর্বোচ্চ সুরক্ষা পাওয়ার জন্য শিশুটির পরবর্তী ৬ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনের বাকি দুটি ডোজও প্রয়োজন হয়। সাধারণত, মায়ের হেপাটাইটিস বি থাকলেও শিশুকে নিরাপদে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। যদি স্তনবৃন্ত ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তবে স্তনবৃন্ত সেরে না ওঠা পর্যন্ত সাময়িকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখা উচিত। আপনি যদি নিশ্চিত না হন তবে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স (AAP) সুপারিশ করে যে, সমস্ত শিশুকে জন্মের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিনের প্রথম শট, এরপর ১-২ মাস বয়সে একটি শট এবং ৬ থেকে ১৮ মাস বয়সের মধ্যে তৃতীয় শট দেওয়া উচিত। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, সিডিসি অভিভাবকদের এই টিকার সময়সূচী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সুপারিশ করেছে।

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

ঘন ঘন মেজাজ খারাপের পেছনে যে হরমোন দায়ী

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

বসুন্ধরা সিটিতে নাজাত ফ্যাশন, নতুন আউটলেট উদ্বোধন

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

দুর্গাপূজার সঙ্গে ইলিশের কী সম্পর্ক

নামাজের সময়সূচি

রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
*স্থানভেদে সময়ের পার্থক্য হতে পারে
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
মায়ের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকায় ছেলের উদ্যোগ
চাকরি আবদুল বাকীকে কখনোই টানেনি। অভাবের সংসারে পরিবারের হাল ধরতে কখনো ফ্রিল্যান্সিং, কখনোবা টিউশনি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাতেও মনের খেদ মিটছিল না। সব সময় উদ্যোগী হয়ে কিছু একটা করতে, উদ্যোক্তা হতে চেয়েছেন তিনি। গত ২১ সেপ্টেম্বর সেই স্বপ্নই পূরণ হয়েছে। তিন বন্ধু ও এক অনুজকে নিয়ে দিয়েছেন ‘আহার মেলা’। খাবারের এই দোকানে তাঁর সহযোগীরা হলেন রাজশাহী কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শাহাদাত হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের আল-মুত্তাকিন, আরবি বিভাগের আমির হামজা ও ফারসি বিভাগের সামিউল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী একাডেমিক ভবনের উল্টো দিকে গেলেই চোখে পড়বে এই দোকান। আহার মেলায় ভাত, খিচুড়ি, ভর্তা, ডাল, মাছ, মাংস, সবজি ও ডিমের তরকারি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬০ ও ৭০ টাকার দুটি প্যাকেজ আছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে। আবদুল বাকী বলেন, ‘যেহেতু ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে দোকানটি চালু থাকে, আমাদের অনেকেরও ওই সময় ক্লাস থাকে। যার যেদিন ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সে সেদিন থাকে না। যদি সবারই একসঙ্গে ক্লাস-পরীক্ষা থাকে, সেদিন দোকান বন্ধ রাখতে হয়।’ পারিবারিকভাবে সচ্ছল ছিলেন না বাকী। কলেজজীবন থেকে এ কাজ-ও কাজ করেছেন। দুই বছর আগে বাবা মারা গেলে আর্থিক দৈন্য আরও বেশি জেঁকে বসে। মূলত সে সময়ই ব্যবসার কথা ভাবতে থাকেন। মাকে পরিকল্পনার কথা শোনান। মা রাজি হন, নিজের শেষ সম্বল ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন ছেলের হাতে। এই মূলধনের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে আহার মেলা। আপাতত ব্যবসা গোছানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন এই উদ্যোক্তা। ভবিষ্যতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় আহারমেলার শাখা চালু করতে চান।

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

সফলতার সঙ্গে লেখাপড়ার সম্পর্ক কতটুকু

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

প্রাণবন্ত ক্যাম্পাসে এখন গবেষণায় জোর

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

২৪ ঘণ্টাই পাশে থাকবে ‘অটোমামা’

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি বাদ, ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে ৬ শিক্ষার্থী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী