ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লায় ২ হাজার কিলোমিটারের সীমা থাকছে না

ফানাম নিউজ
  ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০০:৫৫

নিজেদের তৈরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা (রেঞ্জ) দুই হাজার কিলোমিটারের মধ্যে রাখার সীমাবদ্ধতা তুলে নিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ফলে ভবিষ্যতে দেশটির তৈরি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি হতে পারে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেন মোহেব্বি এ তথ্য জানিয়েছেন।

সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি কয়েক দিন আগে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ইরানের ওপর নতুন করে কোনো হামলা হলে দেশটির পাল্টা আঘাত ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকবে না। এমন ঘোষণার পরই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা নিয়ে নতুন অবস্থানের কথা জানাল আইআরজিসি।

রাজধানী তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে হোসেন মোহেব্বি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়া হয়েছে। ইরান শুধু কথায় নয়, বাস্তবেও তা দেখাবে।

তবে বর্তমানে ইরানের কাছে দুই হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে কি না কিংবা অতীতে এমন ক্ষেপণাস্ত্র ছিল কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি তিনি।

বর্তমানে দুই হাজার কিলোমিটার পাল্লার মধ্যে ইউরোপের গ্রিস ও বলকান অঞ্চলের কিছু অংশ, পুরো আরব উপদ্বীপ এবং মিসরের বেশির ভাগ এলাকা রয়েছে। পাল্লা বাড়ানো হলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আরও দূরের দেশও চলে আসতে পারে।

চলতি বছরের মার্চে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল ইরান। দেশটি থেকে ঘাঁটিটির দূরত্ব প্রায় চার হাজার কিলোমিটার। তবে ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্রই মাঝ আকাশে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার পর ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরান তাদের মহাকাশ কর্মসূচিকে কাজে লাগিয়ে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারে।

সূত্র: এপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়