
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রোববার (১১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের অনুরোধে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব দেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রদেশটিতে সরকার পরিচালনা করছে। গত কয়েক দিন ধরে মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদির নেতৃত্বে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন ও লংমার্চ চালিয়ে আসছেন দলটির নেতাকর্মীরা।
গত ৫ অক্টোবর থেকে ইসলামাবাদ অভিমুখে লংমার্চ শুরু করে পিটিআই। তবে এখনো তা খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
ইমরান খান ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় সাজা হওয়ায় তিনি কারাগারে রয়েছেন। সম্প্রতি তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসার পর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন জোরদার করেছে পিটিআই।
ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পিটিআইকে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।
জরুরি অবস্থা জারির ফলে প্রদেশটির রাজনৈতিক কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের কিছু মৌলিক অধিকারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে গভর্নর শাসন কার্যকর হওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: ডন